ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবু সাঈদ এই আন্দোলনের শহীদদের ইমাম: নাহিদ ইসলাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল: আর্জেন্টিনা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর অন্য নাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল, ক্যারিশমাটিক কামব্যাকের মহাকাব্য লিখছে আর্জেন্টিনা শ্রাবণের প্রথম দিন আজ চট্টগ্রামে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ শ্রমিক ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, সমুদ্র বন্দরে সতর্ক সংকেত অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মানুষের সুস্থতাই একটি জনপদের প্রার্থনা জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি শুরু : দোয়া কামনা পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করলেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন চকরিয়ার শহীদ আহসান হাবিবের পরিবারের পাশে জুলাই যোদ্ধারা,দিলেন আর্থিক সহায়তা কোটবাজারে পিকআপ-সিএনজি-অটোরিক্সার ত্রিমুখি সংঘর্ষ, আহত ১০ ​আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আবার বিয়ে করবেন পরী মনি! কক্সবাজারকে বিশ্বের পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করা হবে

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।