ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সৎ পিতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারালো ৬ বছরের পুত্র অক্টোবরে কক্সবাজার আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – জেলা প্রশাসক কবি অমিত চৌধুরী’র প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন কক্সবাজারে ১২০ কেজি তামার তার ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২১, আটক ২৫ কিশোর গ্যাং সদস্য খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছে- শাহাদাত বার্ষিকীতে সহিদুজ্জামান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত ২৬ মামলার আসামি চকরিয়ার নবী হোসেন মহেশখালীতে গ্রেফতার রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল বশর বাবু  জেদ্দা থেকে মদিনার পথে দুর্ঘটনা, সড়কে নিভে গেল লোহাগাড়ার শওকতের প্রাণ কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল চালু, অক্টোবরে উড়বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, ২ লাখ পিস উদ্ধার ছাত্রদল নেতা জিসানসহ ২৪ ঘণ্টায় তিন মরদেহ, দুই ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কক্সবাজারে আধুনিক ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নির্দেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনতে চায় বাংলাদেশ কবি অমিত চৌধুরী পরলোকে : রাতে শেষকৃত্য কক্সবাজার মহাশশ্মানে বাংলাদেশকে আকাশ ব্যবহার করতে দিল না পাকিস্তান

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সৎ পিতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারালো ৬ বছরের পুত্র

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।