ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে থেকে গোল্ডেন A+ পেল সাদিয়া আফরিন কনক

ঘুষ নিয়ে উল্টো আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন:রামু থানার এসআই তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নারীর

কক্সবাজারের রামুতে আঠারো হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে উল্টো মিথ্যা প্রতিবেদন প্রদানের অভিযোগ উঠেছে রামু থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে।

রবিবার (০৪ জানুয়ারী) কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শাহিনা আক্তার নামের ভুক্তভোগী।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিনা আক্তার গেলো বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর  সি আর মামলা নং-৬৪০/২০২৫ ইং ধারা-ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪(ক)৭ অনুযায়ী রামুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা দায়ের করেন শাহিনা আক্তার। আদালত রামু থানা পুলিশ কে তদন্তের নিদেশ দিলে থানার
সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনকে দায়িত্ব দেয়া হয় তদন্তের।পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা যৌথ সার্ভেয়ার দ্বারা বিরোধীয় জমি পরিমাপ করেন।সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।এরপর ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করলে ১৮ হাজার টাকা প্রদান করে তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে। পরে এসআই তৌহিদুল আরেফিন ভিন্ন এলাকার লোকজনের নাম দিয়ে সাক্ষী দেখিয়ে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে কোন উত্তর না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিবে বলে ভুক্তভোগীকে হুমকি প্রদান করা হয় বলে ও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ৪ জানুয়ারী কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার।

বিষয়টি নিয়ে জানতে বেশ কয়েকবার সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিন কে কল দেয়া হলেও মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ

ঘুষ নিয়ে উল্টো আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন:রামু থানার এসআই তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নারীর

আপডেট সময় : ১২:৫২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে আঠারো হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে উল্টো মিথ্যা প্রতিবেদন প্রদানের অভিযোগ উঠেছে রামু থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে।

রবিবার (০৪ জানুয়ারী) কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শাহিনা আক্তার নামের ভুক্তভোগী।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিনা আক্তার গেলো বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর  সি আর মামলা নং-৬৪০/২০২৫ ইং ধারা-ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪(ক)৭ অনুযায়ী রামুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা দায়ের করেন শাহিনা আক্তার। আদালত রামু থানা পুলিশ কে তদন্তের নিদেশ দিলে থানার
সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনকে দায়িত্ব দেয়া হয় তদন্তের।পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা যৌথ সার্ভেয়ার দ্বারা বিরোধীয় জমি পরিমাপ করেন।সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।এরপর ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করলে ১৮ হাজার টাকা প্রদান করে তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে। পরে এসআই তৌহিদুল আরেফিন ভিন্ন এলাকার লোকজনের নাম দিয়ে সাক্ষী দেখিয়ে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে কোন উত্তর না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিবে বলে ভুক্তভোগীকে হুমকি প্রদান করা হয় বলে ও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ৪ জানুয়ারী কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার।

বিষয়টি নিয়ে জানতে বেশ কয়েকবার সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিন কে কল দেয়া হলেও মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।