ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বড় বাজারে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা,ফেনসিডিলসহ কয়েক প্রকার মাদক:নেপথ্যে “কিং”! কক্সবাজারে হারানো আইফোনসহ উদ্ধার করা ৫০ টি মোবাইল মালিকের কাছে হস্তান্তর বিজিবি-আরএসও গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার শুক্রবার কক্সবাজারে আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যাবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটি ধসে নিহত ২ শ্রমিক দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা পেকুয়ায় বন্দুক, গুলি-কার্তুজসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের সিকিউরিটি রাব্বানীর বিরুদ্ধে টিকেট কালোবাজারির অভিযোগ পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা

ঘুষ নিয়ে উল্টো আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন:রামু থানার এসআই তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নারীর

কক্সবাজারের রামুতে আঠারো হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে উল্টো মিথ্যা প্রতিবেদন প্রদানের অভিযোগ উঠেছে রামু থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে।

রবিবার (০৪ জানুয়ারী) কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শাহিনা আক্তার নামের ভুক্তভোগী।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিনা আক্তার গেলো বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর  সি আর মামলা নং-৬৪০/২০২৫ ইং ধারা-ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪(ক)৭ অনুযায়ী রামুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা দায়ের করেন শাহিনা আক্তার। আদালত রামু থানা পুলিশ কে তদন্তের নিদেশ দিলে থানার
সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনকে দায়িত্ব দেয়া হয় তদন্তের।পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা যৌথ সার্ভেয়ার দ্বারা বিরোধীয় জমি পরিমাপ করেন।সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।এরপর ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করলে ১৮ হাজার টাকা প্রদান করে তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে। পরে এসআই তৌহিদুল আরেফিন ভিন্ন এলাকার লোকজনের নাম দিয়ে সাক্ষী দেখিয়ে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে কোন উত্তর না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিবে বলে ভুক্তভোগীকে হুমকি প্রদান করা হয় বলে ও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ৪ জানুয়ারী কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার।

বিষয়টি নিয়ে জানতে বেশ কয়েকবার সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিন কে কল দেয়া হলেও মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বড় বাজারে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা,ফেনসিডিলসহ কয়েক প্রকার মাদক:নেপথ্যে “কিং”!

ঘুষ নিয়ে উল্টো আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন:রামু থানার এসআই তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নারীর

আপডেট সময় : ১২:৫২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে আঠারো হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে উল্টো মিথ্যা প্রতিবেদন প্রদানের অভিযোগ উঠেছে রামু থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনের বিরুদ্ধে।

রবিবার (০৪ জানুয়ারী) কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শাহিনা আক্তার নামের ভুক্তভোগী।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিনা আক্তার গেলো বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর  সি আর মামলা নং-৬৪০/২০২৫ ইং ধারা-ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪(ক)৭ অনুযায়ী রামুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা দায়ের করেন শাহিনা আক্তার। আদালত রামু থানা পুলিশ কে তদন্তের নিদেশ দিলে থানার
সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিনকে দায়িত্ব দেয়া হয় তদন্তের।পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা যৌথ সার্ভেয়ার দ্বারা বিরোধীয় জমি পরিমাপ করেন।সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।এরপর ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করলে ১৮ হাজার টাকা প্রদান করে তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে। পরে এসআই তৌহিদুল আরেফিন ভিন্ন এলাকার লোকজনের নাম দিয়ে সাক্ষী দেখিয়ে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে কোন উত্তর না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিবে বলে ভুক্তভোগীকে হুমকি প্রদান করা হয় বলে ও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ৪ জানুয়ারী কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার।

বিষয়টি নিয়ে জানতে বেশ কয়েকবার সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ তৌহিদুল আরেফিন কে কল দেয়া হলেও মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।