ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে-টেকনাফে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কক্সবাজারে চালু হলো মাদকদ্রব্য অপরাধ দমনে তিন ট্রাইব্যুনাল পড়ে আছে মহেশখালীর ৮ হাজার কোটি টাকার পাইপলাইন নিখোঁজের ৮ বছর পর বালুখালীর জসিমকে  পঞ্চগড় থেকে ফিরে পেল পরিবার বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ : সারাদেশে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা, কমবে তাপদাহ বিশ্ব গণ্ডার দিবস আজ বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায় ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঈদগড় ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী মঈন উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান : গ্রেপ্তার ১০ মহেশখালীতে স্কুলছাত্রকে ডিশের ক্যাবল দিয়ে পিটিয়ে জখম করলো শিক্ষক, থানায় অভিযোগ হঠাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিস্থিতি দেখতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক, যা বললেন

পরীক্ষা ছাড়া ৬৫ চিকিৎসক নিয়োগ শিশু হাসপাতালে

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ অ্যাডহক–ভিত্তিতে ৬৫ জন চিকিৎসককে নিয়োগ দিয়েছে পরীক্ষা ছাড়াই। নিয়োগের জন্য সংবাদপত্রে কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়নি। সাম্প্রতিক এই নিয়োগ নিয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

অভিযোগ উঠেছে, নতুন নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসকেরা বিএনপি–সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস ফোরাম অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সদস্য।

গত ২৯ জুন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মো. মাহবুবুল হক অ্যাডহক–ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য ৬৫ জন চিকিৎসকের একটি তালিকা তৈরি করেন। এর অনুমোদন দেন হাসপাতালটির পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক। তিনি ড্যাবের সাবেক সভাপতি। আর মাহবুবুল হক ড্যাবের সদস্য। দুজনই প্রথম আলোকে বলেছেন, ৬৫ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি।

গত সপ্তাহে শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি সভার ভিডিও পাওয়া গেছে। সেখানে ড্যাবের বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও হাসপাতাল পরিচালনা বোর্ডের সদস্য এম এ কামাল তাঁর বক্তব্য বলেন, নিয়োগ পাওয়া ৬৫ জন চিকিৎসকই ড্যাবের।

এই নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবাদপত্রে কোনো বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়নি। শুধু ১ জুন এ বিষয়ে একটি ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’ হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এতে জাতীয় বেতন স্কেলে নবম গ্রেডের পাঁচ ধরনের কর্মকর্তার (শিশু মেডিসিন, শিশু সার্জারি, শিশু অ্যানেসথেসিয়া, ইএনটি ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল) ৪২টি পদে ৩৫ বছরের কম বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকদের পক্ষ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। বলা হয়, শিশু হাসপাতালে প্রশিক্ষণরত ও অধ্যয়নরত চিকিৎসকেরা চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন, তাঁদের বয়সও শিথিলযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

ঢাকা শহরের অন্যান্য হাসপাতাল, দেশের অন্য জেলার কোনো হাসপাতালে কর্মরত বা প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকেরা এই নিয়োগ সম্পর্কে জানতেন কি না, জানা যায়নি। তবে শিশু হাসপাতালের বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো চিকিৎসকের আবেদন জমা পড়েনি। হাসপাতালের পরিচালক মাহবুবুল হক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ৬৫ জনের থেকে দুই–চারজন বেশি আবেদন করেছিলেন। আবেদনকারী সবাই শিশু হাসপাতালের প্রশিক্ষণরত বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী। বাইরের কেউ আবেদন করেননি।

গত সপ্তাহে শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি সভার ভিডিও পাওয়া গেছে। সেখানে ড্যাবের বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও হাসপাতাল পরিচালনা বোর্ডের সদস্য এম এ কামাল তাঁর বক্তব্য বলেন, নিয়োগ পাওয়া ৬৫ জন চিকিৎসকই ড্যাবের।
পরিচালক আরও জানান, নিয়োগের আগে লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। ৪২টি পদের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৬৫ জনকে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিচালনা বোর্ডের একটি সভায় ৬৫ জনকে নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই নিয়োগের বিরোধিতা করে ১ জুলাই শিশু হাসপাতাল চত্বরে মিছিল ও মানববন্ধন করেছে জামায়াত–সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন এনডিএফ। সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এই নিয়োগে পদ্ধতিগত সমস্যা ছিল, স্বচ্ছতার ঘাটতি ছিল। সারা দেশের চাকরিপ্রত্যাশী চিকিৎসকেরা এ নিয়োগ সম্পর্কে জানতেন না, তাঁরা আবেদনই করেননি। কোনো পরীক্ষাও হয়নি।

শিশু হাসপাতালের পরিচালক ও পরিচালনা বোর্ডের সদস্যসচিব অধ্যাপক মাহবুবুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে যা কিছু হয়েছে, তা পরিচালনা বোর্ডের অনুমোদন নিয়েই হয়েছে।

পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এসব চিকিৎসককে অ্যাডহক–ভিত্তিতে ছয় মাসের জন্য নেওয়া হয়েছে। তাই পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। হাসপাতালের জরুরি প্রয়োজনে তাঁদের নিয়োগ হয়েছে।

শিশু হাসপাতালে নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের পরিচালক একটি উত্তর দিয়েছেন। পরে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে নিয়োগ ঠিক ছিল কি না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২ জুলাই শিশু হাসপাতালের পরিচালককে চিঠি দিয়ে জানতে চায় যে অ্যাডহক পদে নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বানসহ যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না। ৭ জুলাই মন্ত্রণালয়কে দেওয়া চিঠিতে পরিচালক বলেন, পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং হাসপাতালের চাকরি ও নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এরপর ১০ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শিশু হাসপাতালের নিয়োগের বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তিন সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি আজ রোববার শিশু হাসপাতালে যাবে বলে হাসপাতালের পরিচালক প্রথম আলোকে জানিয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিশু হাসপাতালে নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের পরিচালক একটি উত্তর দিয়েছেন। পরে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে নিয়োগ ঠিক ছিল কি না।’

সূত্র: প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

পরীক্ষা ছাড়া ৬৫ চিকিৎসক নিয়োগ শিশু হাসপাতালে

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ অ্যাডহক–ভিত্তিতে ৬৫ জন চিকিৎসককে নিয়োগ দিয়েছে পরীক্ষা ছাড়াই। নিয়োগের জন্য সংবাদপত্রে কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়নি। সাম্প্রতিক এই নিয়োগ নিয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

অভিযোগ উঠেছে, নতুন নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসকেরা বিএনপি–সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস ফোরাম অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সদস্য।

গত ২৯ জুন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মো. মাহবুবুল হক অ্যাডহক–ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য ৬৫ জন চিকিৎসকের একটি তালিকা তৈরি করেন। এর অনুমোদন দেন হাসপাতালটির পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক। তিনি ড্যাবের সাবেক সভাপতি। আর মাহবুবুল হক ড্যাবের সদস্য। দুজনই প্রথম আলোকে বলেছেন, ৬৫ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি।

গত সপ্তাহে শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি সভার ভিডিও পাওয়া গেছে। সেখানে ড্যাবের বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও হাসপাতাল পরিচালনা বোর্ডের সদস্য এম এ কামাল তাঁর বক্তব্য বলেন, নিয়োগ পাওয়া ৬৫ জন চিকিৎসকই ড্যাবের।

এই নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবাদপত্রে কোনো বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়নি। শুধু ১ জুন এ বিষয়ে একটি ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’ হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এতে জাতীয় বেতন স্কেলে নবম গ্রেডের পাঁচ ধরনের কর্মকর্তার (শিশু মেডিসিন, শিশু সার্জারি, শিশু অ্যানেসথেসিয়া, ইএনটি ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল) ৪২টি পদে ৩৫ বছরের কম বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকদের পক্ষ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। বলা হয়, শিশু হাসপাতালে প্রশিক্ষণরত ও অধ্যয়নরত চিকিৎসকেরা চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন, তাঁদের বয়সও শিথিলযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

ঢাকা শহরের অন্যান্য হাসপাতাল, দেশের অন্য জেলার কোনো হাসপাতালে কর্মরত বা প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকেরা এই নিয়োগ সম্পর্কে জানতেন কি না, জানা যায়নি। তবে শিশু হাসপাতালের বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো চিকিৎসকের আবেদন জমা পড়েনি। হাসপাতালের পরিচালক মাহবুবুল হক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ৬৫ জনের থেকে দুই–চারজন বেশি আবেদন করেছিলেন। আবেদনকারী সবাই শিশু হাসপাতালের প্রশিক্ষণরত বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী। বাইরের কেউ আবেদন করেননি।

গত সপ্তাহে শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি সভার ভিডিও পাওয়া গেছে। সেখানে ড্যাবের বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও হাসপাতাল পরিচালনা বোর্ডের সদস্য এম এ কামাল তাঁর বক্তব্য বলেন, নিয়োগ পাওয়া ৬৫ জন চিকিৎসকই ড্যাবের।
পরিচালক আরও জানান, নিয়োগের আগে লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। ৪২টি পদের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৬৫ জনকে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিচালনা বোর্ডের একটি সভায় ৬৫ জনকে নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই নিয়োগের বিরোধিতা করে ১ জুলাই শিশু হাসপাতাল চত্বরে মিছিল ও মানববন্ধন করেছে জামায়াত–সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন এনডিএফ। সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এই নিয়োগে পদ্ধতিগত সমস্যা ছিল, স্বচ্ছতার ঘাটতি ছিল। সারা দেশের চাকরিপ্রত্যাশী চিকিৎসকেরা এ নিয়োগ সম্পর্কে জানতেন না, তাঁরা আবেদনই করেননি। কোনো পরীক্ষাও হয়নি।

শিশু হাসপাতালের পরিচালক ও পরিচালনা বোর্ডের সদস্যসচিব অধ্যাপক মাহবুবুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে যা কিছু হয়েছে, তা পরিচালনা বোর্ডের অনুমোদন নিয়েই হয়েছে।

পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এসব চিকিৎসককে অ্যাডহক–ভিত্তিতে ছয় মাসের জন্য নেওয়া হয়েছে। তাই পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। হাসপাতালের জরুরি প্রয়োজনে তাঁদের নিয়োগ হয়েছে।

শিশু হাসপাতালে নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের পরিচালক একটি উত্তর দিয়েছেন। পরে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে নিয়োগ ঠিক ছিল কি না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২ জুলাই শিশু হাসপাতালের পরিচালককে চিঠি দিয়ে জানতে চায় যে অ্যাডহক পদে নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বানসহ যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না। ৭ জুলাই মন্ত্রণালয়কে দেওয়া চিঠিতে পরিচালক বলেন, পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং হাসপাতালের চাকরি ও নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এরপর ১০ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শিশু হাসপাতালের নিয়োগের বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তিন সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি আজ রোববার শিশু হাসপাতালে যাবে বলে হাসপাতালের পরিচালক প্রথম আলোকে জানিয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিশু হাসপাতালে নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের পরিচালক একটি উত্তর দিয়েছেন। পরে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে নিয়োগ ঠিক ছিল কি না।’

সূত্র: প্রথম আলো