ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম  মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, চালক আটক পশ্চিম লারপাড়া ছাত্র ও যুব ফোরামের সভা, অফিস উদ্বোধন চুক্তির দাম না পেয়ে বিপাকে ১২ হাজার কৃষক:চকরিয়ায় তামাকচাষিদের বিক্ষোভ উখিয়া থানার ‘মালখানা’ যেন টাকার খনি, কারবারিদের হাতেই যায় জব্দকৃত ইয়াবা ! ‘দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে’- জামায়াতের জেলা আমীর আনোয়ারী কক্সবাজারে শিশু ধর্ষণ মামলার মূলহোতা সাজ্জাদ র‍্যাবের জালে সেন্টমার্টিনে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে! রামুতে বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে লেলিয়ে দিয়েছে সরকার : গোলাম পরওয়ার মিনি ট্রাক খাদে পড়ে শ্রমিক নিহত, আহত ৩ জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে শনিবার- লালদীঘিতে জমবে বৈশাখী মেলা সহকারী বন সংরক্ষক শাহীনুর ইসলামের বিবৃতি

২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রায়োন্ডা’ উন্মোচন

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য নতুন অফিসিয়াল বল হিসেবে “ট্রায়োন্ডা” উন্মোচন করা হয়েছে। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য ও প্রতীককে ফুটিয়ে তুলতেই এর নকশা করা হয়েছে। উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান, কাফু, আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, জাভি হার্নান্দেজ ও জিনেদিন জিদানসহ পাঁচজন বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলটিকে গর্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, অ্যাডিডাস আবারও প্রযুক্তি ও নকশার দিক থেকে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

“ট্রায়োন্ডা” নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—‘ট্রাই’ (তিন) ও ‘ওন্ডা’ (ঢেউ)। এর নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের তারকা, কানাডার ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর ঈগলকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। লাল, সবুজ ও নীল রঙে আঁকা ঢেউময় নকশা তিন আয়োজক দেশকে একসাথে ধারণ করছে, সঙ্গে রয়েছে সোনালি ছোঁয়া, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে।

বলটি চার-প্যানেল প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, যা খেলার সময় গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। বিশেষ খোদাইয়ের কারণে ভিজে থাকলেও বলের গ্রিপ অটুট থাকে। এ ছাড়া বলটির ভেতরে যুক্ত হয়েছে ৫০০ হের্জ সেন্সর, যা রিয়েলটাইম তথ্য দেবে। এর ফলে VAR ব্যবহারের সময় অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা ফাউল দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপের বল নিয়ে ইতিহাসে নানা আলোচনার জন্ম হয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথমবার অ্যাডিডাস বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল তৈরি করে, নাম ছিল “টেলস্টার”। সাদা-কালো নকশার সেই বল ফুটবলের প্রতীক হয়ে ওঠে। এরপর “ট্যাঙ্গো”, “ফিভারনোভা”, “টিমগাইস্ট”, “জাবুলানি”, “ব্রাজুকা” থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক “আল রিহলা”—প্রতিটি বলের নকশা সময়ের প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত “জাবুলানি” বিতর্কিত হলেও এটি ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। নতুন ট্রায়োন্ডা তাই শুধু খেলার সরঞ্জাম নয়, বরং ফুটবলের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ সংযোজন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম 

২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রায়োন্ডা’ উন্মোচন

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য নতুন অফিসিয়াল বল হিসেবে “ট্রায়োন্ডা” উন্মোচন করা হয়েছে। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য ও প্রতীককে ফুটিয়ে তুলতেই এর নকশা করা হয়েছে। উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান, কাফু, আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, জাভি হার্নান্দেজ ও জিনেদিন জিদানসহ পাঁচজন বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলটিকে গর্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, অ্যাডিডাস আবারও প্রযুক্তি ও নকশার দিক থেকে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

“ট্রায়োন্ডা” নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—‘ট্রাই’ (তিন) ও ‘ওন্ডা’ (ঢেউ)। এর নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের তারকা, কানাডার ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর ঈগলকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। লাল, সবুজ ও নীল রঙে আঁকা ঢেউময় নকশা তিন আয়োজক দেশকে একসাথে ধারণ করছে, সঙ্গে রয়েছে সোনালি ছোঁয়া, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে।

বলটি চার-প্যানেল প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, যা খেলার সময় গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। বিশেষ খোদাইয়ের কারণে ভিজে থাকলেও বলের গ্রিপ অটুট থাকে। এ ছাড়া বলটির ভেতরে যুক্ত হয়েছে ৫০০ হের্জ সেন্সর, যা রিয়েলটাইম তথ্য দেবে। এর ফলে VAR ব্যবহারের সময় অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা ফাউল দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপের বল নিয়ে ইতিহাসে নানা আলোচনার জন্ম হয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথমবার অ্যাডিডাস বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল তৈরি করে, নাম ছিল “টেলস্টার”। সাদা-কালো নকশার সেই বল ফুটবলের প্রতীক হয়ে ওঠে। এরপর “ট্যাঙ্গো”, “ফিভারনোভা”, “টিমগাইস্ট”, “জাবুলানি”, “ব্রাজুকা” থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক “আল রিহলা”—প্রতিটি বলের নকশা সময়ের প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত “জাবুলানি” বিতর্কিত হলেও এটি ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। নতুন ট্রায়োন্ডা তাই শুধু খেলার সরঞ্জাম নয়, বরং ফুটবলের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ সংযোজন।