ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটি ধসে নিহত ২ শ্রমিক দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা পেকুয়ায় বন্দুক, গুলি-কার্তুজসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের সিকিউরিটি রাব্বানীর বিরুদ্ধে টিকেট কালোবাজারির অভিযোগ পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা পুত্রবধূকে জিম্মি করে আইনজীবী সমিতির সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি তরুণদের নেতৃত্ব ও মানবিকতা গঠনে পেকুয়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ক্যাম্প টেকনাফে ৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার রামপুরায় একটি হত্যা মামলা ও দুটি গুমের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)।

এর আগে আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অভিযুক্তদের ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আনা হয়।

আদালত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের একটি সবুজ রঙের প্রিজন ভ্যানে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আনা হয়।

আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ট্রাইব্যুনাল আজকের শুনানি শেষে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এই কর্মকর্তাদের কোন কারাগারে রাখা হবে তা সরকার ও কারা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ সে তিনটি মামলার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে, এসব মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ২৫ বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন।

এই তিন মামলার ৩২ অভিযুক্তের মধ্যে আছেন পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও র‍্যাবের সাবেক তিন মহাপরিচালক।

দুটি গুম মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

গত ৮ অক্টোবর অভিযোগপত্র গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন এবং পরোয়ানা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন পুলিশ মহাপরিদর্শককে।

একইসঙ্গে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও পরোয়ানার অনুলিপি পাঠানো হয় এবং আজকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

সূত্র: ডেইলি স্টার

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের

আপডেট সময় : ০২:০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার রামপুরায় একটি হত্যা মামলা ও দুটি গুমের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)।

এর আগে আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অভিযুক্তদের ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আনা হয়।

আদালত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের একটি সবুজ রঙের প্রিজন ভ্যানে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আনা হয়।

আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ট্রাইব্যুনাল আজকের শুনানি শেষে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এই কর্মকর্তাদের কোন কারাগারে রাখা হবে তা সরকার ও কারা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ সে তিনটি মামলার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে, এসব মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ২৫ বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন।

এই তিন মামলার ৩২ অভিযুক্তের মধ্যে আছেন পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও র‍্যাবের সাবেক তিন মহাপরিচালক।

দুটি গুম মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

গত ৮ অক্টোবর অভিযোগপত্র গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন এবং পরোয়ানা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন পুলিশ মহাপরিদর্শককে।

একইসঙ্গে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও পরোয়ানার অনুলিপি পাঠানো হয় এবং আজকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

সূত্র: ডেইলি স্টার