ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়া-টেকনাফের উপর থেকে মাদকের অপবাদ ঘুচানোর দাবী এমপি শাহজাহান চৌধুরীর কক্সবাজার প্রেসক্লাবে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়া প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের চুনতির সীরত মাহফিলের সমাপনী দিন: মোনাজাতের অপেক্ষায় লাখো মানুষ চোরাই এসির তারসহ ভাঙ্গারি দোকানদার গ্রেপ্তার জেলার ৭১ ইউনিয়নের মধ্যে ৬২ টিতে ইউপি নির্বাচন হবে : তফসিল সেপ্টেম্বরেই অস্বাস্থ্যকর আইসক্রিম তৈরীর দায়ে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা; ধ্বংস করা হল তৈরি পণ্য প্রতিদিন ১ ঘন্টা পরিচ্ছন্নতার কাজে সময় দেয়ার আহবান প্রধানমন্ত্রীর: কক্সবাজারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন পালংখালীতে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার, আলোচনায় রিজভী পেকুয়ায় চাচা-ভাতিজাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম, অভিযুক্ত আটক কক্সবাজারে চিহ্নিত ৬ ছিনতাইকারী ও ১৭ মাদকসেবীসহ গ্রেফতার ৩০ জন খেলাঘর নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাথে কক্সবাজার জেলা খেলাঘরের মত বিনিময় ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণের আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার মাদক কারবারিকে কোনো ছাড় নয়: আজিজনগরে ওসি কায়ছার হামিদের কঠোর বার্তা তরুণরা চাইলে দেশকে পরিবর্তন করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ৩২

১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু ও তার মাকে খুঁজছে পুলিশ।

শনিবার রাতে শিশুটি ও তার মা ফেইসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া খোরশেদ আলম উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন।

ফেইসবুক লাইভে শিশুটির অভিযোগ, জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে শিশুটির মা রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটিও সেখানে যাতায়াত করত। মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে দাবি তার।

ঘটনাটি কাউকে বললে শিশুটির মা ও ভাইকে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু না বলে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে শিশুটির মা ঘটনাটি জানালে তারা দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিচারের কথা বলে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি বলেন, “সার্কেলের কাছে বিচার দিচি, সার্কেলের টাকা পয়সা খাই বিচারটা করেনি। দুজন ব্যক্তি সাদা কাগজে সই নিয়ে বিচার করবে বলে করেনি। এখন চার মাস আমি বাড়িতে যেতে পারি না।”

এ বিষয়ে জানতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুল আনোয়ারের মোবাইল ফোন ও হোয়াসটঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “যতদূর জানি আনুমানিক তিন মাস আগে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। এরপর থেকে শিশুটি এবং তার মা এলাকায় নেই।”

শনিবার ফেইসবুকে শিশুটি এবং তার মায়ের বক্তব্য আসার পর পর খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়; বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়া-টেকনাফের উপর থেকে মাদকের অপবাদ ঘুচানোর দাবী এমপি শাহজাহান চৌধুরীর

১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০১:৪৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু ও তার মাকে খুঁজছে পুলিশ।

শনিবার রাতে শিশুটি ও তার মা ফেইসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া খোরশেদ আলম উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন।

ফেইসবুক লাইভে শিশুটির অভিযোগ, জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে শিশুটির মা রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটিও সেখানে যাতায়াত করত। মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে দাবি তার।

ঘটনাটি কাউকে বললে শিশুটির মা ও ভাইকে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু না বলে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে শিশুটির মা ঘটনাটি জানালে তারা দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিচারের কথা বলে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি বলেন, “সার্কেলের কাছে বিচার দিচি, সার্কেলের টাকা পয়সা খাই বিচারটা করেনি। দুজন ব্যক্তি সাদা কাগজে সই নিয়ে বিচার করবে বলে করেনি। এখন চার মাস আমি বাড়িতে যেতে পারি না।”

এ বিষয়ে জানতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুল আনোয়ারের মোবাইল ফোন ও হোয়াসটঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “যতদূর জানি আনুমানিক তিন মাস আগে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। এরপর থেকে শিশুটি এবং তার মা এলাকায় নেই।”

শনিবার ফেইসবুকে শিশুটি এবং তার মায়ের বক্তব্য আসার পর পর খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়; বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম