ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো কউকের নতুন চেয়ারম্যান পেকুয়ার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশি তারকা সঞ্জয় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা টেকনাফ পৌর জামায়াতের সভায় জেলা আমীর আনোয়ারী – “সীমান্ত জনপদের অধিবাসীরা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে “ কক্সবাজারে মানব পাচার প্রতিরোধে সমন্বয় সভা: সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান ১৯৭৯ সালে রেজুখালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরল আলোকচিত্র নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়নে মাতারবাড়ী ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে জোর পর্যটন খাতে জিডিপিতে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে চকরিয়ায় সাংবাদিক রাজু ও তার পরিবারকে হেনস্থা : ক্র্যাকের নিন্দা লামায় বিধবা নারীকে ধর্ষণচেষ্টা ও তার শিশু সন্তান অপহরণের চেষ্টা দি কক্সবাজার কোয়েশ্চেন : সমুদ্র, সভ্যতা এবং রাষ্ট্র’র সংকট মদের দাম বাড়ল

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 222

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।

মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় সেটা নিয়ে হয়ত বিতর্ক আছে। কিন্তু তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করে, বলেন তিনি।

মন্ত্রী রবিউল আলম আরও বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে (টাকা তোলে)। সেখানে আবার প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে, এমন মালিকদের বা দলের প্রভাব থাকে। যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের একটা আধিপত্য থাকে। কিন্তু এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ তারা সমঝোতা ভিত্তিতে করছে।

কিন্তু যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসব জায়গা আছে সেখানে বাইরে থেকে কেউ চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেবে বা সুবিধা নেবে সে সুযোগ নেই। কিন্তু মালিকরা যদি সমঝোতার ভিত্তিতে সেটা করে, তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব, যে সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না, যোগ করেন তিনি।

সড়কে যানজটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপরই অনেক জায়গায় বাজার বসে গেছে। সেখানে যানজট হচ্ছে। এগুলোকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে।

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, ছুটি ছোট হয়ে গেলে চাপ নেওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়। গতবার ছুটি বড় ছিল। এতে একটা সুবিধা পাওয়া গেছে। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওই প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করব। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে সেটা ঠিক করা হবে।

আশা করছি আপনাদের নিরাপদে বাড়ি পাঠাতে আমরা সক্ষম হব। তবে ছুটির ব্যাপারটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেক্ষেত্রেও কোনো কিছু করা যায় কি না, আরও ৫-৭-১০ দিন গেলে আমরা বিস্তারিতভাবে বলতে পারব, যোগ করেন তিনি।

সুত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।

মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় সেটা নিয়ে হয়ত বিতর্ক আছে। কিন্তু তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করে, বলেন তিনি।

মন্ত্রী রবিউল আলম আরও বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে (টাকা তোলে)। সেখানে আবার প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে, এমন মালিকদের বা দলের প্রভাব থাকে। যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের একটা আধিপত্য থাকে। কিন্তু এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ তারা সমঝোতা ভিত্তিতে করছে।

কিন্তু যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসব জায়গা আছে সেখানে বাইরে থেকে কেউ চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেবে বা সুবিধা নেবে সে সুযোগ নেই। কিন্তু মালিকরা যদি সমঝোতার ভিত্তিতে সেটা করে, তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব, যে সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না, যোগ করেন তিনি।

সড়কে যানজটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপরই অনেক জায়গায় বাজার বসে গেছে। সেখানে যানজট হচ্ছে। এগুলোকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে।

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, ছুটি ছোট হয়ে গেলে চাপ নেওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়। গতবার ছুটি বড় ছিল। এতে একটা সুবিধা পাওয়া গেছে। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওই প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করব। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে সেটা ঠিক করা হবে।

আশা করছি আপনাদের নিরাপদে বাড়ি পাঠাতে আমরা সক্ষম হব। তবে ছুটির ব্যাপারটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেক্ষেত্রেও কোনো কিছু করা যায় কি না, আরও ৫-৭-১০ দিন গেলে আমরা বিস্তারিতভাবে বলতে পারব, যোগ করেন তিনি।

সুত্র: দৈনিক ইত্তেফাক