ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত : ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৫ সৃজন সংগীত ভুবনের ১৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন লোহাগাড়ায় এবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বাড়িতে চুরি বড়বাজার জামে মসজিদের তামার তার চুরি: প্রধান আসামি রফিক গ্রেফতার নিখোঁজের আড়াই ঘন্টা পর পাওয়া গেলো পর্যটকের মরদেহ : জীবিত উদ্ধার ২ অনলাইন পেইজ খুলে প্রতারণা: প্রবাসীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ কলাতলীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ ‎ উখিয়ার পালংখালীতে অ/স্ত্র উদ্ধার নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে বাবুলের মরদেহ উদ্ধার জামায়াত একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে : আইনমন্ত্রী লামায় পুকুরে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু বাংলা কিউআর লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ আহসান ফুয়াদের পিতা ইউসুফ সওদাগর আর নেই : টিটিএন পরিবারের শোক সমিতি পাড়ায় সানজিদার নিথর দেহ

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস

আজ (২১ নভেম্বর ) মহান সশস্ত্র বাহিনী দিবস। ১৯৭১ সলের এই দিনে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সম্মিলিত আক্রমণ সূচিত হয়। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ- বাংলাদেশ।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদার সাথে মনোমুগ্ধকর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় ২১ নভেম্বর তথা সশস্ত্র বাহিনী দিবস।

অনুষ্ঠানে আগত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল অতিথিদেরকে অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়াও, প্রধান অতিথি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশ গঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত : ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৫

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

আজ (২১ নভেম্বর ) মহান সশস্ত্র বাহিনী দিবস। ১৯৭১ সলের এই দিনে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সম্মিলিত আক্রমণ সূচিত হয়। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ- বাংলাদেশ।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদার সাথে মনোমুগ্ধকর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় ২১ নভেম্বর তথা সশস্ত্র বাহিনী দিবস।

অনুষ্ঠানে আগত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল অতিথিদেরকে অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়াও, প্রধান অতিথি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশ গঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।