ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নবনিযুক্ত আইজিপি যাকাত ও ফিতরার মধ্যে পার্থক্য কী? মশার যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে দ্রুত স্বস্তি দিতে কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নতুন কোনো তদন্ত কমিশন হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ মারামারির মামলায় সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দুই বছর কারাদন্ড জনপ্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষায় আরও পরিবর্তন আসছে পিলখানা হত্যাকাণ্ড: বিস্ফোরক মামলার ফের তদন্ত চায় আসামিপক্ষ, রাষ্ট্রপক্ষ চায় দ্রুত বিচার বরকতময় খাবার সেহরি ​টেকনাফে ছাত্রদল নেতা আয়াছুল আলমের ইফতার বিতরণ টেকনাফে এক জালে ১১০০ লাল কোরাল, ৩১ লাখ টাকায় বিক্রি সামনের ইউপি নির্বাচনে সেন্টমার্টিনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী যারা! মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি কক্সবাজারের ৪ পৌরসভায় প্রশাসকের আলোচনায় যারা কে হচ্ছেন কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসক?

মারামারির মামলায় সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দুই বছর কারাদন্ড

কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, ‘মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।’

মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।

মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো।’

নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

মারামারির মামলায় সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দুই বছর কারাদন্ড

আপডেট সময় : ১১:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, ‘মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।’

মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।

মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো।’

নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।