ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত মিয়ানমার-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়াবা পাচারের সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ঈদগাঁওয়ের যুবকের মৃত্যু, আহত ১ কুতুবদিয়ায় জামায়াত আমীর আনোয়ারী – ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে” চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যার রায় : ১ মাসের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর চায় পরিবার আপত্তিকর ভিডিও প্রচারের অভিযোগে কক্সবাজার সিটি কলেজের শিক্ষার্থী বহিষ্কার জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড সংসদে বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে ভুল ইংরেজিতে নারী এমপির বক্তব্য আলোচিত সেই শিশুধর্ষণ মামলার রায় আজ পেকুয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই লবণ শ্রমিকের বসতঘর, ক্ষতি ৫ লাখ টাকার কম্বোডিয়ায় সাইবার প্রতারণার জাল: চার দিনে ফিরলেন ২২১ বাংলাদেশি হ্যাটট্রিক-রেকর্ড- ইতিহাস; আবেগে ভেজা চোখ- স্বপ্নের মত শুরু আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা

‘ডাকাত’ ধরে গণধোলাই, পরে পুলিশে সোপর্দ

  • ইমরান হোসাইন
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • 500

কক্সবাজারের টেকনাফে এক বিধবা নারীর বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতার হাতে এক ‘ডাকাত’ সদস্য গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। পরে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় পরে উত্তর শিলখালী এলাকার মৃত কলিম উল্লাহর বসতবাড়িতে অজ্ঞাতনামা আরও দুই সহযোগীসহ ঢুকে পড়ে একদল দুষ্কৃতকারী। তারা কলিম উল্লাহর স্ত্রী খুরশিদা আক্তারের (৪২) গলায় ছুরি ধরে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় খুরশিদা আক্তার চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে একজনকে ধরে ফেলে। তবে অন্যরা পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তি নুরুল আমিন (৩৫) স্থানীয়ভাবে ‘কালা বদা’ নামে পরিচিত। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা। জনতার হাতে ধরা পড়ার পর তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস দাবি করেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতার জিম্মিদশা থেকে নুরুল আমিনকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়। এসময় তাকে চিকিৎসাও দেয়া হয়।’

দুর্জয় বিশ্বাস নিশ্চিত করেছেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে একটি কাঠের হাতলযুক্ত লোহার ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক অপহরণ মামলা রয়েছে। তিনি বাহারছড়া ও হ্নীলা এলাকার মধ্যবর্তী পাহাড়ে অবস্থান করে দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।’

টেকনাফ মডেল থানার (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তার পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা

‘ডাকাত’ ধরে গণধোলাই, পরে পুলিশে সোপর্দ

আপডেট সময় : ১২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে এক বিধবা নারীর বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতার হাতে এক ‘ডাকাত’ সদস্য গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। পরে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় পরে উত্তর শিলখালী এলাকার মৃত কলিম উল্লাহর বসতবাড়িতে অজ্ঞাতনামা আরও দুই সহযোগীসহ ঢুকে পড়ে একদল দুষ্কৃতকারী। তারা কলিম উল্লাহর স্ত্রী খুরশিদা আক্তারের (৪২) গলায় ছুরি ধরে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় খুরশিদা আক্তার চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে একজনকে ধরে ফেলে। তবে অন্যরা পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তি নুরুল আমিন (৩৫) স্থানীয়ভাবে ‘কালা বদা’ নামে পরিচিত। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা। জনতার হাতে ধরা পড়ার পর তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস দাবি করেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতার জিম্মিদশা থেকে নুরুল আমিনকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়। এসময় তাকে চিকিৎসাও দেয়া হয়।’

দুর্জয় বিশ্বাস নিশ্চিত করেছেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে একটি কাঠের হাতলযুক্ত লোহার ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক অপহরণ মামলা রয়েছে। তিনি বাহারছড়া ও হ্নীলা এলাকার মধ্যবর্তী পাহাড়ে অবস্থান করে দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।’

টেকনাফ মডেল থানার (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তার পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’