ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী  গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত সংসদের চিঠির পর : ইসি মাছউদ এই শোক শেষ হবার নয়: সাংবাদিক আতাহার ইকবালের বিদায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ডাম্পার চালকের মৃত্যু লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ে:ভাইয়ের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা বন্যাদুর্গত কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় তিন মাসের জন্য ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত নৈতিক স্খলনের দায়ে গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াত থেকে বহিষ্কার ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল লামায় ভাড়াবাসা থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের আভাস টেকনাফের ‘জাফর চেয়ারম্যান’ দুনীর্তির দায়ে ৭ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে ফাইনালের পর কাতারে আবারও মুখোমুখি হতে পারে স্পেন-আর্জেন্টিনা ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে আইন পাস বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম রাজা পালংয়ের প্রয়াত জননেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের সহধর্মিণীর মৃত্যু : জানাজা বুধবার

মাছ লুটের প্রতিবেদন করায় সাংবাদিক হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের উদ্বেগ

মাছ লুটের অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকার প্রতিবেদক শাহেদ ফেরদৌস হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন আরফাত চৌধুরী।

আরাফাত চৌধুরী উখিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা।

এর আগে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের সোনারপাড়া পয়েন্ট এলাকায় মাছ লুটের একটি ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ীর দাবি, আরফাত চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট তার মালিকানাধীন ১২২ বস্তা মাছ জোরপূর্বক নিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপে সিন্ডিকেটটি ১০০ বস্তা মাছ ফেরত দিতে বাধ্য হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, মাছ ফেরতের বিনিময়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ‘লেবার খরচ’ বাবদ ২ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এখনো বাকি ২২ বস্তা মাছ ফেরত দেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরও অভিযোগ করেন, মাছ ফেরতের দাবি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আরফাত চৌধুরী ও তার সহযোগীরা তাকে জিম্মি করে নিজেদের পক্ষে বক্তব্য দিতে বাধ্য করেছেন।

এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে কক্সবাজার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনের নেতারা এক বিবৃতিতে বলেন, সত্য ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিককে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী 

মাছ লুটের প্রতিবেদন করায় সাংবাদিক হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:২২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

মাছ লুটের অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকার প্রতিবেদক শাহেদ ফেরদৌস হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন আরফাত চৌধুরী।

আরাফাত চৌধুরী উখিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা।

এর আগে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের সোনারপাড়া পয়েন্ট এলাকায় মাছ লুটের একটি ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ীর দাবি, আরফাত চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট তার মালিকানাধীন ১২২ বস্তা মাছ জোরপূর্বক নিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপে সিন্ডিকেটটি ১০০ বস্তা মাছ ফেরত দিতে বাধ্য হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, মাছ ফেরতের বিনিময়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ‘লেবার খরচ’ বাবদ ২ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এখনো বাকি ২২ বস্তা মাছ ফেরত দেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরও অভিযোগ করেন, মাছ ফেরতের দাবি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আরফাত চৌধুরী ও তার সহযোগীরা তাকে জিম্মি করে নিজেদের পক্ষে বক্তব্য দিতে বাধ্য করেছেন।

এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে কক্সবাজার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনের নেতারা এক বিবৃতিতে বলেন, সত্য ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিককে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতারা।