ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১৭ গ্রেপ্তার ওভারটেকের সময় ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো সিএনজি, প্রাণ গেল দুই যাত্রীর পেকুয়ায় গরুর কা/টা মাথার সূত্র ধরেই মিলল চোরের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩ শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী বিশ্ববাজারে ১০১ ডলারে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম

মাছ লুটের প্রতিবেদন করায় সাংবাদিক হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের উদ্বেগ

মাছ লুটের অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকার প্রতিবেদক শাহেদ ফেরদৌস হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন আরফাত চৌধুরী।

আরাফাত চৌধুরী উখিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা।

এর আগে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের সোনারপাড়া পয়েন্ট এলাকায় মাছ লুটের একটি ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ীর দাবি, আরফাত চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট তার মালিকানাধীন ১২২ বস্তা মাছ জোরপূর্বক নিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপে সিন্ডিকেটটি ১০০ বস্তা মাছ ফেরত দিতে বাধ্য হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, মাছ ফেরতের বিনিময়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ‘লেবার খরচ’ বাবদ ২ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এখনো বাকি ২২ বস্তা মাছ ফেরত দেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরও অভিযোগ করেন, মাছ ফেরতের দাবি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আরফাত চৌধুরী ও তার সহযোগীরা তাকে জিম্মি করে নিজেদের পক্ষে বক্তব্য দিতে বাধ্য করেছেন।

এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে কক্সবাজার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনের নেতারা এক বিবৃতিতে বলেন, সত্য ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিককে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতারা।

ট্যাগ :

কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১৭ গ্রেপ্তার

মাছ লুটের প্রতিবেদন করায় সাংবাদিক হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:২২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

মাছ লুটের অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকার প্রতিবেদক শাহেদ ফেরদৌস হিরুর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন আরফাত চৌধুরী।

আরাফাত চৌধুরী উখিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা।

এর আগে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের সোনারপাড়া পয়েন্ট এলাকায় মাছ লুটের একটি ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ীর দাবি, আরফাত চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট তার মালিকানাধীন ১২২ বস্তা মাছ জোরপূর্বক নিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপে সিন্ডিকেটটি ১০০ বস্তা মাছ ফেরত দিতে বাধ্য হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, মাছ ফেরতের বিনিময়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ‘লেবার খরচ’ বাবদ ২ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এখনো বাকি ২২ বস্তা মাছ ফেরত দেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরও অভিযোগ করেন, মাছ ফেরতের দাবি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আরফাত চৌধুরী ও তার সহযোগীরা তাকে জিম্মি করে নিজেদের পক্ষে বক্তব্য দিতে বাধ্য করেছেন।

এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে কক্সবাজার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনের নেতারা এক বিবৃতিতে বলেন, সত্য ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিককে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতারা।