ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে জাতীয় দলে ফিরলেন চকরিয়ার জিকু শিল্পী রাজীব বড়ুয়া পরলোকে, শেষকৃত্য সম্পন্ন আদালত প্রাঙ্গণে গোলাগুলির ঘটনায় উদ্বেগ জেলা আইনজীবী সমিতির,পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জামিনে বেরিয়ে ফের আটক গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত টেকনাফে টাকা দিয়ে সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ, ইয়াবা পাচারে আটক ভুয়া সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না, নির্মূল করা হবে ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় নছিমন চালক নিহত পেকুয়ায় বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন শহরে নিরাপত্তা ও সেবায় বিশেষ উদ্যোগ কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের দুই জামাত সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় পবিত্র হজ আজ সীমান্ত শহরে ব্রাজিল উন্মাদনা মহাসড়কে কোরবানির পশুর হাট, যানজটে ভোগান্তি

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:২১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।