ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত চকরিয়ার দুই মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ, ‎সন্ধান চায় পরিবার

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি!

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:২১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।