ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার বিশ্বকাপের মালিকানা বিক্রির পরিকল্পনা: মূল্য কত, কেন এ পথে হাঁটছে ফিফা রামুতে ফ্যামেলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শুরু সুন্দরবনে ১০ বছরে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে ১৯টি বিকেএসপিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কারাতে শিক্ষার্থী মহেশখালীর ইয়াসারের মৃত্যু হবিগঞ্জে বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা জারি টুথপেস্ট ছাড়াও যেসব উপকরণে রয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, শরীরের কী ক্ষতি করে আজ জাতীয় লিপস্টিক দিবস মিয়ানমার থেকে ৩ কোটি টাকার মাদক ঢুকছিলো এপারে, বিজিবির হাতে পাচারকারী আটক কক্সবাজারে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সাহিত্য আড্ডা, বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান প্রশাসনের নির্দেশনা মানেন না বিএনপি নেতা, ইজারার নামে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ কুতুবদিয়ায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা আবারো সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের পর উখিয়ায় ক্যাম্পে আশ্রয় নিল ৫ রোহিঙ্গা

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:২১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।