ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের, দু’দেশের যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও সামাজিক সহনশীলতা নির্মাণে সমন্বয় সভা পৌরসভা নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক দ্রুত বিচার আইনের মামলায় কলাতলীর আলোচিত বেলায়েত কারাগারে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, ‘কাউকে ছাড় নয়’- বিজিবি পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন সোমবার পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানদারকে গুলি বস্তাবন্দী খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, নৃশংসতায় চাঞ্চল্য পৌরসভার সমন্বয় কমিটির সভা-মশা নিধন, ড্রেনেজ পরিস্কার,ফুটপাত দখলমুক্তে গুরুত্বারোপ কক্সবাজারে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিং মল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা কক্সবাজারে বিশেষ অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্যসহ ৯ আসামি গ্রেপ্তার রামুতে পুকুরে ডুবে কিশোরের মৃত্যু কালবৈশাখী ঝড়ে গলল ‘সাদা সোনা’, কোটি টাকার ক্ষতিতে দিশেহারা চাষি

বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ‘বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিলেন ৩৫ জন সাঁতারু।

১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেল পাড়ি দেয়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৩৫ জন।

১৭ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। এর উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দীন। প্রতিযোগীরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে সাঁতার শেষ করেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে ষড়্‌জ অ্যাডভেঞ্চারথ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ডাকসুর সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রাসেল। এর আগে তিনি একবার ডাবল ক্রসসহ ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন।

সবশেষ ২০২৩ সালে তিনি ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট সময়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
এছাড়া বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেওয়া প্রথম নারী সাঁতারু এমএসটি সোহাগী আক্তারও এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।

সপ্তমবারের মতো বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নিয়ে সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে একসঙ্গে ডাবল ক্রস সম্পন্ন করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল হলেও আবারও প্রথম হওয়ার চেষ্টা থাকবে।

কিং অব বাংলা চ্যানেল খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, এবার দুইজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে এই সাঁতার পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সাঁতারুর সঙ্গে আলাদা বোট ও উদ্ধারকর্মী রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের, দু’দেশের যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর

বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ‘বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিলেন ৩৫ জন সাঁতারু।

১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেল পাড়ি দেয়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৩৫ জন।

১৭ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। এর উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দীন। প্রতিযোগীরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে সাঁতার শেষ করেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে ষড়্‌জ অ্যাডভেঞ্চারথ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ডাকসুর সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রাসেল। এর আগে তিনি একবার ডাবল ক্রসসহ ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন।

সবশেষ ২০২৩ সালে তিনি ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট সময়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
এছাড়া বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেওয়া প্রথম নারী সাঁতারু এমএসটি সোহাগী আক্তারও এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।

সপ্তমবারের মতো বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নিয়ে সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে একসঙ্গে ডাবল ক্রস সম্পন্ন করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল হলেও আবারও প্রথম হওয়ার চেষ্টা থাকবে।

কিং অব বাংলা চ্যানেল খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, এবার দুইজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে এই সাঁতার পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সাঁতারুর সঙ্গে আলাদা বোট ও উদ্ধারকর্মী রয়েছে।