ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো কউকের নতুন চেয়ারম্যান পেকুয়ার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন

বরকতময় খাবার সেহরি

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 144

পবিত্র রমজান মাস শুধু রোজা রাখার নাম নয়, বরং এটি একটি পরিপূর্ণ ইবাদতের জীবনধারা। এই মাসে প্রতিটি ছোট আমলও বিশেষ মর্যাদা ও সওয়াবের অধিকারী হয়। এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল হলো- সেহরি খাওয়া। অনেক সময় মানুষ এটিকে শুধু রোজার প্রস্তুতি হিসেবে মনে করলেও, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেহরিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এতে বরকতের সুসংবাদ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে হাদিসে আছে, হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও, কেননা সেহরিতে বরকত রয়েছে। -সহিহ বোখারি: ১৯২৩

এই হাদিসে সেহরির গুরুত্ব অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেহরির বরকত বহু দিক থেকে প্রকাশ পায়।

প্রথমত, এটি রোজাদারের জন্য শারীরিক শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে, যা সারা দিন ইবাদত ও কর্মে সহায়তা করে। দ্বিতীয়ত, সেহরি একটি সুন্নত আমল; তাই এটি পালন করলে ইবাদতের সওয়াব অর্জিত হয়। তৃতীয়ত, সেহরির সময়টি দোয়া, ইস্তিগফার ও তাহাজ্জুদের জন্য অত্যন্ত বরকতময়, কারণ এটি শেষ রাতের সময়, যখন আল্লাহতায়ালার বিশেষ রহমত নাজিল হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সেহরি মুসলিমদের রোজাকে আহলে কিতাবদের রোজা থেকে পৃথক করে। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) সেহরি বিলম্বে খেতে উৎসাহ দিয়েছেন, যাতে এই সময়ের বরকত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ থেকে সর্বোচ্চ উপকার লাভ করা যায়।

সুতরাং সেহরি শুধু খাদ্য গ্রহণ নয়; এটি ইবাদত, সুন্নতের অনুসরণ এবং রহমত ও বরকত লাভের এক বিশেষ সুযোগ। যে ব্যক্তি এই আমলকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে, তার রোজা হয় আরও শক্তিশালী, অর্থবহ এবং আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।

সূত্র : বার্তা ২৪

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া

বরকতময় খাবার সেহরি

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস শুধু রোজা রাখার নাম নয়, বরং এটি একটি পরিপূর্ণ ইবাদতের জীবনধারা। এই মাসে প্রতিটি ছোট আমলও বিশেষ মর্যাদা ও সওয়াবের অধিকারী হয়। এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল হলো- সেহরি খাওয়া। অনেক সময় মানুষ এটিকে শুধু রোজার প্রস্তুতি হিসেবে মনে করলেও, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেহরিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এতে বরকতের সুসংবাদ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে হাদিসে আছে, হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও, কেননা সেহরিতে বরকত রয়েছে। -সহিহ বোখারি: ১৯২৩

এই হাদিসে সেহরির গুরুত্ব অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেহরির বরকত বহু দিক থেকে প্রকাশ পায়।

প্রথমত, এটি রোজাদারের জন্য শারীরিক শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে, যা সারা দিন ইবাদত ও কর্মে সহায়তা করে। দ্বিতীয়ত, সেহরি একটি সুন্নত আমল; তাই এটি পালন করলে ইবাদতের সওয়াব অর্জিত হয়। তৃতীয়ত, সেহরির সময়টি দোয়া, ইস্তিগফার ও তাহাজ্জুদের জন্য অত্যন্ত বরকতময়, কারণ এটি শেষ রাতের সময়, যখন আল্লাহতায়ালার বিশেষ রহমত নাজিল হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সেহরি মুসলিমদের রোজাকে আহলে কিতাবদের রোজা থেকে পৃথক করে। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) সেহরি বিলম্বে খেতে উৎসাহ দিয়েছেন, যাতে এই সময়ের বরকত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ থেকে সর্বোচ্চ উপকার লাভ করা যায়।

সুতরাং সেহরি শুধু খাদ্য গ্রহণ নয়; এটি ইবাদত, সুন্নতের অনুসরণ এবং রহমত ও বরকত লাভের এক বিশেষ সুযোগ। যে ব্যক্তি এই আমলকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে, তার রোজা হয় আরও শক্তিশালী, অর্থবহ এবং আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।

সূত্র : বার্তা ২৪