ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আবারও পাল্টালো পুলিশের পোশাক কক্সবাজার পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা ঘোষণা, তৃণমূলে আলোচনায় কারানির্যাতিত ছাত্রদল নেতা রায়হান বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে কক্সবাজারে বিএসপিএ’র আলোচনা সভা বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশের পাশে আছে চীন : রাষ্ট্রদূত মিয়ানমারে সংঘর্ষ : সতর্ক অবস্থানে বিজিবি,ড্রোন দিয়ে নজরদারি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক মাদক মামলার ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোরশেদ গ্রেফতার টেকনাফে বিজিবির অভিযান, বিপুল পরিমাণ আইস ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার সৈকতের বালুচরে ছুটছে ‘মেসি’, স্বপ্নে আর্জেন্টিনার শিরোপা লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল হতে পারে সাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কক্সবাজারসহ সারা দেশে নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭ পালন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ১৯ শিশুর প্রাণ কেড়ে নিয়ে কমছে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ঈদগাঁওতে চার সন্তানের মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড

বরকতময় খাবার সেহরি

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 149

পবিত্র রমজান মাস শুধু রোজা রাখার নাম নয়, বরং এটি একটি পরিপূর্ণ ইবাদতের জীবনধারা। এই মাসে প্রতিটি ছোট আমলও বিশেষ মর্যাদা ও সওয়াবের অধিকারী হয়। এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল হলো- সেহরি খাওয়া। অনেক সময় মানুষ এটিকে শুধু রোজার প্রস্তুতি হিসেবে মনে করলেও, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেহরিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এতে বরকতের সুসংবাদ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে হাদিসে আছে, হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও, কেননা সেহরিতে বরকত রয়েছে। -সহিহ বোখারি: ১৯২৩

এই হাদিসে সেহরির গুরুত্ব অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেহরির বরকত বহু দিক থেকে প্রকাশ পায়।

প্রথমত, এটি রোজাদারের জন্য শারীরিক শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে, যা সারা দিন ইবাদত ও কর্মে সহায়তা করে। দ্বিতীয়ত, সেহরি একটি সুন্নত আমল; তাই এটি পালন করলে ইবাদতের সওয়াব অর্জিত হয়। তৃতীয়ত, সেহরির সময়টি দোয়া, ইস্তিগফার ও তাহাজ্জুদের জন্য অত্যন্ত বরকতময়, কারণ এটি শেষ রাতের সময়, যখন আল্লাহতায়ালার বিশেষ রহমত নাজিল হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সেহরি মুসলিমদের রোজাকে আহলে কিতাবদের রোজা থেকে পৃথক করে। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) সেহরি বিলম্বে খেতে উৎসাহ দিয়েছেন, যাতে এই সময়ের বরকত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ থেকে সর্বোচ্চ উপকার লাভ করা যায়।

সুতরাং সেহরি শুধু খাদ্য গ্রহণ নয়; এটি ইবাদত, সুন্নতের অনুসরণ এবং রহমত ও বরকত লাভের এক বিশেষ সুযোগ। যে ব্যক্তি এই আমলকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে, তার রোজা হয় আরও শক্তিশালী, অর্থবহ এবং আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।

সূত্র : বার্তা ২৪

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

বরকতময় খাবার সেহরি

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস শুধু রোজা রাখার নাম নয়, বরং এটি একটি পরিপূর্ণ ইবাদতের জীবনধারা। এই মাসে প্রতিটি ছোট আমলও বিশেষ মর্যাদা ও সওয়াবের অধিকারী হয়। এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল হলো- সেহরি খাওয়া। অনেক সময় মানুষ এটিকে শুধু রোজার প্রস্তুতি হিসেবে মনে করলেও, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেহরিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এতে বরকতের সুসংবাদ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে হাদিসে আছে, হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও, কেননা সেহরিতে বরকত রয়েছে। -সহিহ বোখারি: ১৯২৩

এই হাদিসে সেহরির গুরুত্ব অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেহরির বরকত বহু দিক থেকে প্রকাশ পায়।

প্রথমত, এটি রোজাদারের জন্য শারীরিক শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে, যা সারা দিন ইবাদত ও কর্মে সহায়তা করে। দ্বিতীয়ত, সেহরি একটি সুন্নত আমল; তাই এটি পালন করলে ইবাদতের সওয়াব অর্জিত হয়। তৃতীয়ত, সেহরির সময়টি দোয়া, ইস্তিগফার ও তাহাজ্জুদের জন্য অত্যন্ত বরকতময়, কারণ এটি শেষ রাতের সময়, যখন আল্লাহতায়ালার বিশেষ রহমত নাজিল হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সেহরি মুসলিমদের রোজাকে আহলে কিতাবদের রোজা থেকে পৃথক করে। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) সেহরি বিলম্বে খেতে উৎসাহ দিয়েছেন, যাতে এই সময়ের বরকত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ থেকে সর্বোচ্চ উপকার লাভ করা যায়।

সুতরাং সেহরি শুধু খাদ্য গ্রহণ নয়; এটি ইবাদত, সুন্নতের অনুসরণ এবং রহমত ও বরকত লাভের এক বিশেষ সুযোগ। যে ব্যক্তি এই আমলকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে, তার রোজা হয় আরও শক্তিশালী, অর্থবহ এবং আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।

সূত্র : বার্তা ২৪