ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি ১৫ মিনিট খেলার ‘দম’ আছে নেইমারের: আনচেলত্তি আবু তাহের হ’ত্যাকা’ন্ডে পেকুয়া থানায় মামলা ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলাকে আড়াই লাখ ডলার দিলেন নেইমার একাত্তরের ভূমিকার জন্য একবারও ক্ষমা চাইলেন না: জামায়াতকে মির্জা ফখরুল অর্থনীতিকে তিন ধাপে সাজাতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২৯ জুন: ইতিহাসে এই দিনে আলোচিত কী ঘটেছিল? বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন ‘এটা আমাদের জন্য ফাইনাল’—আনচেলত্তি; ‘ব্রাজিলকে ছাড় নয়’—মোরিয়াসু সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাগু’ গ্রেফতার ৪.১ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প: উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা লোহাগাড়ায় ঢাকাগামী পর্যটকবাহী বাস উল্টে আহত-১৫ পেকুয়ায় আবু তাহের হত্যাকান্ড: ৭২ঘন্টায়ও দায়ের হয়নি মামলা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ছাত্রদলের আট কমিটি বিলুপ্ত ২৪ দিন পর অপহৃতকে উদ্ধার করলো র‍্যাব

পাকিস্তানে বৃষ্টি ও বন্যায় একই পরিবারের ১৩ জনসহ ৪৬ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানে প্রায় এক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। গতকাল সোমবার সরকারিভাবে প্রাণহানি ও আহতের এ সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃষ্টিপাতের কারণে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) ও প্রাদেশিক জরুরি বিভাগ বলেছে, ৪৬ জনের মধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ২২ জন, পূর্বাঞ্চলের পাঞ্জাবে ১৩ জন, দক্ষিণাঞ্চলের সিন্ধুতে সাতজন ও দক্ষিণ-পশ্চিমের বেলুচিস্তানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগের উপপরিচালক ইরফান ভার্ক বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে দেশটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

ইরফান ভার্ক আরও বলেন, ২০২২ সালে যেভাবে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল, একই রকম আবহাওয়া আবারও দেখা দেওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ওই সময় পাকিস্তানের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজার ৭৩৭ জন।

ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যাকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে প্রাণ হারানোদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ জন সদস্যও আছেন। ওই পরিবারের ১৭ জন সদস্য ভ্রমণে গিয়েছিলেন। গত শুক্রবার তাঁরা খাইবার পাখতুনখাওয়ার সোয়াত নদীতে স্রোতে ভেসে যান। তাঁদের মধ্যে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

প্রাদেশিক জরুরি পরিষেবা বিভাগের মুখপাত্র বিলাল ফয়জির বলেন, পরিবারটির ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ একজনকে খুঁজতে ডুবুরিরা গতকাল সোমবারও অভিযান চালিয়েছেন।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জরুরি পরিষেবা বিভাগের প্রতি ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। অনেকে অভিযোগ করেছেন, এ বিভাগ ধীরগতিতে কাজ করেছে।

এর আগে রোববার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য বিপদের আভাস দিয়েছিল। মানুষকে নদী ও ঝরনা পার না হওয়ার পরামর্শ দেয় তারা।

সূত্র : প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

পাকিস্তানে বৃষ্টি ও বন্যায় একই পরিবারের ১৩ জনসহ ৪৬ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০১:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

পাকিস্তানে প্রায় এক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। গতকাল সোমবার সরকারিভাবে প্রাণহানি ও আহতের এ সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃষ্টিপাতের কারণে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) ও প্রাদেশিক জরুরি বিভাগ বলেছে, ৪৬ জনের মধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ২২ জন, পূর্বাঞ্চলের পাঞ্জাবে ১৩ জন, দক্ষিণাঞ্চলের সিন্ধুতে সাতজন ও দক্ষিণ-পশ্চিমের বেলুচিস্তানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগের উপপরিচালক ইরফান ভার্ক বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে দেশটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

ইরফান ভার্ক আরও বলেন, ২০২২ সালে যেভাবে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল, একই রকম আবহাওয়া আবারও দেখা দেওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ওই সময় পাকিস্তানের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজার ৭৩৭ জন।

ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যাকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে প্রাণ হারানোদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ জন সদস্যও আছেন। ওই পরিবারের ১৭ জন সদস্য ভ্রমণে গিয়েছিলেন। গত শুক্রবার তাঁরা খাইবার পাখতুনখাওয়ার সোয়াত নদীতে স্রোতে ভেসে যান। তাঁদের মধ্যে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

প্রাদেশিক জরুরি পরিষেবা বিভাগের মুখপাত্র বিলাল ফয়জির বলেন, পরিবারটির ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ একজনকে খুঁজতে ডুবুরিরা গতকাল সোমবারও অভিযান চালিয়েছেন।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জরুরি পরিষেবা বিভাগের প্রতি ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। অনেকে অভিযোগ করেছেন, এ বিভাগ ধীরগতিতে কাজ করেছে।

এর আগে রোববার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য বিপদের আভাস দিয়েছিল। মানুষকে নদী ও ঝরনা পার না হওয়ার পরামর্শ দেয় তারা।

সূত্র : প্রথম আলো