ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং  ক্যারিয়ারের ৭টি ফাইনালেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন এমি মার্টিনেজ লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা খুটাখালীতে ইয়াবার চালান নিয়ে পালাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় মহাসড়কে পশু হাট, শর্ত লঙ্ঘন করে অনুমোদন দিলেন ইউএনও! যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে কাজ করে যাব ‘ডগ হেনরি’ ধরিয়ে দিলো ১৬ হাজার ইয়াবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, এনসিপি নেতার ১৫ ঘন্টা হাজতবাস সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ শুরু করেছে : তথ্যমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য: মহেশখালীতে এনসিপি নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার রামুতে ৪০ হাজার ইয়াবা নিয়ে বিএনপি নেতার স্ত্রীসহ আটক ২

পল্টনে হিযবুত তাহরীরের মিছিলে পুলিশের টিয়ারশেল, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের মিছিল বের করেছে। ওই মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ‘মার্চ ফর খিলাফা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কয়েকশ’ হিযবুত তাহরীরের সমর্থক পল্টনমুখী মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

মিছিলটি প্রথমে নির্বিঘ্নে কিছুক্ষণ চলে। পরে পল্টন থেকে বিজয়নগরের দিকে যেতে থাকলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়। পুলিশ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, হিযবুত তাহরীরের কর্মীরা পাল্টা ধাওয়া দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে মিছিলকারীরা এক দফা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, তবে তারা পুনরায় একত্রিত হয়ে মিছিল চালানোর চেষ্টা করে।

পুলিশ আবারও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং সংঘর্ষের এক পর্যায়ে হিযবুত তাহরীরের কর্মীদের ইট-পাটকেল ছুঁড়তে দেখা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে।

এছাড়া, কিছু সময়ের জন্য মিছিলটি আরও বিশৃঙ্খলার দিকে চলে গেলে পুলিশকে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

হিযবুত তাহরীর দীর্ঘদিন ধরে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি সরকারবিরোধী কার্যক্রমে প্রকাশ্যভাবে অংশ নিতে শুরু করেছে। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে সংগঠনটি সরকারের বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি শুরু করে। এর মধ্যে মিছিল, গোলটেবিল বৈঠক এবং বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন অন্তর্ভুক্ত ছিল। সংগঠনটি চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচিও পালন করেছে।

আজ হিযবুত তাহরীর তাদের ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচি ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজনের ডাক দেয়। এ জন্য সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগায় এবং লিফলেট বিতরণ করে। তবে যেহেতু হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ সংগঠন, তাই তাদের কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সময় থেকে তাদের কোনও ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, পোস্টার বা লিফলেট বিতরণসহ অন্য কোনও প্রচারণামূলক কার্যক্রমকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং 

পল্টনে হিযবুত তাহরীরের মিছিলে পুলিশের টিয়ারশেল, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের মিছিল বের করেছে। ওই মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ‘মার্চ ফর খিলাফা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কয়েকশ’ হিযবুত তাহরীরের সমর্থক পল্টনমুখী মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

মিছিলটি প্রথমে নির্বিঘ্নে কিছুক্ষণ চলে। পরে পল্টন থেকে বিজয়নগরের দিকে যেতে থাকলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়। পুলিশ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, হিযবুত তাহরীরের কর্মীরা পাল্টা ধাওয়া দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে মিছিলকারীরা এক দফা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, তবে তারা পুনরায় একত্রিত হয়ে মিছিল চালানোর চেষ্টা করে।

পুলিশ আবারও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং সংঘর্ষের এক পর্যায়ে হিযবুত তাহরীরের কর্মীদের ইট-পাটকেল ছুঁড়তে দেখা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে।

এছাড়া, কিছু সময়ের জন্য মিছিলটি আরও বিশৃঙ্খলার দিকে চলে গেলে পুলিশকে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

হিযবুত তাহরীর দীর্ঘদিন ধরে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি সরকারবিরোধী কার্যক্রমে প্রকাশ্যভাবে অংশ নিতে শুরু করেছে। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে সংগঠনটি সরকারের বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি শুরু করে। এর মধ্যে মিছিল, গোলটেবিল বৈঠক এবং বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন অন্তর্ভুক্ত ছিল। সংগঠনটি চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচিও পালন করেছে।

আজ হিযবুত তাহরীর তাদের ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচি ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজনের ডাক দেয়। এ জন্য সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগায় এবং লিফলেট বিতরণ করে। তবে যেহেতু হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ সংগঠন, তাই তাদের কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সময় থেকে তাদের কোনও ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, পোস্টার বা লিফলেট বিতরণসহ অন্য কোনও প্রচারণামূলক কার্যক্রমকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।