ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভেসে গেছে ৩ হাজার ৯১৮ পুকুর-ঘেরের মাছ, ক্ষতি ৪৬ কোটি টাকা কক্সবাজারে পানিবাহিত রোগ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা “বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, তাই মানুষের প্রতি দায় আছে”- কক্সবাজারে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার: টেন্ডার সিন্ডিকেটের কেন্দ্রে ‘রয়েল নাসির’ ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাশেদ-এর ত্রাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব বন্যার্তদের পাশে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল,রামুতে দেড় হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি সোমবারের বদলে হবে বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়ায় বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ৪ জেলের মরদেহ উদ্ধার কক্সবাজার জেলা যুবদলের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম বাঁশের সাঁকোই হলো মৃত্যুফাঁদ, রামুতে প্রাণ গেল যুবকের পুলিশের ‘বিশেষ’ অভিযান: আড়াই মাসে গ্রেপ্তার ৩৩ হাজার, বেশিরভাগই মাদক মামলায় ‘গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে’ ফ্রান্স কি স্পেনকে ভয় পাচ্ছে? ফ্রান্স বনাম স্পেন : ৩৭ হাজার কোটি টাকার সেমিফাইনাল প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: প্রধানমন্ত্রী

পল্টনে হিযবুত তাহরীরের মিছিলে পুলিশের টিয়ারশেল, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের মিছিল বের করেছে। ওই মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ‘মার্চ ফর খিলাফা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কয়েকশ’ হিযবুত তাহরীরের সমর্থক পল্টনমুখী মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

মিছিলটি প্রথমে নির্বিঘ্নে কিছুক্ষণ চলে। পরে পল্টন থেকে বিজয়নগরের দিকে যেতে থাকলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়। পুলিশ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, হিযবুত তাহরীরের কর্মীরা পাল্টা ধাওয়া দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে মিছিলকারীরা এক দফা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, তবে তারা পুনরায় একত্রিত হয়ে মিছিল চালানোর চেষ্টা করে।

পুলিশ আবারও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং সংঘর্ষের এক পর্যায়ে হিযবুত তাহরীরের কর্মীদের ইট-পাটকেল ছুঁড়তে দেখা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে।

এছাড়া, কিছু সময়ের জন্য মিছিলটি আরও বিশৃঙ্খলার দিকে চলে গেলে পুলিশকে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

হিযবুত তাহরীর দীর্ঘদিন ধরে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি সরকারবিরোধী কার্যক্রমে প্রকাশ্যভাবে অংশ নিতে শুরু করেছে। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে সংগঠনটি সরকারের বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি শুরু করে। এর মধ্যে মিছিল, গোলটেবিল বৈঠক এবং বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন অন্তর্ভুক্ত ছিল। সংগঠনটি চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচিও পালন করেছে।

আজ হিযবুত তাহরীর তাদের ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচি ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজনের ডাক দেয়। এ জন্য সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগায় এবং লিফলেট বিতরণ করে। তবে যেহেতু হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ সংগঠন, তাই তাদের কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সময় থেকে তাদের কোনও ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, পোস্টার বা লিফলেট বিতরণসহ অন্য কোনও প্রচারণামূলক কার্যক্রমকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেসে গেছে ৩ হাজার ৯১৮ পুকুর-ঘেরের মাছ, ক্ষতি ৪৬ কোটি টাকা

পল্টনে হিযবুত তাহরীরের মিছিলে পুলিশের টিয়ারশেল, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের মিছিল বের করেছে। ওই মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ‘মার্চ ফর খিলাফা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কয়েকশ’ হিযবুত তাহরীরের সমর্থক পল্টনমুখী মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

মিছিলটি প্রথমে নির্বিঘ্নে কিছুক্ষণ চলে। পরে পল্টন থেকে বিজয়নগরের দিকে যেতে থাকলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়। পুলিশ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, হিযবুত তাহরীরের কর্মীরা পাল্টা ধাওয়া দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে মিছিলকারীরা এক দফা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, তবে তারা পুনরায় একত্রিত হয়ে মিছিল চালানোর চেষ্টা করে।

পুলিশ আবারও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং সংঘর্ষের এক পর্যায়ে হিযবুত তাহরীরের কর্মীদের ইট-পাটকেল ছুঁড়তে দেখা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে।

এছাড়া, কিছু সময়ের জন্য মিছিলটি আরও বিশৃঙ্খলার দিকে চলে গেলে পুলিশকে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

হিযবুত তাহরীর দীর্ঘদিন ধরে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি সরকারবিরোধী কার্যক্রমে প্রকাশ্যভাবে অংশ নিতে শুরু করেছে। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে সংগঠনটি সরকারের বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি শুরু করে। এর মধ্যে মিছিল, গোলটেবিল বৈঠক এবং বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন অন্তর্ভুক্ত ছিল। সংগঠনটি চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচিও পালন করেছে।

আজ হিযবুত তাহরীর তাদের ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচি ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজনের ডাক দেয়। এ জন্য সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগায় এবং লিফলেট বিতরণ করে। তবে যেহেতু হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ সংগঠন, তাই তাদের কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সময় থেকে তাদের কোনও ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, পোস্টার বা লিফলেট বিতরণসহ অন্য কোনও প্রচারণামূলক কার্যক্রমকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।