ঢাকা ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আবারও পাল্টালো পুলিশের পোশাক কক্সবাজার পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা ঘোষণা, তৃণমূলে আলোচনায় কারানির্যাতিত ছাত্রদল নেতা রায়হান বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে কক্সবাজারে বিএসপিএ’র আলোচনা সভা বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশের পাশে আছে চীন : রাষ্ট্রদূত মিয়ানমারে সংঘর্ষ : সতর্ক অবস্থানে বিজিবি,ড্রোন দিয়ে নজরদারি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক মাদক মামলার ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোরশেদ গ্রেফতার টেকনাফে বিজিবির অভিযান, বিপুল পরিমাণ আইস ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার সৈকতের বালুচরে ছুটছে ‘মেসি’, স্বপ্নে আর্জেন্টিনার শিরোপা লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল হতে পারে সাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কক্সবাজারসহ সারা দেশে নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭ পালন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ১৯ শিশুর প্রাণ কেড়ে নিয়ে কমছে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ঈদগাঁওতে চার সন্তানের মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড

পদোন্নতি চান বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডাররা, ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে স্থবির পাঠদান

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের (৩২ থেকে ৩৭তম) যোগ্য সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবীতে তৃতীয়দিনের মতো কক্সবাজারের সরকারি কলেজগুলোতে চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, পাঠদান ব্যহত হওয়ার কারণে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষা কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে সারাদেশের ন্যায় ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ শিরোনামে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পাঠদান থেকে বিরত থাকেন কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকগণ।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ইউনিটের ব্যানারে কর্মঘন্টা চলাকালীন কলেজ প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, ৩২তম ও ৩৩তম বিসিএস ব্যাচের চার শতাধিক প্রভাষক চাকরিতে যোগদানের এক যুগ পরেও প্রথম পদোন্নতি পাননি।

এছাড়াও ৩৪তম বিসিএস ১০ বছর, ৩৫তম বিসিএস নয় বছর, ৩৬তম বিসিএস আট বছর ও ৩৭তম বিসিএস থেকে সাত বছর কর্মজীবন পার করলেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না।

প্রভাষক পরিষদের আহবায়ক ও কলেজের বাংলা বিভাগের (৩৩ তম বিসিএস) প্রভাষক আফরোজা সোলতানা বলেন,’সব শর্ত পূরণ করার পরও আমাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পদোন্নতি চাই, আমাদের দাবী যৌক্তিক।অনতিবিলম্বে পদোন্নতির জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা না পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। ‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বেসিক বেতন অতিক্রম করেছি, পদোন্নতির স্কেল আগে থেকেই পাচ্ছি। এই অবস্থায় আমাদের পদোন্নতি দিলে সরকারের আর্থিক কোনো ক্ষতি হবে না। আশা করছি সরকার আমাদের দাবী মেনে নিবে।’

অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন  অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (২৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘অন্য সব ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হলেও শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে স্বাভাবিক নিয়মে পদোন্নতি না হওয়াটা দুঃখজনক। ‘

এদিকে গত রবিবার থেকে কর্মবিরতির কারণে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে, শিক্ষার্থী উপস্থিতির হারও কম।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক (৩৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ সাকিহ উদ্দিন কাদের বলেন, ‘ দাবী বাস্তবায়ন করে আমরা দ্রুত পাঠদানে ফিরে যেতে চাই, শিক্ষার্থীর কোন ক্ষতি হোক তা চাই না।’

অবস্থান কর্মসূচিতে পর্দাথবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামীম আহমেদ, প্রভাষক পরিষদের সদস্য সচিব ফয়েজ উল্লাহ,অর্থ সম্পাদক নুর উদ্দিন খান সোহেল, নির্বাহী সদস্য জনাব মোহাম্মদ রাসেল রানা , তাহসিন হুমায়রা সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গত তিনদিন ধরে কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা একই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

পদোন্নতি চান বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডাররা, ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে স্থবির পাঠদান

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের (৩২ থেকে ৩৭তম) যোগ্য সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবীতে তৃতীয়দিনের মতো কক্সবাজারের সরকারি কলেজগুলোতে চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, পাঠদান ব্যহত হওয়ার কারণে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষা কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে সারাদেশের ন্যায় ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ শিরোনামে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পাঠদান থেকে বিরত থাকেন কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকগণ।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ইউনিটের ব্যানারে কর্মঘন্টা চলাকালীন কলেজ প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, ৩২তম ও ৩৩তম বিসিএস ব্যাচের চার শতাধিক প্রভাষক চাকরিতে যোগদানের এক যুগ পরেও প্রথম পদোন্নতি পাননি।

এছাড়াও ৩৪তম বিসিএস ১০ বছর, ৩৫তম বিসিএস নয় বছর, ৩৬তম বিসিএস আট বছর ও ৩৭তম বিসিএস থেকে সাত বছর কর্মজীবন পার করলেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না।

প্রভাষক পরিষদের আহবায়ক ও কলেজের বাংলা বিভাগের (৩৩ তম বিসিএস) প্রভাষক আফরোজা সোলতানা বলেন,’সব শর্ত পূরণ করার পরও আমাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পদোন্নতি চাই, আমাদের দাবী যৌক্তিক।অনতিবিলম্বে পদোন্নতির জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা না পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। ‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বেসিক বেতন অতিক্রম করেছি, পদোন্নতির স্কেল আগে থেকেই পাচ্ছি। এই অবস্থায় আমাদের পদোন্নতি দিলে সরকারের আর্থিক কোনো ক্ষতি হবে না। আশা করছি সরকার আমাদের দাবী মেনে নিবে।’

অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন  অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (২৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘অন্য সব ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হলেও শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে স্বাভাবিক নিয়মে পদোন্নতি না হওয়াটা দুঃখজনক। ‘

এদিকে গত রবিবার থেকে কর্মবিরতির কারণে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে, শিক্ষার্থী উপস্থিতির হারও কম।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক (৩৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ সাকিহ উদ্দিন কাদের বলেন, ‘ দাবী বাস্তবায়ন করে আমরা দ্রুত পাঠদানে ফিরে যেতে চাই, শিক্ষার্থীর কোন ক্ষতি হোক তা চাই না।’

অবস্থান কর্মসূচিতে পর্দাথবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামীম আহমেদ, প্রভাষক পরিষদের সদস্য সচিব ফয়েজ উল্লাহ,অর্থ সম্পাদক নুর উদ্দিন খান সোহেল, নির্বাহী সদস্য জনাব মোহাম্মদ রাসেল রানা , তাহসিন হুমায়রা সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গত তিনদিন ধরে কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা একই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।