ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের নিরাপত্তা কর্মীরাই বিক্রি করছেন টিকেট পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা পুত্রবধূকে জিম্মি করে আইনজীবী সমিতির সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি তরুণদের নেতৃত্ব ও মানবিকতা গঠনে পেকুয়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ক্যাম্প টেকনাফে ৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার মধ্যরাতের ছুরিকাঘাতে আহত আসিফের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু, নিহত বেড়ে ২ ভিকটিমের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে চকরিয়া থানার ওসিকে আইনি নোটিশ শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী জিয়া গ্রেফতার দীর্ঘ বিরতির পর চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে কক্সবাজারে ফিরছে সিনেমা, ৫-৬ জুন প্রদর্শিত হবে ৬ টি সিনেমা স্বামীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে সড়কে ঝরলো স্ত্রীসহ দু’জনের প্রাণ

দুই টিকিট ইজারাদারসহ ৭শ জনের বিরুদ্ধে ক্রীড়া কর্মকর্তার মামলা

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপের ফাইনাল খেলায় উত্তেজিত দর্শকদের হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় টিকিট এর দুই ইজারদারকে আসামী করে মামলা হয়েছে।

দুই ইজারাদার হলেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্না। তারা দু’জনেই সাবেক ফুটবলার।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ইলিয়াস খান জানান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে ৭শ জনের নাম উল্লেখ করে ওই মামলাটি দায়ের করেন।

শনিবার রাতে মামলাটি করেন বলে জানান ওসি।

মামলার বাদী ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন এজাহারের বরাত দিয়ে টিটিএনকে বলেন, মূলত ইজারাদাররা অতিরিক্ত লাভ, লোভ ও দুরভিসন্ধির কারণে গ্যালারীর ধারণ ক্ষমতার তিন চারগুণ টিকিট বেশি দামে বিক্রি করে। যার কারণে ইজারাদার ও তাদের সহযোগীদের প্রত্যক্ষ মদদে-অব্যবস্থপনায় বীরশ্রেষ্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের মতো রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় বেআইনী জনতাবদ্ধে জনমনে আতংক ও ত্রাস সৃষ্টি করে।

ক্রীড়া কর্মকর্তা এজাহারে উল্লেখ করেন, দুই ইজারাদারসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০-৭০০ জন দুষ্কৃতিকারী দাঙ্গা হাঙ্গামা করে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজে বাধা প্রদান, সরকারী কর্মচারীদের উপর আক্রমন করে গুরুতর জখম, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর সহ ক্ষতিসাধন করে।

আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধন আইন ২০১৯ আইনে এই মামলা করার কথা জানিয়েছেন ওসি ইলিয়াস খান।

মামলার সাক্ষি করা হয়েছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সাত সদস্যকে।

গত শুক্রবার কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন স্টেডিয়ামে রামু ও টেকনাফ উপজেলার মধ্যকার ফাইনাল খেলা ঘিরে অতিরিক্ত দর্শক সমাগম ঘিরে এই হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খেলা স্থগিতের পাশাপাশি সেদিন ইউএনও, পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

দুই টিকিট ইজারাদারসহ ৭শ জনের বিরুদ্ধে ক্রীড়া কর্মকর্তার মামলা

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপের ফাইনাল খেলায় উত্তেজিত দর্শকদের হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় টিকিট এর দুই ইজারদারকে আসামী করে মামলা হয়েছে।

দুই ইজারাদার হলেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্না। তারা দু’জনেই সাবেক ফুটবলার।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ইলিয়াস খান জানান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে ৭শ জনের নাম উল্লেখ করে ওই মামলাটি দায়ের করেন।

শনিবার রাতে মামলাটি করেন বলে জানান ওসি।

মামলার বাদী ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন এজাহারের বরাত দিয়ে টিটিএনকে বলেন, মূলত ইজারাদাররা অতিরিক্ত লাভ, লোভ ও দুরভিসন্ধির কারণে গ্যালারীর ধারণ ক্ষমতার তিন চারগুণ টিকিট বেশি দামে বিক্রি করে। যার কারণে ইজারাদার ও তাদের সহযোগীদের প্রত্যক্ষ মদদে-অব্যবস্থপনায় বীরশ্রেষ্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের মতো রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় বেআইনী জনতাবদ্ধে জনমনে আতংক ও ত্রাস সৃষ্টি করে।

ক্রীড়া কর্মকর্তা এজাহারে উল্লেখ করেন, দুই ইজারাদারসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০-৭০০ জন দুষ্কৃতিকারী দাঙ্গা হাঙ্গামা করে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজে বাধা প্রদান, সরকারী কর্মচারীদের উপর আক্রমন করে গুরুতর জখম, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর সহ ক্ষতিসাধন করে।

আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধন আইন ২০১৯ আইনে এই মামলা করার কথা জানিয়েছেন ওসি ইলিয়াস খান।

মামলার সাক্ষি করা হয়েছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সাত সদস্যকে।

গত শুক্রবার কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন স্টেডিয়ামে রামু ও টেকনাফ উপজেলার মধ্যকার ফাইনাল খেলা ঘিরে অতিরিক্ত দর্শক সমাগম ঘিরে এই হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খেলা স্থগিতের পাশাপাশি সেদিন ইউএনও, পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।