ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চর্চায় বিশ্বাসী’ – হিন্দু ক্যাম্পে ত্রাণ সচিব টেকনাফের বাহারছড়ায় বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে কৃষক রফিককে অপহরণ ধর্মের পরিচয়ে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান” মহানবমীতে মন্ডপে মন্ডপে মানুষের ঢল ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট করার চিন্তা রয়েছে সরকারের: মাতামুহুরীতে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ‎ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে গণডাকাতির ঘটনায় ‎ছাবের ডাকাতের স্ত্রী সন্তান গ্রেফতার : লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান সৈকতে : প্রধান অতিথি ভূমি প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ পেকুয়ায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি অনুমোদন: সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক ছাফওয়ান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী মহানবমী আজ, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান

দুই টিকিট ইজারাদারসহ ৭শ জনের বিরুদ্ধে ক্রীড়া কর্মকর্তার মামলা

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপের ফাইনাল খেলায় উত্তেজিত দর্শকদের হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় টিকিট এর দুই ইজারদারকে আসামী করে মামলা হয়েছে।

দুই ইজারাদার হলেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্না। তারা দু’জনেই সাবেক ফুটবলার।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ইলিয়াস খান জানান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে ৭শ জনের নাম উল্লেখ করে ওই মামলাটি দায়ের করেন।

শনিবার রাতে মামলাটি করেন বলে জানান ওসি।

মামলার বাদী ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন এজাহারের বরাত দিয়ে টিটিএনকে বলেন, মূলত ইজারাদাররা অতিরিক্ত লাভ, লোভ ও দুরভিসন্ধির কারণে গ্যালারীর ধারণ ক্ষমতার তিন চারগুণ টিকিট বেশি দামে বিক্রি করে। যার কারণে ইজারাদার ও তাদের সহযোগীদের প্রত্যক্ষ মদদে-অব্যবস্থপনায় বীরশ্রেষ্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের মতো রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় বেআইনী জনতাবদ্ধে জনমনে আতংক ও ত্রাস সৃষ্টি করে।

ক্রীড়া কর্মকর্তা এজাহারে উল্লেখ করেন, দুই ইজারাদারসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০-৭০০ জন দুষ্কৃতিকারী দাঙ্গা হাঙ্গামা করে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজে বাধা প্রদান, সরকারী কর্মচারীদের উপর আক্রমন করে গুরুতর জখম, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর সহ ক্ষতিসাধন করে।

আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধন আইন ২০১৯ আইনে এই মামলা করার কথা জানিয়েছেন ওসি ইলিয়াস খান।

মামলার সাক্ষি করা হয়েছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সাত সদস্যকে।

গত শুক্রবার কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন স্টেডিয়ামে রামু ও টেকনাফ উপজেলার মধ্যকার ফাইনাল খেলা ঘিরে অতিরিক্ত দর্শক সমাগম ঘিরে এই হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খেলা স্থগিতের পাশাপাশি সেদিন ইউএনও, পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চর্চায় বিশ্বাসী’ – হিন্দু ক্যাম্পে ত্রাণ সচিব

দুই টিকিট ইজারাদারসহ ৭শ জনের বিরুদ্ধে ক্রীড়া কর্মকর্তার মামলা

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপের ফাইনাল খেলায় উত্তেজিত দর্শকদের হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় টিকিট এর দুই ইজারদারকে আসামী করে মামলা হয়েছে।

দুই ইজারাদার হলেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্না। তারা দু’জনেই সাবেক ফুটবলার।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ইলিয়াস খান জানান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে ৭শ জনের নাম উল্লেখ করে ওই মামলাটি দায়ের করেন।

শনিবার রাতে মামলাটি করেন বলে জানান ওসি।

মামলার বাদী ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন এজাহারের বরাত দিয়ে টিটিএনকে বলেন, মূলত ইজারাদাররা অতিরিক্ত লাভ, লোভ ও দুরভিসন্ধির কারণে গ্যালারীর ধারণ ক্ষমতার তিন চারগুণ টিকিট বেশি দামে বিক্রি করে। যার কারণে ইজারাদার ও তাদের সহযোগীদের প্রত্যক্ষ মদদে-অব্যবস্থপনায় বীরশ্রেষ্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের মতো রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় বেআইনী জনতাবদ্ধে জনমনে আতংক ও ত্রাস সৃষ্টি করে।

ক্রীড়া কর্মকর্তা এজাহারে উল্লেখ করেন, দুই ইজারাদারসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০-৭০০ জন দুষ্কৃতিকারী দাঙ্গা হাঙ্গামা করে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজে বাধা প্রদান, সরকারী কর্মচারীদের উপর আক্রমন করে গুরুতর জখম, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর সহ ক্ষতিসাধন করে।

আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধন আইন ২০১৯ আইনে এই মামলা করার কথা জানিয়েছেন ওসি ইলিয়াস খান।

মামলার সাক্ষি করা হয়েছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সাত সদস্যকে।

গত শুক্রবার কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন স্টেডিয়ামে রামু ও টেকনাফ উপজেলার মধ্যকার ফাইনাল খেলা ঘিরে অতিরিক্ত দর্শক সমাগম ঘিরে এই হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খেলা স্থগিতের পাশাপাশি সেদিন ইউএনও, পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।