ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে

টেকনাফ সীমান্তে মর্টারশেল-গুলির শব্দ

মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দে কাঁপছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকার বাড়িঘর। মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি টিনের চালা ভেদ করে ঘরে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। নাফ নদীতে মর্টারশেল পড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। এতে সীমান্তজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর থেকে থেমে থেমে একটানা ৪ ঘণ্টা টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, শনিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টা হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরো সীমান্ত এলাকায় মর্টারশেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির বিকট শব্দে সীমান্তবর্তী বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে। এ ঘটনায় সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের ভেতর থেকে এসব মর্টারশেল নিক্ষেপ ও গুলি চালানো হচ্ছে। এসময় হোয়াইক্যং বাজার সংলগ্ন মোহাম্মদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস ও বালুখালী গ্রামের সরওয়ার আলমের বাড়িতে কয়েকটি গুলি এসে পড়ে। এছাড়া উত্তর পাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে একটি মর্টারশেল পড়লে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যায়।

মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে নুরুল আবছার বলেন, ‘শনিবার ভোর থেকে হোয়াইক্যংয়ের ওপারে মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর গোলাগুলির শব্দ হচ্ছে, সেইসঙ্গে মর্টারশেল ফায়ারের শব্দ ভেসে আসছে। ঠিক এমন মুহূর্তে আমার ঘরের টিনে পর পর দুটি গুলি এসে পড়লে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ভোর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ এপারে ভেসে আসছে। যখন ফায়ার হয় বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে।’

সরওয়ার আলম বলেন, ‘প্রচুর গোলাগুলির শব্দ শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে আমি বাড়ির ভেতরে একটি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই। গুলির বিকট শব্দে আমরা ভয়ে কাঁপছিলাম। গুলি ও ফায়ারের সময় বাড়ি-ঘর কেঁপে উঠছিল। এমন অবস্থায় হঠাৎ একটি গুলি টিনের ছাউনি ছিদ্র করে বাড়ির ভেতরে পড়ে যায় এবং গুলিটি ঘুরতে থাকে। পরে গুলিটি হাতে ধরলে তা গরম অনুভূত হয়।’

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত প্রচুর গোলাগুলির শব্দ মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এপারে ভেসে আসে। কয়েকটি বাড়িতে গুলি পড়েছে বলে শোনা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার

টেকনাফ সীমান্তে মর্টারশেল-গুলির শব্দ

আপডেট সময় : ১২:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দে কাঁপছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকার বাড়িঘর। মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি টিনের চালা ভেদ করে ঘরে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। নাফ নদীতে মর্টারশেল পড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। এতে সীমান্তজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর থেকে থেমে থেমে একটানা ৪ ঘণ্টা টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, শনিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টা হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরো সীমান্ত এলাকায় মর্টারশেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির বিকট শব্দে সীমান্তবর্তী বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে। এ ঘটনায় সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের ভেতর থেকে এসব মর্টারশেল নিক্ষেপ ও গুলি চালানো হচ্ছে। এসময় হোয়াইক্যং বাজার সংলগ্ন মোহাম্মদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস ও বালুখালী গ্রামের সরওয়ার আলমের বাড়িতে কয়েকটি গুলি এসে পড়ে। এছাড়া উত্তর পাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে একটি মর্টারশেল পড়লে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যায়।

মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে নুরুল আবছার বলেন, ‘শনিবার ভোর থেকে হোয়াইক্যংয়ের ওপারে মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর গোলাগুলির শব্দ হচ্ছে, সেইসঙ্গে মর্টারশেল ফায়ারের শব্দ ভেসে আসছে। ঠিক এমন মুহূর্তে আমার ঘরের টিনে পর পর দুটি গুলি এসে পড়লে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ভোর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ এপারে ভেসে আসছে। যখন ফায়ার হয় বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে।’

সরওয়ার আলম বলেন, ‘প্রচুর গোলাগুলির শব্দ শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে আমি বাড়ির ভেতরে একটি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই। গুলির বিকট শব্দে আমরা ভয়ে কাঁপছিলাম। গুলি ও ফায়ারের সময় বাড়ি-ঘর কেঁপে উঠছিল। এমন অবস্থায় হঠাৎ একটি গুলি টিনের ছাউনি ছিদ্র করে বাড়ির ভেতরে পড়ে যায় এবং গুলিটি ঘুরতে থাকে। পরে গুলিটি হাতে ধরলে তা গরম অনুভূত হয়।’

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত প্রচুর গোলাগুলির শব্দ মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এপারে ভেসে আসে। কয়েকটি বাড়িতে গুলি পড়েছে বলে শোনা গেছে।