ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষণস্থায়ী ঝড়ে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির মুখে নাজিরার টেক শুঁটকি পল্লীর ব্যবসায়ীরা ‎৭ মাসেও আটক হয়নি লাইট হাউজের মাসুূদ হত্যার প্রধান আসামী জাহেদ : আরেক আসামী সাকিবের শুনানি বুধবার সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আর নেই উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন হালিমা খাতুন মামলার আসামী করা দুবাইয়ে অবস্থান করা মিল্কীর প্রতিবাদ ৩৫ বছর পর ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারুন গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা শুরু ৪৯০ এআই ক্যামেরা স্থাপন, মহাসড়কে আইন ভাঙলেই ‘অটো ফাইন’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ ১৮৩ মিমি বৃষ্টিপাত টেকনাফে, বৃষ্টিপাত থাকতে পারে আরো ৫দিন : আবহাওয়া অফিস সৎ ও দক্ষ অফিসারদের আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক থেকে পা হারিয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে উখিয়ার মরিচ্যার ফরিদ পরিবারকে খুঁজছে অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়, খেলায় খেলায় শিশুদের শেখাতে হবে : ববি হাজ্জাজ কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার

কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 477

​বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফর করেছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নয়, বরং মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন বেগম খালেদা জিয়া। পথে ফেনীর মহিপালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটলেও তিনি দমে যাননি। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একরাত কাটিয়ে ২৯ অক্টোবর দুপুরে তিনি কক্সবাজারের পথে রওনা হন।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার পথে পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, লোহাগাড়া, চকরিয়া ও রামুসহ প্রতিটি পয়েন্টে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে একনজর দেখতে ভিড় জমান। দীর্ঘ ৫ বছর পর (এর আগে ২০১২ সালে রামু ট্র্যাজেডির সময় এসেছিলেন) প্রিয় নেত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে পৌঁছান।

​রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন:
৩০ অক্টোবর সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী, ময়নারঘোনা ও হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সরাসরি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন এবং শিশুদের আদর করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে ৪৫ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী সেনাবাহিনীর ত্রাণ তহবিলে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া তিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি মেডিকেল ক্যাম্পও উদ্বোধন করেন।
​সফর শেষে ৩১ অক্টোবর তিনি সড়কপথেই পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন। এরপর নানা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আর সমুদ্র সৈকতের এই জনপদে ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেই সফরের স্মৃতিগুলো নতুন করে দাগ কাটছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষণস্থায়ী ঝড়ে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির মুখে নাজিরার টেক শুঁটকি পল্লীর ব্যবসায়ীরা

কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে

আপডেট সময় : ০৬:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

​বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফর করেছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নয়, বরং মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন বেগম খালেদা জিয়া। পথে ফেনীর মহিপালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটলেও তিনি দমে যাননি। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একরাত কাটিয়ে ২৯ অক্টোবর দুপুরে তিনি কক্সবাজারের পথে রওনা হন।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার পথে পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, লোহাগাড়া, চকরিয়া ও রামুসহ প্রতিটি পয়েন্টে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে একনজর দেখতে ভিড় জমান। দীর্ঘ ৫ বছর পর (এর আগে ২০১২ সালে রামু ট্র্যাজেডির সময় এসেছিলেন) প্রিয় নেত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে পৌঁছান।

​রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন:
৩০ অক্টোবর সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী, ময়নারঘোনা ও হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সরাসরি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন এবং শিশুদের আদর করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে ৪৫ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী সেনাবাহিনীর ত্রাণ তহবিলে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া তিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি মেডিকেল ক্যাম্পও উদ্বোধন করেন।
​সফর শেষে ৩১ অক্টোবর তিনি সড়কপথেই পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন। এরপর নানা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আর সমুদ্র সৈকতের এই জনপদে ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেই সফরের স্মৃতিগুলো নতুন করে দাগ কাটছে।