ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়নে মাতারবাড়ী ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে জোর পর্যটন খাতে জিডিপিতে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে চকরিয়ায় সাংবাদিক রাজু ও তার পরিবারকে হেনস্থা : ক্র্যাকের নিন্দা লামায় বিধবা নারীকে ধর্ষণচেষ্টা ও তার শিশু সন্তান অপহরণের চেষ্টা দি কক্সবাজার কোয়েশ্চেন : সমুদ্র, সভ্যতা এবং রাষ্ট্র’র সংকট মদের দাম বাড়ল জেনে নিন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার চালু হওয়া একগুচ্ছ নতুন নিয়ম মাছ চাষের আড়ালে অবৈধ বালু উত্তোলন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রোহিঙ্গা শ্রমিকের মৃত্যু জেনে নিন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার চালু হওয়া একগুচ্ছ নতুন নিয়ম কক্সবাজারের তরুণ-যুবসমাজের পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সাবেক ছাত্রনেতা রিপনের দাবি চট্টগ্রামের টিউশনি শেষে ফেরার পথে মেধাবী ছাত্র রিয়াদুল নিখোঁজ মেরিন ড্রাইভে ধরা পড়ল ১০০ কেজি গাঁজা, আটক ২ ৫ লাখ ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই মাদক কারবারি আটক ঈদগাঁওয়ে ৬ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, জব্দ টমটম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছেদ্য সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বালুচরে দীর্ঘ দুই দশক ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে। প্লাস্টিক ও ত্রিপলে মোড়ানো ঝুপড়ি দোকানমুক্ত হয়ে সৈকত ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা প্রাকৃতিক রূপ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কঠোর নির্দেশনার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে একে একে উচ্ছেদ করা হয়েছে চারশোর বেশী অস্থায়ী দোকান।

​সরেজমিনে দেখা যায়, অভিযানের চতুর্থ দিনে রবিবার অনেক ব্যবসায়ী প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নিজ উদ্যোগেই তাদের মালামাল ও স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছে।

গত ৯ মার্চ জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এক সপ্তাহের মধ্যে সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেই নির্দেশনার আলোকেই জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই জোরালো অভিযান পরিচালনা করছে।

​উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা জানান, সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষায় সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানান। তবে এই ব্যবসার ওপর নির্ভর করেই তাদের শত শত পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হতো। দীর্ঘদিনের সাজানো ব্যবসা হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মনজু বিন আফনান জানান, পর্যায়ক্রমে সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হবে। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে চলাচল এবং সৈকতের ভারসাম্য রক্ষায় এই উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ২০ বছর পর এই ঝুপড়ি উচ্ছেদের ফলে সৈকতের নান্দনিকতা বহুগুণ বেড়েছে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়নে মাতারবাড়ী ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে জোর

উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​

আপডেট সময় : ১০:২৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছেদ্য সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বালুচরে দীর্ঘ দুই দশক ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে। প্লাস্টিক ও ত্রিপলে মোড়ানো ঝুপড়ি দোকানমুক্ত হয়ে সৈকত ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা প্রাকৃতিক রূপ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কঠোর নির্দেশনার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে একে একে উচ্ছেদ করা হয়েছে চারশোর বেশী অস্থায়ী দোকান।

​সরেজমিনে দেখা যায়, অভিযানের চতুর্থ দিনে রবিবার অনেক ব্যবসায়ী প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নিজ উদ্যোগেই তাদের মালামাল ও স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছে।

গত ৯ মার্চ জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এক সপ্তাহের মধ্যে সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেই নির্দেশনার আলোকেই জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই জোরালো অভিযান পরিচালনা করছে।

​উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা জানান, সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষায় সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানান। তবে এই ব্যবসার ওপর নির্ভর করেই তাদের শত শত পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হতো। দীর্ঘদিনের সাজানো ব্যবসা হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মনজু বিন আফনান জানান, পর্যায়ক্রমে সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হবে। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে চলাচল এবং সৈকতের ভারসাম্য রক্ষায় এই উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ২০ বছর পর এই ঝুপড়ি উচ্ছেদের ফলে সৈকতের নান্দনিকতা বহুগুণ বেড়েছে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।