ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার প্রাডো জিপে কক্সবাজার থেকে নিয়ে যাচ্ছিলো ৩ লাখ ইয়াবা : কুমিল্লায় আটক ২ মিয়ানমারের বিবৃতির প্রতিবাদে ইউসিআর -“রোহিঙ্গারা বাঙালি নয়, তারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী” শহরের লাইট হাউজ এলাকায় রিসোর্ট দখলের ঘটনায় আল-আমিনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা : আটক ১ লোহাগাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থেকে বেরিয়ে এলো জালনোটের কারবার : জালনোটসহ ‘কারবারি’ শাহ আলম আটক পর্যটন শহর কক্সবাজারের দোকান-শপিংমল রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা রাখার প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের পেকুয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালী ও সমাবেশ জুন-জুলাইয়ের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, পুলিশের অধীনে হবে এসআরবি মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিন পরিচয় গোপন রাখা হবে প্লট দখল নিয়ে প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ছফওয়ানের বিবৃতি, আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারি লোহাগাড়ায় ভোররাতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণ-টাকা ও মালামাল লুট গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন মুহিববুল্লাহ সৌদিয়া হোটেল থেকে হানিফ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার ‘সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন’

উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছেদ্য সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বালুচরে দীর্ঘ দুই দশক ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে। প্লাস্টিক ও ত্রিপলে মোড়ানো ঝুপড়ি দোকানমুক্ত হয়ে সৈকত ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা প্রাকৃতিক রূপ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কঠোর নির্দেশনার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে একে একে উচ্ছেদ করা হয়েছে চারশোর বেশী অস্থায়ী দোকান।

​সরেজমিনে দেখা যায়, অভিযানের চতুর্থ দিনে রবিবার অনেক ব্যবসায়ী প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নিজ উদ্যোগেই তাদের মালামাল ও স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছে।

গত ৯ মার্চ জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এক সপ্তাহের মধ্যে সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেই নির্দেশনার আলোকেই জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই জোরালো অভিযান পরিচালনা করছে।

​উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা জানান, সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষায় সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানান। তবে এই ব্যবসার ওপর নির্ভর করেই তাদের শত শত পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হতো। দীর্ঘদিনের সাজানো ব্যবসা হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মনজু বিন আফনান জানান, পর্যায়ক্রমে সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হবে। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে চলাচল এবং সৈকতের ভারসাম্য রক্ষায় এই উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ২০ বছর পর এই ঝুপড়ি উচ্ছেদের ফলে সৈকতের নান্দনিকতা বহুগুণ বেড়েছে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার

উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​

আপডেট সময় : ১০:২৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছেদ্য সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বালুচরে দীর্ঘ দুই দশক ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে। প্লাস্টিক ও ত্রিপলে মোড়ানো ঝুপড়ি দোকানমুক্ত হয়ে সৈকত ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা প্রাকৃতিক রূপ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কঠোর নির্দেশনার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে একে একে উচ্ছেদ করা হয়েছে চারশোর বেশী অস্থায়ী দোকান।

​সরেজমিনে দেখা যায়, অভিযানের চতুর্থ দিনে রবিবার অনেক ব্যবসায়ী প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নিজ উদ্যোগেই তাদের মালামাল ও স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছে।

গত ৯ মার্চ জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এক সপ্তাহের মধ্যে সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেই নির্দেশনার আলোকেই জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই জোরালো অভিযান পরিচালনা করছে।

​উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা জানান, সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষায় সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানান। তবে এই ব্যবসার ওপর নির্ভর করেই তাদের শত শত পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হতো। দীর্ঘদিনের সাজানো ব্যবসা হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মনজু বিন আফনান জানান, পর্যায়ক্রমে সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হবে। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে চলাচল এবং সৈকতের ভারসাম্য রক্ষায় এই উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ২০ বছর পর এই ঝুপড়ি উচ্ছেদের ফলে সৈকতের নান্দনিকতা বহুগুণ বেড়েছে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।