পর্যটন শহর হিসেবে কক্সবাজারের উন্নয়নের পাশাপাশি যদি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমানও উন্নত না হয়, তবে পর্যটন শহর হিসেবে কক্সবাজার পরিপূর্ণ ভাবে বিকশিত হবে না, এবং আশানুরূপ সুফল পাওয়া যাবে না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।
স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত করতে হলে করণীয়-
**স্থানীয়দের পর্যটন সেক্টরের ডেভেলপমেন্টের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।
**মাদক সমস্যা নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় তরুণ ও যুবকদের বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে হবে। পর্যটন ক্ষেত্রে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার জন্য পর্যটনের নানান দিক ও বিষয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করতে হবে।
**স্থানীয়দের মধ্যে তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তা তৈরি হতে হবে, এরজন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি সহযোগিতা সহজলভ্য করতে হবে।
**প্রধান দুইটি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হোটেল মোটেল ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয় শিক্ষিত যুবকদের চাকরি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা যদি আমাদের ভূমিতে শত শত হোটেল মোটেল করতে দিতে পারি ও লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারি তাহলে আমাদের যুবকদের সেসব ক্ষেত্রে চাকরি নিশ্চিত করাটা আমাদের অগ্রাধিকার।
** স্থায়ী ভাবে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ক্যাম্পাস বা ট্রেনিং ইনস্টিটিউট করতে হবে, এতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় যুবসমাজ পর্যটন ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করবে এবং নিজেকে পর্যটন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ হবে।
পর্যটন শহরের বাসিন্দা হিসেবে এই শহরের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ৩৬৫ দিনই পর্যটকের মতো জীবন-জীবিকা করতে হয়, যা স্বাভাবিকের চেয়ে সবসময় সবক্ষেত্রে ব্যয়বহুল।
কক্সবাজারের যুবসমাজের পক্ষে-
শাহাদাত হোসেন রিপন,
সাবেক সভাপতি, কক্সবাজার জেলা ছাত্রদল।
সাধারণ সম্পাদক, কক্সবাজার জেলা জিয়া স্মৃতি পাঠাগার।
শাহাদাত হোসেন রিপন 




















