ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড এক দিনে দুই দফা ডাকাতি : ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ফের আতংক এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কচ্ছপিয়ার সোহেল সিকদার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নিয়ে কক্সবাজারের পূজামণ্ডপে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আইনের তোয়াক্কা না করে মেরিন ড্রাইভে ঝুঁকিপূর্ণ রিসোর্ট, ১০ প্রাণের বিনিময়েও জাগেনি প্রশাসন সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবার পেলো ক্ষতিপূরণ টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক পেকুয়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৪০ শিক্ষার্থী চাকুরি পেছনে না ঘুরে নিজেই উদ্যোক্তা হয়ে চাকুরি দাতা হোন- জেলা প্রশাসক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী আজ অবশেষে ইশরাকের ঘোষণা, পদত্যাগ করবেন দুপুরে

ঈদের পর ঈদ যায়, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরা হয়না!

গেলো বছর ঈদের আগে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও অন্তর্বতি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতারে এসে বলেছিলেন সামনের ঈদ নিজ দেশে কাটাবে রোহিঙ্গারা।কিন্তু  এই ঈদেও শরণার্থী শিবিরেই কাটছে তাদের।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ইউএনএইচসিআর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন রোহিঙ্গা নিবন্ধিত হয়েছে প্রায় দেড় লাখ। ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও, বাস্তবে বেড়েছে অনুপ্রবেশ।

২০১৭ সালের রোহিঙ্গা ঢলের ৮ বছর পার হয়ে গেলেও কোনো সরকার এ সংকটের সমাধান দিতে পারেনি। তাই নতুন সরকারের কাছে সংকট সমাধানের স্বপ্ন বুনছেন বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা ডা: জোবায়ের।

গেলো দেড় বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আলোচনার বাইরে ছিল নানা সংকটের কারনে। ড.মুহাম্মদ ইউনূসের আশ্বাসে রোহিঙ্গাদের বাড়ি ফেরানোর কথা থাকলেও অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় অনুপ্রবেশ বেড়েছে । নির্বাচিত সরকার যেনো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে গুরুত্ব দেয়, এমনটা দাবি স্থানীয় অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি সভাপতি রবিউল হোসাইনের।

এদিকে শনিবার নিজগ্রাম পেকুয়ায় ঈদ উদযাপনে এসে গনমাধ্যম কে দেয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,রোহিঙ্গা ইস্যুকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯১-৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।সেই অভিজ্ঞতা থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারও কার্যকর উদ্যোগ নেবে এমনটাই আশা করছে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা।

২০১৭ সালের পর একাধিকবার ঢাকা ও নেইপিদোর মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশে ফেরত নেয়নি মিয়ানমার। এর মধ্যে রাখাইনের বেশ কিছু এলাকা আরাকান আর্মির দখলে। ফলে নতুন করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯

ঈদের পর ঈদ যায়, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরা হয়না!

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

গেলো বছর ঈদের আগে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও অন্তর্বতি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতারে এসে বলেছিলেন সামনের ঈদ নিজ দেশে কাটাবে রোহিঙ্গারা।কিন্তু  এই ঈদেও শরণার্থী শিবিরেই কাটছে তাদের।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ইউএনএইচসিআর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন রোহিঙ্গা নিবন্ধিত হয়েছে প্রায় দেড় লাখ। ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও, বাস্তবে বেড়েছে অনুপ্রবেশ।

২০১৭ সালের রোহিঙ্গা ঢলের ৮ বছর পার হয়ে গেলেও কোনো সরকার এ সংকটের সমাধান দিতে পারেনি। তাই নতুন সরকারের কাছে সংকট সমাধানের স্বপ্ন বুনছেন বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা ডা: জোবায়ের।

গেলো দেড় বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আলোচনার বাইরে ছিল নানা সংকটের কারনে। ড.মুহাম্মদ ইউনূসের আশ্বাসে রোহিঙ্গাদের বাড়ি ফেরানোর কথা থাকলেও অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় অনুপ্রবেশ বেড়েছে । নির্বাচিত সরকার যেনো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে গুরুত্ব দেয়, এমনটা দাবি স্থানীয় অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি সভাপতি রবিউল হোসাইনের।

এদিকে শনিবার নিজগ্রাম পেকুয়ায় ঈদ উদযাপনে এসে গনমাধ্যম কে দেয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,রোহিঙ্গা ইস্যুকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯১-৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।সেই অভিজ্ঞতা থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারও কার্যকর উদ্যোগ নেবে এমনটাই আশা করছে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা।

২০১৭ সালের পর একাধিকবার ঢাকা ও নেইপিদোর মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশে ফেরত নেয়নি মিয়ানমার। এর মধ্যে রাখাইনের বেশ কিছু এলাকা আরাকান আর্মির দখলে। ফলে নতুন করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা।