ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চৌফলদন্ডী ইউনিয়নকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মির্জা আব্বাস ২০২৫ সালের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনআইডিসহ সকল পরিচয়পত্রের পরিবর্তে আসছে ‘এক-আইডি’ বন্ধুর সাথে ঘুরতে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণী সানুচিং তঞ্চঙ্গ্যার ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট! দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মাছ ধরার ট্রলারডুবি: ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ কক্সবাজার সরকারি কলেজ অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের কমিটি : সভাপতি মুন্না, সম্পাদক রেজাউল সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার আরিফ-সোহেল কে কারাগারে প্রেরণ উখিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে চকরিয়া

ঈদের পর ঈদ যায়, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরা হয়না!

গেলো বছর ঈদের আগে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও অন্তর্বতি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতারে এসে বলেছিলেন সামনের ঈদ নিজ দেশে কাটাবে রোহিঙ্গারা।কিন্তু  এই ঈদেও শরণার্থী শিবিরেই কাটছে তাদের।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ইউএনএইচসিআর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন রোহিঙ্গা নিবন্ধিত হয়েছে প্রায় দেড় লাখ। ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও, বাস্তবে বেড়েছে অনুপ্রবেশ।

২০১৭ সালের রোহিঙ্গা ঢলের ৮ বছর পার হয়ে গেলেও কোনো সরকার এ সংকটের সমাধান দিতে পারেনি। তাই নতুন সরকারের কাছে সংকট সমাধানের স্বপ্ন বুনছেন বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা ডা: জোবায়ের।

গেলো দেড় বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আলোচনার বাইরে ছিল নানা সংকটের কারনে। ড.মুহাম্মদ ইউনূসের আশ্বাসে রোহিঙ্গাদের বাড়ি ফেরানোর কথা থাকলেও অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় অনুপ্রবেশ বেড়েছে । নির্বাচিত সরকার যেনো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে গুরুত্ব দেয়, এমনটা দাবি স্থানীয় অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি সভাপতি রবিউল হোসাইনের।

এদিকে শনিবার নিজগ্রাম পেকুয়ায় ঈদ উদযাপনে এসে গনমাধ্যম কে দেয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,রোহিঙ্গা ইস্যুকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯১-৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।সেই অভিজ্ঞতা থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারও কার্যকর উদ্যোগ নেবে এমনটাই আশা করছে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা।

২০১৭ সালের পর একাধিকবার ঢাকা ও নেইপিদোর মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশে ফেরত নেয়নি মিয়ানমার। এর মধ্যে রাখাইনের বেশ কিছু এলাকা আরাকান আর্মির দখলে। ফলে নতুন করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চৌফলদন্ডী ইউনিয়নকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি

ঈদের পর ঈদ যায়, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরা হয়না!

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

গেলো বছর ঈদের আগে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও অন্তর্বতি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতারে এসে বলেছিলেন সামনের ঈদ নিজ দেশে কাটাবে রোহিঙ্গারা।কিন্তু  এই ঈদেও শরণার্থী শিবিরেই কাটছে তাদের।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ইউএনএইচসিআর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন রোহিঙ্গা নিবন্ধিত হয়েছে প্রায় দেড় লাখ। ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও, বাস্তবে বেড়েছে অনুপ্রবেশ।

২০১৭ সালের রোহিঙ্গা ঢলের ৮ বছর পার হয়ে গেলেও কোনো সরকার এ সংকটের সমাধান দিতে পারেনি। তাই নতুন সরকারের কাছে সংকট সমাধানের স্বপ্ন বুনছেন বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা ডা: জোবায়ের।

গেলো দেড় বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আলোচনার বাইরে ছিল নানা সংকটের কারনে। ড.মুহাম্মদ ইউনূসের আশ্বাসে রোহিঙ্গাদের বাড়ি ফেরানোর কথা থাকলেও অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় অনুপ্রবেশ বেড়েছে । নির্বাচিত সরকার যেনো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে গুরুত্ব দেয়, এমনটা দাবি স্থানীয় অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি সভাপতি রবিউল হোসাইনের।

এদিকে শনিবার নিজগ্রাম পেকুয়ায় ঈদ উদযাপনে এসে গনমাধ্যম কে দেয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,রোহিঙ্গা ইস্যুকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯১-৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।সেই অভিজ্ঞতা থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারও কার্যকর উদ্যোগ নেবে এমনটাই আশা করছে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা।

২০১৭ সালের পর একাধিকবার ঢাকা ও নেইপিদোর মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশে ফেরত নেয়নি মিয়ানমার। এর মধ্যে রাখাইনের বেশ কিছু এলাকা আরাকান আর্মির দখলে। ফলে নতুন করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা।