ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে জাতীয় দলে ফিরলেন চকরিয়ার জিকু শিল্পী রাজীব বড়ুয়া পরলোকে, শেষকৃত্য সম্পন্ন আদালত প্রাঙ্গণে গোলাগুলির ঘটনায় উদ্বেগ জেলা আইনজীবী সমিতির,পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জামিনে বেরিয়ে ফের আটক গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত টেকনাফে টাকা দিয়ে সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ, ইয়াবা পাচারে আটক ভুয়া সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না, নির্মূল করা হবে ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় নছিমন চালক নিহত পেকুয়ায় বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন শহরে নিরাপত্তা ও সেবায় বিশেষ উদ্যোগ কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের দুই জামাত সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় পবিত্র হজ আজ সীমান্ত শহরে ব্রাজিল উন্মাদনা মহাসড়কে কোরবানির পশুর হাট, যানজটে ভোগান্তি

ইরান যুদ্ধ জয়ের জন্য আমার ব্র্রিটেনের সাহায্যের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর বিষয়ে ব্রিটেন ‘গুরুত্ব দিয়ে চিন্তাভাবনা’ করছে, কিন্তু ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী হতে যুক্তরাষ্ট্রের তাদের সাহায্য প্রয়োজন নেই।

ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে পশ্চিমা এ দুই সামরিক মিত্রের সর্বশেষ দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে, লিখেছে রয়টার্স।

ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রাথমিকভাবে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দেয়নি লন্ডন। এতে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প বারবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সমালোচনা করছেন। বলেছেন, স্টারমার দুই দেশের ঐতিহাসিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ‘ধ্বংস’ করছেন।

শনিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশ সমর্থনের অভাব তিনি ‘মনে রাখবেন’।

ট্রাম্প লিখেছেন, “আমাদের এক সময়ের মহান মিত্র যুক্তরাজ্য, সম্ভবত তাদের সবার মধ্যে মহত্তম, অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে বলে জানিয়েছে। ঠিক আছে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার, এগুলোর আমাদের আর প্রয়োজন নেই- কিন্তু আমরা মনে রাখবো। আমরা ইতোমধ্যে জয়ী হয়ে যাওয়ার পর যেসব লোকজন যুদ্ধে যোগ দেয় তাদের প্রয়োজন নেই আমাদের।”

শনিবার ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা সম্ভাব্য মোতায়েনের জন্য প্রিন্স অব ওয়েলস বিমানবাহী রণতরী প্রস্তুত করছে। এক ব্রিটিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই বিমানবাহী রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে কি না, এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এরপরই সামাজিক মাধ্যমে ওই পোস্টটি করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

ইরানে হামলা শুরু করার প্রথমদিকে মার্কিন বাহিনীগুলোকে কোনো ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়নি ব্রিটেন। স্টারমার তার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেছেন, তাকে নিশ্চিত হতে হবে যে কোনো সামরিক পদক্ষেপ বৈধ ও সুপরিকল্পিত কি না।

পরে তিনি মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করার অনুমতি দেন। স্টারমার জানান, সমরাস্ত্র গুদাম বা লঞ্চারে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক আঘাত হানতে ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর এর আগে স্টারমার ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার ইচ্ছার সমালোচনা করেছিলেন। তারপর আফগানিস্তানের যুদ্ধে ইউরোপীয় সেনারা সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে গেছে, ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে ‘স্পষ্টতই সাংঘাতিক’ অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

ইরান যুদ্ধ জয়ের জন্য আমার ব্র্রিটেনের সাহায্যের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১২:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর বিষয়ে ব্রিটেন ‘গুরুত্ব দিয়ে চিন্তাভাবনা’ করছে, কিন্তু ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী হতে যুক্তরাষ্ট্রের তাদের সাহায্য প্রয়োজন নেই।

ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে পশ্চিমা এ দুই সামরিক মিত্রের সর্বশেষ দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে, লিখেছে রয়টার্স।

ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রাথমিকভাবে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দেয়নি লন্ডন। এতে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প বারবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সমালোচনা করছেন। বলেছেন, স্টারমার দুই দেশের ঐতিহাসিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ‘ধ্বংস’ করছেন।

শনিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশ সমর্থনের অভাব তিনি ‘মনে রাখবেন’।

ট্রাম্প লিখেছেন, “আমাদের এক সময়ের মহান মিত্র যুক্তরাজ্য, সম্ভবত তাদের সবার মধ্যে মহত্তম, অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে বলে জানিয়েছে। ঠিক আছে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার, এগুলোর আমাদের আর প্রয়োজন নেই- কিন্তু আমরা মনে রাখবো। আমরা ইতোমধ্যে জয়ী হয়ে যাওয়ার পর যেসব লোকজন যুদ্ধে যোগ দেয় তাদের প্রয়োজন নেই আমাদের।”

শনিবার ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা সম্ভাব্য মোতায়েনের জন্য প্রিন্স অব ওয়েলস বিমানবাহী রণতরী প্রস্তুত করছে। এক ব্রিটিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই বিমানবাহী রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে কি না, এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এরপরই সামাজিক মাধ্যমে ওই পোস্টটি করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

ইরানে হামলা শুরু করার প্রথমদিকে মার্কিন বাহিনীগুলোকে কোনো ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়নি ব্রিটেন। স্টারমার তার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেছেন, তাকে নিশ্চিত হতে হবে যে কোনো সামরিক পদক্ষেপ বৈধ ও সুপরিকল্পিত কি না।

পরে তিনি মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করার অনুমতি দেন। স্টারমার জানান, সমরাস্ত্র গুদাম বা লঞ্চারে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক আঘাত হানতে ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর এর আগে স্টারমার ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার ইচ্ছার সমালোচনা করেছিলেন। তারপর আফগানিস্তানের যুদ্ধে ইউরোপীয় সেনারা সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে গেছে, ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে ‘স্পষ্টতই সাংঘাতিক’ অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম