ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঝিনুকমালা খেলাঘর আসরের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রী ২৫ আগস্ট চুনতিতে শুরু হচ্ছে ১৯ দিনের সীরাতুন্নবী মাহফিল, বাজেট ৬ কোটি টাকা লোহাগাড়ায় বল আনতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল ৮ বছরের আরিয়ানের ‘শুধু মুখে বললে প্রত্যাবাসন হয় না, দরকার স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান’ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন চারজন, রাতে শপথ পুলিশের অভিযানে পেকুয়ায় ইয়াবাসহ নারী কারবারি আটক বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ, আজ বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক ​টেকনাফের সাবরাংয়ে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান: ড্রেজার ও ৩টি ড্রাম ট্রাক জব্দ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বান্দরবান জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং লামায় জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী ৪৫ ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা ১০ ভিকটিম উদ্ধার, গ্রেফতার ১
ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

  • আফজারা রিয়া
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 640

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনুকমালা খেলাঘর আসরের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”