ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান: অপহরণ চক্র ও পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে তৎপরতা জোরদার আগুন দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশু রাইয়ানের সংকটেও বিদ্যুৎ গিলছে টমটম-ইজিবাইক স্লোগান, সুবিধা ও বাস্তবতার রাজনীতি নিখোঁজ সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কারচুপির অভিযোগে হামিদুর রহমানের মামলা: কক্সবাজার-২ আসনের নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে তাহসানের চুক্তি নবায়ন ঈদগড়ের ইউপি সদস্য অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি চকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার অভাব ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ঠেলে দিচ্ছে ‘ভাগ্যের জুয়ায়’ টেকনাফের হ্নীলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ১০-১২টি বসতবাড়ি কক্সবাজার শহরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় ১৮ কেজি গাঁজা
ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

  • আফজারা রিয়া
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 622

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”