ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইনানীতে বে-ওয়াচ রিসোর্টের কর্মচারী আব্দুল আজিজের মরদেহ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংক বাংলাবাজার এজেন্ট শাখায় আর্থিক সাক্ষরতা ও নিরাপদ লেনদেন বিষয়ক কর্মশালা উখিয়ার ধামনখালীতে সেই গর্জন গাছ বনবিভাগের হেফাজতে মাতারবাড়ীতে গৃহবধূ কোহিনূর হ’ত্যা: হাশেমকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে মা’ম’লা বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নেবে মিয়ানমার, জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম গর্জনিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করলেন এমপি কাজল শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সাড়ে ছয় লাখ পরিবারে চালানো হবে শুমারি, তথ্য সংগ্রহে ৯০০ জন সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ার সাংবাদিককে হুমকি মহেশখালীতে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী আটক, সিএনজি জব্দ গর্জনিয়া ফইজুল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার নবগঠিত কমিটির সঙ্গে এমপি কাজলের সৌজন্য সাক্ষাৎ উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ নারী আটক ‎৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে রোহিঙ্গা শিশু রহমত আলী উদ্ধার: মূলহোতা জাকারিয়া আটক ‎ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

আজ ‘ধন্যবাদ’ জানানোর দিন

 

এমন একটি শব্দ ভাবুন, যেটিকে প্রায় সব অনুভূতির একক প্রকাশ বলা যেতে পারে। না, ‘ভালোবাসি’ কিংবা ‘দুঃখিত’ নয়। বরং প্রেম, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা, সমর্থন, প্রশংসা এমনকি গ্রহণ, প্রত্যাখ্যান বা দ্বিমতের মতো পরস্পরবিরোধী বক্তব্যেও অবলীলায় ব্যবহার করতে পারেন সেই শব্দ। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, ধন্যবাদ।

এই যে শব্দটি খুঁজে পেয়েছেন বলে আপনাকে যে ধন্যবাদ জানানো হলো, এটা প্রশংসাসূচক ধন্যবাদ। এবার উল্লিখিত অন্যান্য অনুভূতির সঙ্গেও মিলিয়ে দেখুন। দেখবেন কী দারুণ মিলে যায়। তবে সন্দেহ নেই, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ‘ধন্যবাদ’ শব্দটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য। একটিমাত্র শব্দ, সহজ ও সরল। কিন্তু কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের সর্বাধিক শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ লেখক ও দার্শনিক গিলবার্ট কিথ চেস্টারটন ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপন’কে মানুষের চিন্তার সর্বোচ্চ রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমি মনে করি যে ধন্যবাদ তথা কৃতজ্ঞতা হলো চিন্তার সর্বোচ্চ রূপ এবং কৃতজ্ঞতা এমন এক আনন্দ, যা বিস্ময়ে দ্বিগুণ হয়’। অর্থাৎ কৃতজ্ঞতা থেকে সৃষ্ট আনন্দ কেবল মামুলি আনন্দ মাত্র নয়। এ যেন সত্য, সুন্দর ও মহানুভবতার বিস্ময়কর ও সশ্রদ্ধ অভিজ্ঞতা।

ছোট্ট একটি ধন্যবাদ, একটুখানি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাবোধের প্রভাব বিপুল ও সুদূরপ্রসারী। আমাদের শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য, মনোজাগতিক সুখ, কর্মদক্ষতা ও সাফল্যে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। গবেষণা বলছে, কৃতজ্ঞ মানুষ অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে অধিক সুখী। যেকোনো সম্পর্ক সুন্দরভাবে ধরে রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা অনেক বেশি এগিয়ে। কৃতজ্ঞতাবোধ মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমায়। ঘুমের মান বৃদ্ধি করে। দেহে হ্যাপি হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়। একটি ‘ধন্যবাদ’ যেকোনো নেতিবাচক মুহূর্তকে এক লহমায় ইতিবাচক করে তুলতে পারে। ‘ধন্যবাদ’ যেন সেই মাস্টার চাবি, যে চাবিতে খুলে যায় সুন্দরের সহস্র দরজা।

আজ ১১ জানুয়ারি, ধন্যবাদ দিবস (থ্যাংকইউ ডে)। আদ্রিয়েন সু কুপারস্মিথ নামের যুক্তরাষ্ট্রের একজন ‘উদ্‌যাপন গুরু’র উদ্যোগে দিনটির চল হয়। ১৯৯৪ সালে তাঁর ব্লগে ‘ধন্যবাদ দিবস’ পালনের ধারণা তুলে ধরেছিলেন তিনি।

ডেজ অব দ্য ইয়ার অবলম্বনে

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইনানীতে বে-ওয়াচ রিসোর্টের কর্মচারী আব্দুল আজিজের মরদেহ উদ্ধার

আজ ‘ধন্যবাদ’ জানানোর দিন

আপডেট সময় : ০৭:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

 

এমন একটি শব্দ ভাবুন, যেটিকে প্রায় সব অনুভূতির একক প্রকাশ বলা যেতে পারে। না, ‘ভালোবাসি’ কিংবা ‘দুঃখিত’ নয়। বরং প্রেম, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা, সমর্থন, প্রশংসা এমনকি গ্রহণ, প্রত্যাখ্যান বা দ্বিমতের মতো পরস্পরবিরোধী বক্তব্যেও অবলীলায় ব্যবহার করতে পারেন সেই শব্দ। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, ধন্যবাদ।

এই যে শব্দটি খুঁজে পেয়েছেন বলে আপনাকে যে ধন্যবাদ জানানো হলো, এটা প্রশংসাসূচক ধন্যবাদ। এবার উল্লিখিত অন্যান্য অনুভূতির সঙ্গেও মিলিয়ে দেখুন। দেখবেন কী দারুণ মিলে যায়। তবে সন্দেহ নেই, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ‘ধন্যবাদ’ শব্দটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য। একটিমাত্র শব্দ, সহজ ও সরল। কিন্তু কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের সর্বাধিক শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ লেখক ও দার্শনিক গিলবার্ট কিথ চেস্টারটন ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপন’কে মানুষের চিন্তার সর্বোচ্চ রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমি মনে করি যে ধন্যবাদ তথা কৃতজ্ঞতা হলো চিন্তার সর্বোচ্চ রূপ এবং কৃতজ্ঞতা এমন এক আনন্দ, যা বিস্ময়ে দ্বিগুণ হয়’। অর্থাৎ কৃতজ্ঞতা থেকে সৃষ্ট আনন্দ কেবল মামুলি আনন্দ মাত্র নয়। এ যেন সত্য, সুন্দর ও মহানুভবতার বিস্ময়কর ও সশ্রদ্ধ অভিজ্ঞতা।

ছোট্ট একটি ধন্যবাদ, একটুখানি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাবোধের প্রভাব বিপুল ও সুদূরপ্রসারী। আমাদের শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য, মনোজাগতিক সুখ, কর্মদক্ষতা ও সাফল্যে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। গবেষণা বলছে, কৃতজ্ঞ মানুষ অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে অধিক সুখী। যেকোনো সম্পর্ক সুন্দরভাবে ধরে রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা অনেক বেশি এগিয়ে। কৃতজ্ঞতাবোধ মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমায়। ঘুমের মান বৃদ্ধি করে। দেহে হ্যাপি হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়। একটি ‘ধন্যবাদ’ যেকোনো নেতিবাচক মুহূর্তকে এক লহমায় ইতিবাচক করে তুলতে পারে। ‘ধন্যবাদ’ যেন সেই মাস্টার চাবি, যে চাবিতে খুলে যায় সুন্দরের সহস্র দরজা।

আজ ১১ জানুয়ারি, ধন্যবাদ দিবস (থ্যাংকইউ ডে)। আদ্রিয়েন সু কুপারস্মিথ নামের যুক্তরাষ্ট্রের একজন ‘উদ্‌যাপন গুরু’র উদ্যোগে দিনটির চল হয়। ১৯৯৪ সালে তাঁর ব্লগে ‘ধন্যবাদ দিবস’ পালনের ধারণা তুলে ধরেছিলেন তিনি।

ডেজ অব দ্য ইয়ার অবলম্বনে