ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল! বুধবার পরীক্ষা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা মাতারবাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ: ‘আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি পরিবারের কুতুবদিয়ায় নিহত জেলে পরিবারের পাশে ইউএনও: আর্থিক সহায়তা প্রদান কক্সবাজার থেকে অস্ত্র কিনে নিয়ে যাচ্ছিল ঢাকায় : লোহাগাড়ায় পুলিশের হাতে দুটি অস্ত্রসহ আটক ৩ মাথাগোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে লোহাগাড়ার আবদুল বারীর আর্তনাদ, — পাশে দাঁড়ানোর আকুতি এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে কক্সবাজারে পাঁচ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ পাহাড় কর্তনকারী ও বন্যায় স্লুইসগেট বন্ধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বিশ্বে ফার্মের মুরগি উৎপাদনে বাংলাদেশ কততম, শীর্ষে কারা?

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

আপডেট সময় : ০৭:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।