ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কক্সবাজারের মেয়ে তাওয়াক্কুল নূর চৌধুরী স্নেহা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর জুডো বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, সারাদেশে গ্যাসের সংকট নির্ভীক, স্পষ্টবাদী ও সৎ সাংবাদিক ছিলেন আতাহার ইকবাল-লুৎফুর রহমান কাজল এমপি নেপালের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত কক্সবাজারের সন্তান সাংবাদিক ইরফান হোয়াইক্যংয়ের কাটাখালীতে এবার ২ কোটি টাকার ইয়াবা ছিনতাই পালংখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভার প্রতিবাদে বিএনপির মিছিল উখিয়ায় শ্যামল প্রকৃতি আর্ট স্কুলের দিনব্যাপী সংগীত কর্মশালা অনুষ্ঠিত কাঁচা মাছ খেয়ে ৩৬ দিন সাগরে ভাসছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই জেলে: উদ্ধার করলেন মহেশখালীর জেলেরা রোহিঙ্গা মাঝি এনায়েত উল্লাহর অত্যাচারে অতিষ্ঠ রোহিঙ্গারাই টানা আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ উখিয়ায় বাসে অভিযান: ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আটক কুতুবদিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত লোহাগাড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত আলমগীর মারা গেছেন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

আপডেট সময় : ০৭:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।