ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের সমীহ জাগানিয়া অর্জন.. জামিনে মুক্তি পেলেন টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ টোল ইজারার কাগজে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ, অতিরিক্ত টোল আদায়ে বিপাকে তিন ইউনিয়নের ব্যবসায়ীরা সমিতিপাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাফাত গ্রেফতার কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ : যাত্রী আহত বালিয়াড়ীতে সড়ক নির্মান বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাপার স্মারকলিপি চকরিয়ায় মিষ্টিতে “তেলাপোকা”, নানা অসংগতি : ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা অক্টোবরের মধ্যে চালু হবে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত গত ১৭ বছর ধরে সংবাদমাধ্যমের হাত বাঁধা ছিল: তথ্যমন্ত্রী বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার টেকনাফে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ : কখন চালু হবে? সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, ব্যর্থতায় কঠোর ব্যবস্থার হুশিয়ারি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের সমীহ জাগানিয়া অর্জন..

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

আপডেট সময় : ০৭:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।