ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের সংকটের শঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি উখিয়ায় জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র ফের পাহাড়ধস : দরিয়ানগরে নারীর মৃত্যু সোনাদিয়ায় পানির গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু রেললাইনে পানি, ঢাকা-কক্সবাজার রোডে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাতে মিশরের ঐতিহাসিক ম্যাচে প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ভোটগ্রহণ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল ইয়াবা দিয়ে উখিয়ায় সংগীতশিল্পী ও তার স্ত্রীকে ফাঁসানোর অভিযোগ মৃত্যুর বর্ষণ: কক্সবাজার-নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলে নিহত ১১ বৃষ্টি বাধ সাধেনি: শেষ হলো এইচএসসি ও সমমানের তৃতীয় দিনের পরীক্ষা, নকলের দায়ে বহিস্কৃত ২ টানা বৃষ্টিতে লামার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : প্রশাসনের সতর্কতা জারি লোহাগাড়ায় টানা বৃষ্টি :পানিবন্দী অসংখ্য মানুষ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের সংকটের শঙ্কা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

আপডেট সময় : ০৭:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।