ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস, আসছে আরও নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ঈদগাঁওয়ে প্রাইভেটকারে ৭৬ কেজি গাঁজা, একাধিক মামলার আসামিসহ আটক ২ নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মায়ের দুধেই শিশুর সুরক্ষা, আজ থেকে শুরু বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে বই ফেরত, জরিমানা ১৯ লাখ  মিয়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সার জব্দ, আটক ২৩ সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৩৮৪ জন Scars Still Fresh, Yet Flood Victims in Chakaria Strive to Rebuild Their Lives এখনো মুছেনি ক্ষত, তবুও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় চকরিয়ার বন্যা দুর্গতরা রোহিঙ্গা সংকটে নতুন উদ্বেগ: মালয়েশিয়ার নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ বিবৃতি কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’, ঢাকাসহ আশপাশে চলত সরবরাহ লোহাগাড়ায় মন্দির সংলগ্ন পুকুর থেকে তবলা বাদক অরুণ জলদাশের মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে রাখাইন থেকে আসা রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, উদ্ধার ১৮ নতুন দায়িত্বে ৩ মন্ত্রী

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস, আসছে আরও নতুন আন্তঃনগর ট্রেন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি

আপডেট সময় : ০৭:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গত ৪ জুলাই থেকে আজ ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত চার দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

রোহিঙ্গা কোর্ডিনেশন প্লাটফর্ম (আরসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

​টানা বৃষ্টিতে ক্যাম্পগুলোর অভ্যন্তরে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা এবং ৮৩টি প্রবল ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। এই দুর্যোগের কারণে ক্যাম্পের প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮২ জন সম্পূর্ণ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন, যাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবল ঝড় ও পাহাড় ধসে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

​এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ কবলিত ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সংস্থাগুলো উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, শুকনো ও রান্না করা খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

​আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে পাহাড় ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।