ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার, অভিযুক্ত পলাতক টেকনাফে মুক্তিপণ আদায়ের পরও অপহৃত ঈদগাঁওর ২ বাসিন্দা উদ্ধার পেকুয়ার শিলখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ২ মুরগির ওজনে কারসাজি : ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বলে বিক্রি, অন্য দোকানে ওজন ২ কেজি ২০০ গ্রাম বিষপান করে উখিয়া হাসপাতালে দিনমজুর মমতাজ : অ্যাম্বুলেন্স দিল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জসিম উদ্দিন হেলাল কে ভারতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে : দোয়া কামনা পরিবারের ঈদগাঁও উপজেলা সমবায় অফিসারের নিয়োগকৃত পশ্চিম গোমাতলী ভূমিহীন কৃষি সমবায় সমিতির নির্বাচন কমিটি বাতিল বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায় চট্রগ্রামে পুলিশের উপর হামলা: সন্ত্রাসী ‘বিহারী বগা’কে প্রধান করে ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা রান্নাঘর রেস্টুরেন্টসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি শাহীন,সহ-সভাপতি সেলিম, সম্পাদক ফারুক কলেজে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইমতিয়াজের মৃত্যু সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ১৬ ডিসেম্বর আংশিক চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল শিক্ষার মান যাচাইয়ে আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের দিকে যেতে চায় সরকার

মামলার আসামী হলেও বদির ঘনিষ্ঠ দুই সহোদর বহাল তবিয়তে

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভারত পালায়নের মধ্য দিয়ে পতন ঘটে আওয়ামীলীগের। এরপর একে একে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে শীর্ষ নেতা, মন্ত্রীসহ অনেকেই। আবার অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্ধি। কিন্তু এক বছরেও বদলায়নি সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দৃশ্যপট।

যেখানে এখনও দাপটের সাথে আছেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ঘনিষ্ট দুই সহোদর।

এরা হলেন, সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা মো. শামসুল আলম মেম্বার ও তার ভাই সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু।

টেকনাফের স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই দুই সহোদর বিগত ১৫ বছর ধরে সীমান্তের ইয়াবা ও মানবপাচার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার আসামি করে ঘর ছাড়া করেছেন। আওয়ামীলীগের পতনের এক বছরে মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ রেখে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করে যাচ্ছে এই দুই সহোচর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলছেন, বিগত সরকারের সময় এই দুই ভাইকে দেখা গেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলেসহ শীর্ষ নেতাদের সাথে। পিতা আলী আহমদও আওয়ামীলীগ নেতা ছিলেন। কিন্তু সাবেক এমপি বদির সখ্যতা পেয়ে ঘনিষ্টজন হওয়ার গল্প ভিন্ন।

জানা গেছে, মো. শামসুল আলম সাবেক ওসি আবদুর রহমানের ভাতিজির স্বামী। আর সেই ওসি হলেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ভগ্নিপতি। যে সুবাদে বদির ঘনিষ্টজন হিসেবে দাপটের সাথে চলেছেন।

কিন্তু বর্তমানেও একই দাপট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। একাধিক মামলার আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে ঘুরে সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও নির্যাতনের নেপথ্যে জানতে চান ভূক্তভোগীরা।

এদিকে টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মামলার আসামী হলে কেউ ছাড় পাবেনা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার, অভিযুক্ত পলাতক

মামলার আসামী হলেও বদির ঘনিষ্ঠ দুই সহোদর বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় : ১০:৫১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভারত পালায়নের মধ্য দিয়ে পতন ঘটে আওয়ামীলীগের। এরপর একে একে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে শীর্ষ নেতা, মন্ত্রীসহ অনেকেই। আবার অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্ধি। কিন্তু এক বছরেও বদলায়নি সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দৃশ্যপট।

যেখানে এখনও দাপটের সাথে আছেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ঘনিষ্ট দুই সহোদর।

এরা হলেন, সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা মো. শামসুল আলম মেম্বার ও তার ভাই সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু।

টেকনাফের স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই দুই সহোদর বিগত ১৫ বছর ধরে সীমান্তের ইয়াবা ও মানবপাচার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার আসামি করে ঘর ছাড়া করেছেন। আওয়ামীলীগের পতনের এক বছরে মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ রেখে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করে যাচ্ছে এই দুই সহোচর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলছেন, বিগত সরকারের সময় এই দুই ভাইকে দেখা গেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলেসহ শীর্ষ নেতাদের সাথে। পিতা আলী আহমদও আওয়ামীলীগ নেতা ছিলেন। কিন্তু সাবেক এমপি বদির সখ্যতা পেয়ে ঘনিষ্টজন হওয়ার গল্প ভিন্ন।

জানা গেছে, মো. শামসুল আলম সাবেক ওসি আবদুর রহমানের ভাতিজির স্বামী। আর সেই ওসি হলেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ভগ্নিপতি। যে সুবাদে বদির ঘনিষ্টজন হিসেবে দাপটের সাথে চলেছেন।

কিন্তু বর্তমানেও একই দাপট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। একাধিক মামলার আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে ঘুরে সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও নির্যাতনের নেপথ্যে জানতে চান ভূক্তভোগীরা।

এদিকে টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মামলার আসামী হলে কেউ ছাড় পাবেনা।