ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০ দূর্গত এলাকায় সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট উখিয়ার হলদিয়ায় দোকান থেকে মোটরসাইকেল চুরি, সন্ধানদাতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা ঈদগাঁওয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর চকরিয়ার কৈয়ারবিলের সেই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার সেমিফাইনালের পরিসংখ্যানে বিস্ময়! আর্জেন্টিনার ৭ বিভাগেই এক নাম—মেসি রামুর কচ্ছপিয়ায় স্রোতে ভেসে গিয়ে একজনের প্রাণহানি দুর্গতদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সরাকরি সহায়তা থেকে দূর্গত কোনো মানুষ বাদ পড়বেনা- চকরিয়ায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি সোমবার : দোয়া কামনা পেকুয়ায় চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের উদ্যোগে চলছে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ জুড বেলিংহাম: জিদানের পর এমন বিশ্বকাপ কি আর কোনো মিডফিল্ডার খেলেছেন? প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮৩ কোটি টাকা : সংসদে অর্থমন্ত্রী

মাদকাসক্ত ব্যক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব: চিকিৎসা চলবে ‘নোঙরে’

মাদকাসক্তি কেবল একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং তার পরিবার, সমাজ ও আশেপাশের মানুষকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে একজন রোগীর জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে কক্সবাজারে মাদকাসক্ত এক ব্যাক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব-১৫।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে কেবল আইন প্রয়োগের সীমায় নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে (নোঙর) এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ভর্তি করানো হয়। যার আর্থিক দায়ভার গ্রহণ করেছে র‍্যাব-১৫।

সূত্র জানায়- গত ৫ নভেম্বর উখিয়ার পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যাব-১৫ এর আয়োজনে “মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান বলেন— “যারাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়বে, তারাই হবে মাদকযোদ্ধা।” তিনি আরও ঘোষণা দেন- কেউ যদি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে মাদকাসক্ত কাউকে পুনর্বাসন করতে না পারেন, তাহলে র‍্যাব-১৫ তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানের সেই মানবিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও ঘটল। “নোঙর” নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যয়ের এককালীন সহায়তা তুলে দেন তিনি। সহায়তা গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তিনি বলেন, “ র‍্যাব শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, এটি একটি মানবিক সংগঠন। আমরা চাই মাদকাসক্তরা সমাজে ফিরুক, পরিবারে ফিরুক, এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখুক।”

তিনি আরও জানান, র‍্যাব-১৫ মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি, পুনর্বাসন সহায়তা, এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০

মাদকাসক্ত ব্যক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব: চিকিৎসা চলবে ‘নোঙরে’

আপডেট সময় : ০৭:৫১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

মাদকাসক্তি কেবল একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং তার পরিবার, সমাজ ও আশেপাশের মানুষকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে একজন রোগীর জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে কক্সবাজারে মাদকাসক্ত এক ব্যাক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব-১৫।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে কেবল আইন প্রয়োগের সীমায় নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে (নোঙর) এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ভর্তি করানো হয়। যার আর্থিক দায়ভার গ্রহণ করেছে র‍্যাব-১৫।

সূত্র জানায়- গত ৫ নভেম্বর উখিয়ার পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যাব-১৫ এর আয়োজনে “মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান বলেন— “যারাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়বে, তারাই হবে মাদকযোদ্ধা।” তিনি আরও ঘোষণা দেন- কেউ যদি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে মাদকাসক্ত কাউকে পুনর্বাসন করতে না পারেন, তাহলে র‍্যাব-১৫ তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানের সেই মানবিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও ঘটল। “নোঙর” নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যয়ের এককালীন সহায়তা তুলে দেন তিনি। সহায়তা গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তিনি বলেন, “ র‍্যাব শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, এটি একটি মানবিক সংগঠন। আমরা চাই মাদকাসক্তরা সমাজে ফিরুক, পরিবারে ফিরুক, এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখুক।”

তিনি আরও জানান, র‍্যাব-১৫ মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি, পুনর্বাসন সহায়তা, এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।