ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন ৪১ জন পেলেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক “সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগজনক সময় পার করছে দেশবাসী” রামুতে পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩ রোহিঙ্গা সংকট জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুতে পরিণত হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় পানিতে পড়ে নিখোঁজ শিশুকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত কারাগারে উখিয়ায় সতীনের সঙ্গে বিরোধের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করলেন আইনজীবী ইয়াছির আরাফাত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গভীর রাতে সাগরের মাছ পাচার তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ নেইমারের বিশ্বকাপ আক্ষেপ—২০২৬ কি হবে শেষ স্বপ্নপূরণের মঞ্চ? ডিএনএ রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট: আইনমন্ত্রী স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী

মাদকাসক্ত ব্যক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব: চিকিৎসা চলবে ‘নোঙরে’

মাদকাসক্তি কেবল একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং তার পরিবার, সমাজ ও আশেপাশের মানুষকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে একজন রোগীর জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে কক্সবাজারে মাদকাসক্ত এক ব্যাক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব-১৫।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে কেবল আইন প্রয়োগের সীমায় নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে (নোঙর) এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ভর্তি করানো হয়। যার আর্থিক দায়ভার গ্রহণ করেছে র‍্যাব-১৫।

সূত্র জানায়- গত ৫ নভেম্বর উখিয়ার পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যাব-১৫ এর আয়োজনে “মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান বলেন— “যারাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়বে, তারাই হবে মাদকযোদ্ধা।” তিনি আরও ঘোষণা দেন- কেউ যদি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে মাদকাসক্ত কাউকে পুনর্বাসন করতে না পারেন, তাহলে র‍্যাব-১৫ তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানের সেই মানবিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও ঘটল। “নোঙর” নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যয়ের এককালীন সহায়তা তুলে দেন তিনি। সহায়তা গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তিনি বলেন, “ র‍্যাব শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, এটি একটি মানবিক সংগঠন। আমরা চাই মাদকাসক্তরা সমাজে ফিরুক, পরিবারে ফিরুক, এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখুক।”

তিনি আরও জানান, র‍্যাব-১৫ মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি, পুনর্বাসন সহায়তা, এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

মাদকাসক্ত ব্যক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব: চিকিৎসা চলবে ‘নোঙরে’

আপডেট সময় : ০৭:৫১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

মাদকাসক্তি কেবল একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং তার পরিবার, সমাজ ও আশেপাশের মানুষকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে একজন রোগীর জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে কক্সবাজারে মাদকাসক্ত এক ব্যাক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব-১৫।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে কেবল আইন প্রয়োগের সীমায় নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে (নোঙর) এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ভর্তি করানো হয়। যার আর্থিক দায়ভার গ্রহণ করেছে র‍্যাব-১৫।

সূত্র জানায়- গত ৫ নভেম্বর উখিয়ার পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যাব-১৫ এর আয়োজনে “মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান বলেন— “যারাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়বে, তারাই হবে মাদকযোদ্ধা।” তিনি আরও ঘোষণা দেন- কেউ যদি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে মাদকাসক্ত কাউকে পুনর্বাসন করতে না পারেন, তাহলে র‍্যাব-১৫ তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানের সেই মানবিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও ঘটল। “নোঙর” নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যয়ের এককালীন সহায়তা তুলে দেন তিনি। সহায়তা গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তিনি বলেন, “ র‍্যাব শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, এটি একটি মানবিক সংগঠন। আমরা চাই মাদকাসক্তরা সমাজে ফিরুক, পরিবারে ফিরুক, এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখুক।”

তিনি আরও জানান, র‍্যাব-১৫ মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি, পুনর্বাসন সহায়তা, এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।