ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে নতুন ৫টি ইউনিয়ন করার উদ্যোগ: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর সুপারিশে জেলা প্রশাসনের নির্দেশ ইয়াবাসহ তিন নারী আটক নয়ন সাধুকে হত্যার প্রতিবাদে কক্সবাজারে পূজা উদযাপন পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল ঈদগাঁওয়ে ৩ কিলোমিটার ‘জিয়া খাল’ খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন স্টল বসানো নিয়ে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা তেলের দাম বাড়ানোর কারণ জানালেন পরিবহণমন্ত্রী সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা, সতর্ক করল পুলিশ সদর দপ্তর তীব্র গরমে আরাম পেতে যা করতে পারেন জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে ঝুঁকি ১ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম  মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, চালক আটক পশ্চিম লারপাড়া ছাত্র ও যুব ফোরামের সভা, অফিস উদ্বোধন চুক্তির দাম না পেয়ে বিপাকে ১২ হাজার কৃষক:চকরিয়ায় তামাকচাষিদের বিক্ষোভ

ভারতের সঙ্গে বিদ্যুৎ নিয়ে চুক্তিগুলো বাতিল সহজ নয় : রিজওয়ানা হাসান

পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো বাতিল করা অতটা সহজ নয়। যে চুক্তিগুলো করা হয়েছে তা থেকে বের হয়ে আসা অনেক ব্যয়বহুল।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আদানিসহ অন্যান্য গ্রুপের অসম চুক্তি হয়েছে। জ্বালানি ভোগ কমানোর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। বেসরকারি শিল্পগুলোকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে যাওয়ার কথা বলা হবে। জ্বালানিখাতের চুক্তিগুলো রিভিউ করার দরকার আছে।

তিনি বলেন, কৃষি অটোরিকশা ব্যবহার সোলারের মাধ্যমে করা যায় কিনা দেখা দরকার। বাংলাদেশের সঙ্গে যে অসম চুক্তিগুলো হয়েছে এর জন্য আমাদের অস্বাভাবিক ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

জ্বালানিবিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. ম তামিম বলেন, ২৬ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা। ২০৩০ সাল ৩০ হাজারে যাবে ১ হাজার সোলার, বাকিটা জীবাশ্ম জ্বালানি। ১২০০ বিলিয়ন ডলার পেনাল্টি দিতে হবে। নিউক্লিয়ার ৪০ বছর চলবে।

তিনি বলেন, ৭ হাজার মেগাওয়াট বেসলোড। তেলভিত্তিক নয়। গরমের দিনে আমাদের ১৩ হাজার মেগাওয়াট বেসলোড হয়। আমাদের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াট। ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিয়ে যেতে হবে।

ড. ম তামিম বলেন, জেলাভিত্তিক চাহিদা অনুসারে ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমটা চিন্তা করে সাজাতে হবে। ফ্যান ও এস এর কারণে পাঁচ থেকে ছয় হাজার মেগাওয়াট বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। রাজনীতিবিদরা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ব্যাপারে বেশি আগ্রহী নয়।

তিনি আরও বলেন, আগামী ৫ থেকে ৬ বছর পর বিদ্যুৎ খাত কেমন হবে সে বিষয়টি নিয়ে এখনই পরিকল্পনা করতে হবে। বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে বিদ্যুৎ ডিস্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের সঙ্গে বিদ্যুৎ নিয়ে চুক্তিগুলো বাতিল সহজ নয় : রিজওয়ানা হাসান

আপডেট সময় : ০২:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো বাতিল করা অতটা সহজ নয়। যে চুক্তিগুলো করা হয়েছে তা থেকে বের হয়ে আসা অনেক ব্যয়বহুল।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আদানিসহ অন্যান্য গ্রুপের অসম চুক্তি হয়েছে। জ্বালানি ভোগ কমানোর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। বেসরকারি শিল্পগুলোকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে যাওয়ার কথা বলা হবে। জ্বালানিখাতের চুক্তিগুলো রিভিউ করার দরকার আছে।

তিনি বলেন, কৃষি অটোরিকশা ব্যবহার সোলারের মাধ্যমে করা যায় কিনা দেখা দরকার। বাংলাদেশের সঙ্গে যে অসম চুক্তিগুলো হয়েছে এর জন্য আমাদের অস্বাভাবিক ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

জ্বালানিবিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. ম তামিম বলেন, ২৬ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা। ২০৩০ সাল ৩০ হাজারে যাবে ১ হাজার সোলার, বাকিটা জীবাশ্ম জ্বালানি। ১২০০ বিলিয়ন ডলার পেনাল্টি দিতে হবে। নিউক্লিয়ার ৪০ বছর চলবে।

তিনি বলেন, ৭ হাজার মেগাওয়াট বেসলোড। তেলভিত্তিক নয়। গরমের দিনে আমাদের ১৩ হাজার মেগাওয়াট বেসলোড হয়। আমাদের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াট। ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিয়ে যেতে হবে।

ড. ম তামিম বলেন, জেলাভিত্তিক চাহিদা অনুসারে ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমটা চিন্তা করে সাজাতে হবে। ফ্যান ও এস এর কারণে পাঁচ থেকে ছয় হাজার মেগাওয়াট বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। রাজনীতিবিদরা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ব্যাপারে বেশি আগ্রহী নয়।

তিনি আরও বলেন, আগামী ৫ থেকে ৬ বছর পর বিদ্যুৎ খাত কেমন হবে সে বিষয়টি নিয়ে এখনই পরিকল্পনা করতে হবে। বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে বিদ্যুৎ ডিস্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে।