ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে দাতা সদস্য নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক হাফিজ গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র ওয়াসিম নাপিতেরচর স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচিত ‘আমাকে মিস করছেন?’ বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পুরোনো ছকে ফিরছে ব্রাজিল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট নয়, এককভাবে অংশ নেবে এনসিপি এক রেলপথে যুক্ত হচ্ছে সৌদি, কুয়েত ও কাতারসহ ৬ দেশ কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার ধ্বজনগর বাতান বাড়ি এলাকার খেবজু মিয়ার ছেলে মোরছালিন (২২) । তিনি গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। আরেক নিহত ৪০ বছর বয়সি নবীর হোসেনের বাড়ি মধুপুর গ্রামে। দু’জনের লাশ আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়।

নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ২০-২৫ জন চোরাকারবারি রাতে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেনসহ আরও কয়েকজন ওই সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে মোরছালিন ও নবীর হোসেন নিহত হন।

এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকীদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সবুর খান জানান, সীমান্তে গুলিতে দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে নবীর হোসেনের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে।

নবীর হোসেনের ছেলে মো. তপন জানান, তার বাবা সন্ধ্যা থেকেই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার পর বিএসএফ গুলি করে মরদেহ নিয়ে যায় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন তিনি।

ধ্বজনগর গ্রামের বাসিন্দা রিপন পাঠান বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল কাঁটাতারের সামনে গেলে বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মোরছালিন গুলিবিদ্ধ হয়। বাকিরা আহত হয়ে পালিয়ে যায়।’

চন্ডিদ্বার বিওপি কমান্ডার সুবেদার মইন উদ্দিন জানান, মরদেহ দুটি ভারতীয় বিএসফের নিকট রয়েছে। পতাকা বৈঠক শেষে বিএসএফ বিজিবির কাছে লাশ হস্থান্তর করা হবে। এ ব্যপারে বিএসএফ এর নিকট চিঠি দিয়েছেন বলে বিজিবি জানান।

সূত্র: দ্য ডেইলি ইত্তেফাক

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

আপডেট সময় : ১০:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার ধ্বজনগর বাতান বাড়ি এলাকার খেবজু মিয়ার ছেলে মোরছালিন (২২) । তিনি গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। আরেক নিহত ৪০ বছর বয়সি নবীর হোসেনের বাড়ি মধুপুর গ্রামে। দু’জনের লাশ আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়।

নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ২০-২৫ জন চোরাকারবারি রাতে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেনসহ আরও কয়েকজন ওই সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে মোরছালিন ও নবীর হোসেন নিহত হন।

এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকীদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সবুর খান জানান, সীমান্তে গুলিতে দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে নবীর হোসেনের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে।

নবীর হোসেনের ছেলে মো. তপন জানান, তার বাবা সন্ধ্যা থেকেই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার পর বিএসএফ গুলি করে মরদেহ নিয়ে যায় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন তিনি।

ধ্বজনগর গ্রামের বাসিন্দা রিপন পাঠান বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল কাঁটাতারের সামনে গেলে বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মোরছালিন গুলিবিদ্ধ হয়। বাকিরা আহত হয়ে পালিয়ে যায়।’

চন্ডিদ্বার বিওপি কমান্ডার সুবেদার মইন উদ্দিন জানান, মরদেহ দুটি ভারতীয় বিএসফের নিকট রয়েছে। পতাকা বৈঠক শেষে বিএসএফ বিজিবির কাছে লাশ হস্থান্তর করা হবে। এ ব্যপারে বিএসএফ এর নিকট চিঠি দিয়েছেন বলে বিজিবি জানান।

সূত্র: দ্য ডেইলি ইত্তেফাক