ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাইকোর্টের রায়ে শিলখালীর ইউপি চেয়ারম্যান পদে বহাল কামাল হোসেন কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস পালিত চকরিয়ায় বাস চাপায় বিএনপি নেতার মৃত্যু মেরিন ড্রাইভে ‘চাদের গাড়ি’ বন্ধের দাবি, জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন বিপর্যস্ত: গণমিছিল সফল করার আহ্বান জামায়াত নেতার টেকনাফের বাহারছড়ায় জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি ‘মায়েরা যথাযথ ভূমিকা পালন করলে ছেলেমেয়েরা অবশ্যই শিক্ষিত হবে’ দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জলাশয়ে নারীর মরদেহ উদ্ধার “অদম্য নারী” পুরস্কার পেলেন কক্সবাজারের ১১ নারী খুনিয়া পালংয়ে বন্য হাতির আক্রমণে মা-মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু দুই মামলায় সাবেক মেয়র আইভীর জামিন ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হোটেল কক্ষে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সন্ত্রাসবিরোধী বিল পাস

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাস হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কর্তৃক উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

এর মাধ্যমে বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও সংশোধন ও কঠোর করা হচ্ছে। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

সংসদে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরে অধ্যাদেশটিকে আইনি ভিত্তি দিতে তা বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হয় এবং সদস্যদের সর্বসম্মত ‘হ্যাঁ’ ভোটে বিলটি পাস হয়। মন্ত্রী আরও জানান, ‘সন্ত্রাস বিরোধী বিল ২০২৬’-এর মাধ্যমে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন, সংগঠন নিষিদ্ধকরণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান আরও সুসংহত করা।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশের ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয় এর অন্যতম হলো– ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’।

এই অধ্যাদেশ বলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে গত বছর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে।

জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন পক্ষের আন্দোলনের মুখে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১১ মে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।

ওই সময় সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মিছিল-সভা-সমাবেশ করতে পারবে না, দলটির কার্যালয় বন্ধ থাকবে, ব্যাংক হিসাব জব্দ হবে, পোস্টার-ব্যানার প্রচার করতে পারবে না, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তা প্রকাশ করা যাবে না এবং সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না দলটি।

সূত্র : independent

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাইকোর্টের রায়ে শিলখালীর ইউপি চেয়ারম্যান পদে বহাল কামাল হোসেন

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সন্ত্রাসবিরোধী বিল পাস

আপডেট সময় : ০৩:০০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাস হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কর্তৃক উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

এর মাধ্যমে বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও সংশোধন ও কঠোর করা হচ্ছে। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

সংসদে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরে অধ্যাদেশটিকে আইনি ভিত্তি দিতে তা বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হয় এবং সদস্যদের সর্বসম্মত ‘হ্যাঁ’ ভোটে বিলটি পাস হয়। মন্ত্রী আরও জানান, ‘সন্ত্রাস বিরোধী বিল ২০২৬’-এর মাধ্যমে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন, সংগঠন নিষিদ্ধকরণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান আরও সুসংহত করা।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশের ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয় এর অন্যতম হলো– ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’।

এই অধ্যাদেশ বলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে গত বছর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে।

জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন পক্ষের আন্দোলনের মুখে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১১ মে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।

ওই সময় সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মিছিল-সভা-সমাবেশ করতে পারবে না, দলটির কার্যালয় বন্ধ থাকবে, ব্যাংক হিসাব জব্দ হবে, পোস্টার-ব্যানার প্রচার করতে পারবে না, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তা প্রকাশ করা যাবে না এবং সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না দলটি।

সূত্র : independent