ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান

দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলা এবং দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে সকলের সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সক্রিয় করা, দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলার সকল আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, বিদ্যমান আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার যোগ্য করা, ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উপজেলা ভিত্তিক জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা, নারী পুরুষের জন্য আলাদা অবস্থানের ব্যবস্থা, রান্নার ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ খাবার পানি, গৃহপালিত বা গবাদি পশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজাদের রহমান জানান, কক্সবাজার জেলাতে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, জেলায় ৫ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৩৮ জন মানুষের ধারন ক্ষমতা রয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।
জেলার সবগুলো মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা সম্ভব হবে না তাই বিভিন্ন স্কুল মাদ্রাসাগুলো ব্যবহার উপযোগী করা প্রয়োজন।

এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, তাদের আওতাধীন ৬১ টা বহুমুখী সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে যেখানে মানুষের থাকার ব্যবস্থা, গবাদিপশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আছে এবং সেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর দুর্যোগকালীন সময়ে নিয়মিত তথ্য প্রদান করবে এবং বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা সম্প্রচার করবে। মৎস্য অধিদপ্তর সাগরে থাকা মাছ ধরা ট্রলারকে নিয়মিত আবহাওয়া বার্তা পৌঁছে দিবে, পাহাড় কাটার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে পাশাপাশি মাইকিং করতে হবে। এছাড়াও দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাহিদুল আলম এর সঞ্চালনায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা, আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো: আব্দুল হান্নান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: নাজমুল হুদা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শাহীন মিয়া, প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন এনজিও, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা

দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলা এবং দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে সকলের সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সক্রিয় করা, দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলার সকল আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, বিদ্যমান আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার যোগ্য করা, ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উপজেলা ভিত্তিক জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা, নারী পুরুষের জন্য আলাদা অবস্থানের ব্যবস্থা, রান্নার ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ খাবার পানি, গৃহপালিত বা গবাদি পশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজাদের রহমান জানান, কক্সবাজার জেলাতে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, জেলায় ৫ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৩৮ জন মানুষের ধারন ক্ষমতা রয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।
জেলার সবগুলো মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা সম্ভব হবে না তাই বিভিন্ন স্কুল মাদ্রাসাগুলো ব্যবহার উপযোগী করা প্রয়োজন।

এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, তাদের আওতাধীন ৬১ টা বহুমুখী সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে যেখানে মানুষের থাকার ব্যবস্থা, গবাদিপশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আছে এবং সেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর দুর্যোগকালীন সময়ে নিয়মিত তথ্য প্রদান করবে এবং বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা সম্প্রচার করবে। মৎস্য অধিদপ্তর সাগরে থাকা মাছ ধরা ট্রলারকে নিয়মিত আবহাওয়া বার্তা পৌঁছে দিবে, পাহাড় কাটার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে পাশাপাশি মাইকিং করতে হবে। এছাড়াও দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাহিদুল আলম এর সঞ্চালনায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা, আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো: আব্দুল হান্নান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: নাজমুল হুদা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শাহীন মিয়া, প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন এনজিও, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।