ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফের বাহারছড়ায় জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি ‘মায়েরা যথাযথ ভূমিকা পালন করলে ছেলেমেয়েরা অবশ্যই শিক্ষিত হবে’ দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জলাশয়ে নারীর মরদেহ উদ্ধার “অদম্য নারী” পুরস্কার পেলেন কক্সবাজারের ১১ নারী খুনিয়া পালংয়ে বন্য হাতির আক্রমণে মা-মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু দুই মামলায় সাবেক মেয়র আইভীর জামিন ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হোটেল কক্ষে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার, নগদ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বজ্রপাত, আহত ৫ নারী বাসযাত্রীর ব্যাগে মিললো ২.৭ কেজি গাঁজা জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামবাসীর কষ্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলা এবং দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে সকলের সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সক্রিয় করা, দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলার সকল আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, বিদ্যমান আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার যোগ্য করা, ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উপজেলা ভিত্তিক জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা, নারী পুরুষের জন্য আলাদা অবস্থানের ব্যবস্থা, রান্নার ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ খাবার পানি, গৃহপালিত বা গবাদি পশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজাদের রহমান জানান, কক্সবাজার জেলাতে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, জেলায় ৫ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৩৮ জন মানুষের ধারন ক্ষমতা রয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।
জেলার সবগুলো মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা সম্ভব হবে না তাই বিভিন্ন স্কুল মাদ্রাসাগুলো ব্যবহার উপযোগী করা প্রয়োজন।

এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, তাদের আওতাধীন ৬১ টা বহুমুখী সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে যেখানে মানুষের থাকার ব্যবস্থা, গবাদিপশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আছে এবং সেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর দুর্যোগকালীন সময়ে নিয়মিত তথ্য প্রদান করবে এবং বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা সম্প্রচার করবে। মৎস্য অধিদপ্তর সাগরে থাকা মাছ ধরা ট্রলারকে নিয়মিত আবহাওয়া বার্তা পৌঁছে দিবে, পাহাড় কাটার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে পাশাপাশি মাইকিং করতে হবে। এছাড়াও দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাহিদুল আলম এর সঞ্চালনায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা, আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো: আব্দুল হান্নান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: নাজমুল হুদা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শাহীন মিয়া, প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন এনজিও, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলা এবং দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে সকলের সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সক্রিয় করা, দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলার সকল আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, বিদ্যমান আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার যোগ্য করা, ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উপজেলা ভিত্তিক জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা, নারী পুরুষের জন্য আলাদা অবস্থানের ব্যবস্থা, রান্নার ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ খাবার পানি, গৃহপালিত বা গবাদি পশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজাদের রহমান জানান, কক্সবাজার জেলাতে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, জেলায় ৫ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৩৮ জন মানুষের ধারন ক্ষমতা রয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।
জেলার সবগুলো মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা সম্ভব হবে না তাই বিভিন্ন স্কুল মাদ্রাসাগুলো ব্যবহার উপযোগী করা প্রয়োজন।

এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, তাদের আওতাধীন ৬১ টা বহুমুখী সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে যেখানে মানুষের থাকার ব্যবস্থা, গবাদিপশু রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আছে এবং সেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর দুর্যোগকালীন সময়ে নিয়মিত তথ্য প্রদান করবে এবং বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা সম্প্রচার করবে। মৎস্য অধিদপ্তর সাগরে থাকা মাছ ধরা ট্রলারকে নিয়মিত আবহাওয়া বার্তা পৌঁছে দিবে, পাহাড় কাটার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে পাশাপাশি মাইকিং করতে হবে। এছাড়াও দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাহিদুল আলম এর সঞ্চালনায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা, আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো: আব্দুল হান্নান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: নাজমুল হুদা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শাহীন মিয়া, প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন এনজিও, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।