হাইকোর্টের রায়ে চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেয়েছেন শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.কামাল হোসেন। একইসঙ্গে তাকে দ্রুত নিজ পদে যোগদান করে দায়িত্ব পালনের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।
গত ২১ এপ্রিল বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন এবং ২৭ এপ্রিল আদালতের আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এক আদেশের মাধ্যমে শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমিকে অর্পণ করেছিলেন। এই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন কামাল হোসেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ ও
শুনানি শেষে ওই বিতর্কিত মেমো আদেশের কার্যকারিতা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।
চেয়ারম্যানের ক্ষমতা হস্তান্তরের ওই আদেশটি কেনো বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেছে আদালত।
রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আবেদনকারী মো. কামাল হোসেনকে শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তার যাবতীয় কার্যাবলী ও দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার জন্য বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার সচিব, উপ-সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পেকুয়ার এসিল্যান্ডকে এই মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমান এবং অ্যাডভোকেট তানিয়া সুলতানা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ এবং অন্যান্য সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলগণ।
কামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আমার চেয়ারম্যান ফিরে পেয়েছি। শিলখালী ইউনিয়ন বাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
রেজাউল করিম, পেকুয়া। 























