ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেনজীর আহমদকে দেশে ফেরানো হবে কোন প্রক্রিয়ায়? ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার নাম করে আনছিলো ইয়াবা : আটক  যুবদল নেতা, দল থেকে বহিস্কার কক্সবাজারে দুইশ কিলোমিটার ড্রাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- এমপি কাজল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসছেন এমপি আমির হামজা একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার নজরুল বর্ষ ঘিরে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে ৬৪ জেলায়: সংস্কৃতিমন্ত্রী দুর্ভিক্ষপীড়িত রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল ‘এগিয়ে চলো ব্রাজিল’, সতীর্থদের প্রতি নেইমার বিশ্বকাপ জিততে এসেছি, ব্যক্তিগত পুরস্কার নয়: ভিনিসিয়ুস

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করা মিয়ানমারের ৭১ নাগরিক ফিরলো স্বদেশে

বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রয় নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে গেছেন তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ১৫টি পরিবার।

৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয় বলে জানিয়ছে বিজিবি।

২২ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রথম দফায় ১০টি পরিবার এবং বুধবার (২৩ জুলাই) দ্বিতীয় দফায় আরও ৫টি পরিবার ফিরে যায়। দুই দিনে মোট ৭১ জন তঞ্চঙ্গ্যা নাগরিক সীমান্ত পিলার ৩৭-এর ‘আমবাগান’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যান।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে বছর দুয়েকধরে, ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তঞ্চঙ্গ্যা পরিবার বাংলাদেশে পালিয়ে এসে ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ী তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় আশ্রয় নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজ এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, প্রত্যাবর্তনকারী পরিবারগুলোর তালিকায় রয়েছে, ২২ জুলাই ৪৮ জন এবং ২৩ জুলাই ২৩ জন।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের ৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এবং সম্মানজনক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস এম খাইরুল আলম জানান, মিয়ানমারের ৭১ জন নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে,তাদের উপর কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এসব পরিবার নিজ ইচ্ছায় স্বদেশে ফিরে গেছে, দীর্ঘদিনধরে তাঁদেরকে মিয়ানমারে ফেরত চলে যাওয়ার জন্য বিজিবি
তাঁদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে,পরে তারা রাজি হলে দুইদিনে ৭১ জনকে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়৷ এতদিন তারা বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করা মিয়ানমারের ৭১ নাগরিক ফিরলো স্বদেশে

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রয় নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে গেছেন তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ১৫টি পরিবার।

৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয় বলে জানিয়ছে বিজিবি।

২২ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রথম দফায় ১০টি পরিবার এবং বুধবার (২৩ জুলাই) দ্বিতীয় দফায় আরও ৫টি পরিবার ফিরে যায়। দুই দিনে মোট ৭১ জন তঞ্চঙ্গ্যা নাগরিক সীমান্ত পিলার ৩৭-এর ‘আমবাগান’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যান।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে বছর দুয়েকধরে, ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তঞ্চঙ্গ্যা পরিবার বাংলাদেশে পালিয়ে এসে ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ী তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় আশ্রয় নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজ এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, প্রত্যাবর্তনকারী পরিবারগুলোর তালিকায় রয়েছে, ২২ জুলাই ৪৮ জন এবং ২৩ জুলাই ২৩ জন।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের ৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এবং সম্মানজনক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস এম খাইরুল আলম জানান, মিয়ানমারের ৭১ জন নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে,তাদের উপর কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এসব পরিবার নিজ ইচ্ছায় স্বদেশে ফিরে গেছে, দীর্ঘদিনধরে তাঁদেরকে মিয়ানমারে ফেরত চলে যাওয়ার জন্য বিজিবি
তাঁদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে,পরে তারা রাজি হলে দুইদিনে ৭১ জনকে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়৷ এতদিন তারা বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলো।