ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, দেশের জন্য- পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে আটকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার কক্সবাজারে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সিএনজি অটোরিকশা থেকে ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ৫৪ বস্তা সার জব্দ, আটক ১ টেকনাফে কিশোরকে অপহরণ, ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি পানি উন্নয়ন বোর্ড নয়, স্লুইসগেট দেখভাল করবে স্থানীয় প্রশাসন : পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘুমের মাঝেই না ফেরার দেশে লোহাগাড়া থানার এসআই আজিজ ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি গেট পেকুয়ায় শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঘর নির্মাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রক্ত, আগুন আর ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটে থমকে গিয়েছিল বাংলাদেশ ৫ মাস পূর্ণ করলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রাতে মুখোমুখি ফ্রান্স-ইংল্যান্ড  ইয়ামালকে ‘ঘরে আটকে’ রাখতে চান স্কালোনি

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করা মিয়ানমারের ৭১ নাগরিক ফিরলো স্বদেশে

বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রয় নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে গেছেন তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ১৫টি পরিবার।

৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয় বলে জানিয়ছে বিজিবি।

২২ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রথম দফায় ১০টি পরিবার এবং বুধবার (২৩ জুলাই) দ্বিতীয় দফায় আরও ৫টি পরিবার ফিরে যায়। দুই দিনে মোট ৭১ জন তঞ্চঙ্গ্যা নাগরিক সীমান্ত পিলার ৩৭-এর ‘আমবাগান’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যান।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে বছর দুয়েকধরে, ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তঞ্চঙ্গ্যা পরিবার বাংলাদেশে পালিয়ে এসে ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ী তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় আশ্রয় নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজ এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, প্রত্যাবর্তনকারী পরিবারগুলোর তালিকায় রয়েছে, ২২ জুলাই ৪৮ জন এবং ২৩ জুলাই ২৩ জন।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের ৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এবং সম্মানজনক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস এম খাইরুল আলম জানান, মিয়ানমারের ৭১ জন নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে,তাদের উপর কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এসব পরিবার নিজ ইচ্ছায় স্বদেশে ফিরে গেছে, দীর্ঘদিনধরে তাঁদেরকে মিয়ানমারে ফেরত চলে যাওয়ার জন্য বিজিবি
তাঁদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে,পরে তারা রাজি হলে দুইদিনে ৭১ জনকে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়৷ এতদিন তারা বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, দেশের জন্য- পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করা মিয়ানমারের ৭১ নাগরিক ফিরলো স্বদেশে

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রয় নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে গেছেন তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ১৫টি পরিবার।

৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয় বলে জানিয়ছে বিজিবি।

২২ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রথম দফায় ১০টি পরিবার এবং বুধবার (২৩ জুলাই) দ্বিতীয় দফায় আরও ৫টি পরিবার ফিরে যায়। দুই দিনে মোট ৭১ জন তঞ্চঙ্গ্যা নাগরিক সীমান্ত পিলার ৩৭-এর ‘আমবাগান’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যান।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে বছর দুয়েকধরে, ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তঞ্চঙ্গ্যা পরিবার বাংলাদেশে পালিয়ে এসে ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ী তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় আশ্রয় নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজ এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, প্রত্যাবর্তনকারী পরিবারগুলোর তালিকায় রয়েছে, ২২ জুলাই ৪৮ জন এবং ২৩ জুলাই ২৩ জন।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের ৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এবং সম্মানজনক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস এম খাইরুল আলম জানান, মিয়ানমারের ৭১ জন নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে,তাদের উপর কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এসব পরিবার নিজ ইচ্ছায় স্বদেশে ফিরে গেছে, দীর্ঘদিনধরে তাঁদেরকে মিয়ানমারে ফেরত চলে যাওয়ার জন্য বিজিবি
তাঁদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে,পরে তারা রাজি হলে দুইদিনে ৭১ জনকে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়৷ এতদিন তারা বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলো।