ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার অভাব ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ঠেলে দিচ্ছে ‘ভাগ্যের জুয়ায়’ টেকনাফের হ্নীলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ১০-১২টি বসতবাড়ি কক্সবাজার শহরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় ১৮ কেজি গাঁজা স্ত্রীর পাতা ফাঁদে অপহরণ, অপহৃতদের হাতে প্রাণ গেল তিন অপহরণকারীর কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে উশো-কারাতে ক্লাবের উদ্বোধন প্রফেসর আখতার বাদী: কক্সবাজারের দুই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে মামলা জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিন যুবক খু*ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি ব্রিফিং ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজারে ৫৪ কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ২৬ হাজার ৭৪৭ শিক্ষার্থী “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কুতুবদিয়া উপজেলা কমিটির প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করা মিয়ানমারের ৭১ নাগরিক ফিরলো স্বদেশে

বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রয় নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে গেছেন তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ১৫টি পরিবার।

৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয় বলে জানিয়ছে বিজিবি।

২২ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রথম দফায় ১০টি পরিবার এবং বুধবার (২৩ জুলাই) দ্বিতীয় দফায় আরও ৫টি পরিবার ফিরে যায়। দুই দিনে মোট ৭১ জন তঞ্চঙ্গ্যা নাগরিক সীমান্ত পিলার ৩৭-এর ‘আমবাগান’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যান।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে বছর দুয়েকধরে, ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তঞ্চঙ্গ্যা পরিবার বাংলাদেশে পালিয়ে এসে ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ী তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় আশ্রয় নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজ এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, প্রত্যাবর্তনকারী পরিবারগুলোর তালিকায় রয়েছে, ২২ জুলাই ৪৮ জন এবং ২৩ জুলাই ২৩ জন।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের ৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এবং সম্মানজনক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস এম খাইরুল আলম জানান, মিয়ানমারের ৭১ জন নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে,তাদের উপর কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এসব পরিবার নিজ ইচ্ছায় স্বদেশে ফিরে গেছে, দীর্ঘদিনধরে তাঁদেরকে মিয়ানমারে ফেরত চলে যাওয়ার জন্য বিজিবি
তাঁদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে,পরে তারা রাজি হলে দুইদিনে ৭১ জনকে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়৷ এতদিন তারা বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করা মিয়ানমারের ৭১ নাগরিক ফিরলো স্বদেশে

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রয় নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে গেছেন তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ১৫টি পরিবার।

৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয় বলে জানিয়ছে বিজিবি।

২২ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রথম দফায় ১০টি পরিবার এবং বুধবার (২৩ জুলাই) দ্বিতীয় দফায় আরও ৫টি পরিবার ফিরে যায়। দুই দিনে মোট ৭১ জন তঞ্চঙ্গ্যা নাগরিক সীমান্ত পিলার ৩৭-এর ‘আমবাগান’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যান।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে বছর দুয়েকধরে, ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তঞ্চঙ্গ্যা পরিবার বাংলাদেশে পালিয়ে এসে ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ী তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় আশ্রয় নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজ এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, প্রত্যাবর্তনকারী পরিবারগুলোর তালিকায় রয়েছে, ২২ জুলাই ৪৮ জন এবং ২৩ জুলাই ২৩ জন।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের ৩৪ বিজিবির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এবং সম্মানজনক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস এম খাইরুল আলম জানান, মিয়ানমারের ৭১ জন নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে,তাদের উপর কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এসব পরিবার নিজ ইচ্ছায় স্বদেশে ফিরে গেছে, দীর্ঘদিনধরে তাঁদেরকে মিয়ানমারে ফেরত চলে যাওয়ার জন্য বিজিবি
তাঁদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে,পরে তারা রাজি হলে দুইদিনে ৭১ জনকে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়৷ এতদিন তারা বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলো।