ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইয়াবা দিয়ে উখিয়ায় সংগীতশিল্পী ও তার স্ত্রীকে ফাঁসানোর অভিযোগ মৃত্যুর বর্ষণ: কক্সবাজার-নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলে নিহত ১১ বৃষ্টি বাধ সাধেনি: শেষ হলো এইচএসসি ও সমমানের তৃতীয় দিনের পরীক্ষা, নকলের দায়ে বহিস্কৃত ২ টানা বৃষ্টিতে লামার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : প্রশাসনের সতর্কতা জারি লোহাগাড়ায় টানা বৃষ্টি :পানিবন্দী অসংখ্য মানুষ সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ সাত মামলার আসামি কচ্ছপিয়ার ইউপি সদস্য শাকিলকে ঘিরে সীমান্ত চোরাচালানের অভিযোগ বৈরী আবহাওয়ায় মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাক ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা পাহাড় ধস, জলাবদ্ধতা ও ঢলের পানিতে মৃত্যু, দুর্ভোগে নাইক্ষ্যংছড়ির মানুষ জামায়াতকে সাধুবাদ, শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে বাধা নেই: রুমিন ফারহানা কক্সবাজার ফিশারী ঘাটে নির্মিত হচ্ছে অত্যাধুনিক ফিশ ল্যান্ডিং স্টেশন : মৎস্য খাতে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন কক্সবাজারে বিদেশি নারী পর্যটককে ধ/র্ষ/ণ চেষ্টা : তিনজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড পেকুয়ায় পাহাড় ধসে এক শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ​কক্সবাজারের ২০ এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে ১ লাখেরও বেশি মানুষ

পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা

কক্সবাজার শহরের আলোচিত আসিফ-হৃদয় জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের পর রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

সোমবার (৮ জুন) ভোর রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিয়াউর রহমান জিয়াকে ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে প্রধান আসামি জিয়া রামুর পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে বলে জানা যায়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানালেন, জিয়ার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় এই জোড়া হত্যা মামলাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া নিজেকে আড়াল করতে রামুর পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা দিয়ে উখিয়ায় সংগীতশিল্পী ও তার স্ত্রীকে ফাঁসানোর অভিযোগ

পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা

আপডেট সময় : ০১:২১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

কক্সবাজার শহরের আলোচিত আসিফ-হৃদয় জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের পর রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

সোমবার (৮ জুন) ভোর রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিয়াউর রহমান জিয়াকে ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে প্রধান আসামি জিয়া রামুর পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে বলে জানা যায়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানালেন, জিয়ার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় এই জোড়া হত্যা মামলাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া নিজেকে আড়াল করতে রামুর পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক।