ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে আছেন মেসি পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন দ্বিতীয়বারের মতো হচ্ছে ‘গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস বাংলাদেশ ২০২৬’ যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হলে ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা হবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত টেকনাফে অস্ত্রের মুখে চালককে জিম্মি করে টমটম ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা মানবিক আশ্রয়ের আড়ালে শিশু অপহরণ, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নারী আটক কক্সবাজারে ডিবি হারুনের আরও জমির তথ্য দিল দুদক কক্সবাজার থেকে প্রবাল এক্সপ্রেসে আসা ৫৯ লাখ টাকার ইয়াবার চালান পুলিশের জালে, গ্রেফতার ১ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক হলেন সালাহউদ্দিন পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম বড় বাজারে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা,ফেনসিডিলসহ কয়েক প্রকার মাদক:নেপথ্যে “কিং শির্ষক সংবাদের প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ছৈয়দুল হক আটক খুনিয়া পালংয়ে ছেলের গুলিতে প্রাণ গেল বাবার কক্সবাজারসহ চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা

কক্সবাজার শহরের আলোচিত আসিফ-হৃদয় জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের পর রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

সোমবার (৮ জুন) ভোর রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিয়াউর রহমান জিয়াকে ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে প্রধান আসামি জিয়া রামুর পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে বলে জানা যায়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানালেন, জিয়ার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় এই জোড়া হত্যা মামলাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া নিজেকে আড়াল করতে রামুর পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে আছেন মেসি

পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা

আপডেট সময় : ০১:২১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

কক্সবাজার শহরের আলোচিত আসিফ-হৃদয় জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের পর রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

সোমবার (৮ জুন) ভোর রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিয়াউর রহমান জিয়াকে ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে প্রধান আসামি জিয়া রামুর পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে বলে জানা যায়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানালেন, জিয়ার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় এই জোড়া হত্যা মামলাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া নিজেকে আড়াল করতে রামুর পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক।