ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি সভাপতির ‘না’,সেক্রেটারির ‘হ্যাঁ’ : মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল আয়োজন নিয়ে আইনজীবী সমিতির বিতর্ক কক্সবাজার সৈকতে স্থাপনা নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি উখিয়ার বরেণ্য আলেম আলিম উদ্দিন পীরের জানাযা সম্পন্ন চিরকুট পাঠালেই পুলিশ পৌঁছাবে ঠিকানায়: উখিয়ায় অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ পুলিশী হেফাজতে থাকা সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী অসুস্থ : চমেকে প্রেরণ টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ আটক ১ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত নারী এশিয়া কাপ : রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা

কক্সবাজার শহরের আলোচিত আসিফ-হৃদয় জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের পর রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

সোমবার (৮ জুন) ভোর রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিয়াউর রহমান জিয়াকে ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে প্রধান আসামি জিয়া রামুর পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে বলে জানা যায়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানালেন, জিয়ার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় এই জোড়া হত্যা মামলাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া নিজেকে আড়াল করতে রামুর পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া

পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা

আপডেট সময় : ০১:২১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

কক্সবাজার শহরের আলোচিত আসিফ-হৃদয় জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের পর রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

সোমবার (৮ জুন) ভোর রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিয়াউর রহমান জিয়াকে ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে প্রধান আসামি জিয়া রামুর পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে বলে জানা যায়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী (ইসলামপুর) এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানালেন, জিয়ার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় এই জোড়া হত্যা মামলাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া নিজেকে আড়াল করতে রামুর পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক।