ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

“আজতেকা থেকে কক্সবাজার: ফুটবলের উদ্বোধনী বাঁশি যেন সমুদ্রের ঢেউয়েও”

২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে, কিন্তু তার রঙিন আবহ যেন আগেভাগেই নেমে এসেছে কক্সবাজারে। সৈকতের শহর জুড়ে উড়ছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা, চায়ের দোকানে জমছে তর্ক, আর তরুণদের চোখে ফুটে উঠছে বিশ্বকাপের উন্মাদনা।

এ যেন শুধু ফুটবলের প্রতিযোগিতা নয়, এক বৈশ্বিক উৎসবের স্থানীয় রূপ। মেক্সিকোর মঞ্চে শাকিরার গান বাজবে, আর কক্সবাজারে বাজবে সমর্থকদের উল্লাস। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে, কিন্তু বিভেদ নেই; আছে আনন্দ, আবেগ আর একসাথে উৎসব করার সংস্কৃতি।

বিশ্বকাপের সৌন্দর্য এখানেই, একটি ম্যাচ হাজার মাইল দূরের মানুষকেও একই অনুভূতিতে বেঁধে ফেলে। তাই বলা যায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুধু আজতেকায় নয়, কক্সবাজারের সমুদ্রতীরেও শুরু হয়ে গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের

“আজতেকা থেকে কক্সবাজার: ফুটবলের উদ্বোধনী বাঁশি যেন সমুদ্রের ঢেউয়েও”

আপডেট সময় : ০৩:০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে, কিন্তু তার রঙিন আবহ যেন আগেভাগেই নেমে এসেছে কক্সবাজারে। সৈকতের শহর জুড়ে উড়ছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা, চায়ের দোকানে জমছে তর্ক, আর তরুণদের চোখে ফুটে উঠছে বিশ্বকাপের উন্মাদনা।

এ যেন শুধু ফুটবলের প্রতিযোগিতা নয়, এক বৈশ্বিক উৎসবের স্থানীয় রূপ। মেক্সিকোর মঞ্চে শাকিরার গান বাজবে, আর কক্সবাজারে বাজবে সমর্থকদের উল্লাস। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে, কিন্তু বিভেদ নেই; আছে আনন্দ, আবেগ আর একসাথে উৎসব করার সংস্কৃতি।

বিশ্বকাপের সৌন্দর্য এখানেই, একটি ম্যাচ হাজার মাইল দূরের মানুষকেও একই অনুভূতিতে বেঁধে ফেলে। তাই বলা যায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুধু আজতেকায় নয়, কক্সবাজারের সমুদ্রতীরেও শুরু হয়ে গেছে।