ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ার পর রামু : নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা সভাপতির ঘোষনা অনুযায়ী বাইক শো ডাউন ও মিছিল আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী ​টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও ৬ দফা নিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন’-এর বৈঠক ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’কক্সবাজার জেলা কমিটি ঘোষণা কাউন্সিলর একরাম হত্যা: হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে কক্সবাজারের মেয়ে ইয়াশনা ইকতার এসএসসি ফল প্রকাশের সাম্ভব্য তারিখ জানা গেল বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন পারিবারিক কলহের জেরে মা-বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করে ছেলে : পুলিশ কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতারের দাবির বিষয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির প্রথম কার্যদিবস আজ টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কক্সবাজারের মেয়ে তাওয়াক্কুল নূর চৌধুরী স্নেহা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর জুডো বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী

দেশে ফিরতে শেখ হাসিনার কোনো আইনি বাধা নেই : চিফ প্রসিকিউটর

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার উচিত দেশে ফিরে নিজের বিরুদ্ধে পাওয়া সাজা ও বিচারাধীন মামলাগুলোর আইনি মোকাবিলা করা।

রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা আপিল করতে পারবেন কিনা, এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুপিরিয়র রেসপনসেবলিটির দায় নিয়ে শেখ হাসিনার সাজা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে তার এ শাস্তি হয়নি। সাধারণত রায় ঘোষণার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিলের বিধান রয়েছে। এরই মধ্যে সেই সময় অতিক্রম হয়ে গেছে। তাই এ সময়ের মধ্যে যদি আপিল করা না যায়, তাহলে আর করতে পারবেন না। তবে আমরা চাই শেখ হাসিনা দেশে এসে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া দণ্ড চ্যালেঞ্জ করুক। তিনি আপিল ফাইল করুক। কারণ তার দেশে আসতে কোনো আইনগত বাধা নেই।

সুযোগ না থাকলে আপিল ফাইল করবেন কীভাবে- জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটা আপিল বিভাগের বিষয়। আগে তাকে (শেখ হাসিনা) আসতে দিন। তিনি আসুক। আমরাও চাই তিনি আপিল করুক। আইনি প্রক্রিয়ায় তখন কীভাবে কী হবে, সেটা তখন দেখা যাবে। এখন অগ্রিম বলার কোনো অবকাশ নেই। তবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন। বেশ কিছু মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে। বিশেষত শাপলা চত্বর মামলাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও অনেক মামলায় তিনি বিচারের সম্মুখীন হতে পারেন। এরই মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। এজন্যই বাংলাদেশে এসে তার এসব বিচার মোকাবিলা করা উচিত।

ইনুকেও শাপলা চত্বরের মামলায় আসামি করা হবে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলার শুরু থেকেই আমরা জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সংশ্লিষ্টতা পাচ্ছি। তখন তিনি তথ্যমন্ত্রী ছিলেন। তার নির্দেশনায় ২০১৩ সালের ৫ মে’র পর দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। সংসদে দাঁড়িয়ে এসবের দায় স্বীকার করে তিনি বলেছেন যে, তিনি এগুলো মোকাবিলা করেছেন। অতএব এই তথ্যপ্রমাণ শুরু থেকেই আমরা পেয়েছি। যেহেতু এটি একটি বড় ঘটনা, সেহেতু গুছিয়ে আনতে সময়টুকু লাগছে। হাসানুল হক ইনু আসামি হবেন, আগে থেকেই আমরা বলে আসছি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবে আমাদের দেশে যে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছে, তা আমাদের একাধিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। আমরা যাদের বিচারের সম্মুখীন করছি, প্রাথমিক তদন্তে তারা স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করেছেন বলে প্রমাণ মিলছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ীর একটি মামলায় আমরা দেখেছি যে- পুলিশ যখন অস্ত্র বণ্টন করতো, তখন বিভিন্ন কর্মকর্তার নামে দেখানো হতো। বাস্তবে অস্ত্রগুলো দেওয়া হতো আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে। তারা পুলিশের পাশাপাশি এসব ব্যবহার করতেন।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার পর রামু : নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা সভাপতির ঘোষনা অনুযায়ী বাইক শো ডাউন ও মিছিল

দেশে ফিরতে শেখ হাসিনার কোনো আইনি বাধা নেই : চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৫:১৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার উচিত দেশে ফিরে নিজের বিরুদ্ধে পাওয়া সাজা ও বিচারাধীন মামলাগুলোর আইনি মোকাবিলা করা।

রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা আপিল করতে পারবেন কিনা, এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুপিরিয়র রেসপনসেবলিটির দায় নিয়ে শেখ হাসিনার সাজা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে তার এ শাস্তি হয়নি। সাধারণত রায় ঘোষণার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিলের বিধান রয়েছে। এরই মধ্যে সেই সময় অতিক্রম হয়ে গেছে। তাই এ সময়ের মধ্যে যদি আপিল করা না যায়, তাহলে আর করতে পারবেন না। তবে আমরা চাই শেখ হাসিনা দেশে এসে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া দণ্ড চ্যালেঞ্জ করুক। তিনি আপিল ফাইল করুক। কারণ তার দেশে আসতে কোনো আইনগত বাধা নেই।

সুযোগ না থাকলে আপিল ফাইল করবেন কীভাবে- জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটা আপিল বিভাগের বিষয়। আগে তাকে (শেখ হাসিনা) আসতে দিন। তিনি আসুক। আমরাও চাই তিনি আপিল করুক। আইনি প্রক্রিয়ায় তখন কীভাবে কী হবে, সেটা তখন দেখা যাবে। এখন অগ্রিম বলার কোনো অবকাশ নেই। তবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন। বেশ কিছু মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে। বিশেষত শাপলা চত্বর মামলাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও অনেক মামলায় তিনি বিচারের সম্মুখীন হতে পারেন। এরই মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। এজন্যই বাংলাদেশে এসে তার এসব বিচার মোকাবিলা করা উচিত।

ইনুকেও শাপলা চত্বরের মামলায় আসামি করা হবে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলার শুরু থেকেই আমরা জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সংশ্লিষ্টতা পাচ্ছি। তখন তিনি তথ্যমন্ত্রী ছিলেন। তার নির্দেশনায় ২০১৩ সালের ৫ মে’র পর দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। সংসদে দাঁড়িয়ে এসবের দায় স্বীকার করে তিনি বলেছেন যে, তিনি এগুলো মোকাবিলা করেছেন। অতএব এই তথ্যপ্রমাণ শুরু থেকেই আমরা পেয়েছি। যেহেতু এটি একটি বড় ঘটনা, সেহেতু গুছিয়ে আনতে সময়টুকু লাগছে। হাসানুল হক ইনু আসামি হবেন, আগে থেকেই আমরা বলে আসছি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবে আমাদের দেশে যে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছে, তা আমাদের একাধিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। আমরা যাদের বিচারের সম্মুখীন করছি, প্রাথমিক তদন্তে তারা স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করেছেন বলে প্রমাণ মিলছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ীর একটি মামলায় আমরা দেখেছি যে- পুলিশ যখন অস্ত্র বণ্টন করতো, তখন বিভিন্ন কর্মকর্তার নামে দেখানো হতো। বাস্তবে অস্ত্রগুলো দেওয়া হতো আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে। তারা পুলিশের পাশাপাশি এসব ব্যবহার করতেন।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট