ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে যা যা হলো মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে যা যা হলো রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল চাষিরা লবণের ন্যায্যমূল্য পেতে শুরু করেছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওশানের ফুটবল টুর্নামেন্টে পরিচালক মিশু-ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটন সেবায় কর্মীদের মনোবল বাড়ায় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল অভিনেতা ডন গ্রেফতার কোনো প্ররোচনায় বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ধূমপায়ীদের রক্তে মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক, রয়েছে হার্ট অ্যাটাকের উচ্চ ঝুঁকি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি থেকে ২ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হবে : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস বিদ্যুৎকেন্দ্র, গভীর সমুদ্রবন্দরসহ চলমান মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রী

ঈদগাঁওয়ে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় আবুল কালামের মৃত্যুদণ্ড

  • রাহুল মহাজন:
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • 351

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির উঠানে রাশেদা বেগম ও তার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক বাদী হয়ে আবুল কালাম, আবু তাহের, হামিদা বেগম ও মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এড. এম কুতুব উদ্দিনের জানান মামলার তদন্ত চলাকালে প্রধান আসামি আবুল কালাম গ্রেপ্তার হন। পরে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও বাদীর নারাজির পর আদালতের নির্দেশে পিবিআই অধিকতর তদন্ত করে পুনরায় অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ২৩ জন এবং আসামিপক্ষের ২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, জব্দ করা আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও মামলার অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

রায়ে আদালত বলেন, অভিযুক্ত ও নিহতরা পরস্পরের আত্মীয় হলেও নিজ বাড়ির উঠানে মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সমাজে ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে। অপরাধের গুরুত্ব ও ভয়াবহতা বিবেচনায় আদালত আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

রায় ঘোষণার পর মামলার বাদী ও নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। দ্রুত রায় কার্যকরের মাধ্যমে স্ত্রী ও মেয়ের হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে,এটাই তার প্রত্যাশা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে যা যা হলো

ঈদগাঁওয়ে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় আবুল কালামের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির উঠানে রাশেদা বেগম ও তার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক বাদী হয়ে আবুল কালাম, আবু তাহের, হামিদা বেগম ও মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এড. এম কুতুব উদ্দিনের জানান মামলার তদন্ত চলাকালে প্রধান আসামি আবুল কালাম গ্রেপ্তার হন। পরে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও বাদীর নারাজির পর আদালতের নির্দেশে পিবিআই অধিকতর তদন্ত করে পুনরায় অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ২৩ জন এবং আসামিপক্ষের ২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, জব্দ করা আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও মামলার অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

রায়ে আদালত বলেন, অভিযুক্ত ও নিহতরা পরস্পরের আত্মীয় হলেও নিজ বাড়ির উঠানে মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সমাজে ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে। অপরাধের গুরুত্ব ও ভয়াবহতা বিবেচনায় আদালত আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

রায় ঘোষণার পর মামলার বাদী ও নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। দ্রুত রায় কার্যকরের মাধ্যমে স্ত্রী ও মেয়ের হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে,এটাই তার প্রত্যাশা।