আমি মোহাম্মদ নুরুল আবছার। ২০১৬ সালে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছি।
বিএনপির দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছি, প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের আদর্শের প্রতি অবিচল থেকেছি। অথচ আজ আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালনকালে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার কিছু ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে, সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরও আমাকে ঘিরে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
আমার কাছে আসা অভিযোগ ও তথ্য অনুযায়ী, কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সার ডিলার নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ না হওয়ায় এখন আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উচিত টাকা লেনদেনের বিষয়টি স্বচ্ছভাবে ব্যাখ্যা করা এবং প্রয়োজন হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মুখোমুখি হওয়া।
আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে কারও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তথ্য-প্রমাণসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে যান। কিন্তু ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা স্বার্থের কারণে কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
যারা আমার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলছেন, তাঁদের বলছি—প্রমাণসহ অভিযোগ উপস্থাপন করুন। যদি প্রমাণ করতে পারেন যে আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি, তাহলে আমি স্বেচ্ছায় রাজনীতি ছেড়ে দেব।
মনে রাখবেন, দুঃসময়ে দলের হাল ধরা কর্মীদের রাজনৈতিক ইতিহাস কয়েকটি ছবি কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা দিয়ে মুছে ফেলা যায় না।
আমি কারও বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চাই না। আমি চাই সত্য প্রকাশিত হোক, মিথ্যা অভিযোগের অবসান হোক এবং প্রকৃত ঘটনা সবার সামনে আসুক।
আমি মোহাম্মদ নুরুল আবছার। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে প্রমাণ দিন, অপপ্রচার নয়। সত্যের মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি 





















