উখিয়ায় গানবাজনার অভিযোগে এক গ্রাম্য সরদারের নেতৃত্বে বিয়ে বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে।হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।এরমধ্যে বরসহ দু’জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ আক্টোবর) রাতে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের চেংখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের চেংখোলা গ্রামের মৃত জাফর আলমের (কালু) ছেলে মোবারক হোসেনের বিয়ের দিন ধার্য্য ছিলো শুক্রবারে।রীতি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতে মেহেদি অনুষ্টানের কথা ছিলো।বিয়ে বাড়িতে তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং আত্ব্যীয়স্বজনরা মেহেদি অনুষ্ঠান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
এ সময় মধ্যরাতে হটাৎ গ্রামের সমাজের সরদার আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল বিয়ের মেহেদি অনুষ্ঠানে এসে হামলা চালায়।
মুহূর্তেই বিয়ের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়।এ ঘটনায় নারীসহ জাফর আলমের পরিবারের ১০ জন আহত হয়েছেন।
হামলায় বর মোবারক হোসেন এবং তাঁর ছোট বোন শামসুন্নাহারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁদের পরিবার।
এ ঘটনায় মোবারকের চাচা ছৈয়দ কাসেম বলেন, রাতে গ্রাম্য সরদার আব্দুর রহিম, ভেদু, ভুলু সওদাগর, জয়নাল, নুরুল আলমসহ স্থানীয় প্রায় ২০-৩০ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে অনুস্থানস্থলে প্রবেশ করে গান বাজনার অভিযোগ তুলে হটাৎ সাউন্ড সিস্টেম এবং অনুষ্টানের স্টেইজে ভাঙ্গচুর করে।
এসময় বাঁধা দিতে গেলে মোবারক হোসেন এবং তাঁর মা ও বোনের উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা অনেক মেহমানও তাঁদের হামলায় আহত হন।
তিনি আরও জানান, যার বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো সে এখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।ফলে শুক্রবারে আর বিয়ের অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়নি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, রাতে গানবাজনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি।অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান ওসি।
এদিকে বিয়ে পন্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 























