প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন হাজারো মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠেছে পুরো সমাবেশস্থল।
চারপাশে মানুষের কোলাহল, স্লোগান আর ব্যানার-ফেস্টুনে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। এখন অপেক্ষা শুধু কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্তের।
প্রধানমন্ত্রী কখন এসে পৌঁছাবেন সমাবেশস্থলে।
রোববার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকা থেকে দলে দলে, মিছিলে মিছিলে মানুষ সমাবেশস্থলে যোগ দেন।
সকাল গড়িয়ে বেলা নামতেই সমাবেশস্থলের নির্ধারিত জায়গায় মানুষের তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
অনেকের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা।
কারও হাতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড, আবার কেউ বহন করছেন নানা স্লোগান লেখা ব্যানার। সমাবেশস্থলের আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গাতেও অবস্থান নিয়েছেন অনেকে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে বাঁশখালীতে তৈরি হয়েছে ভিন্ন আবহ। স্থানীয়দের মধ্যে যেমন উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে, তেমনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের দুর্ভোগের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।
সমাবেশস্থলের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি করা হচ্ছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেতে সকালেই সমাবেশস্থলে চলে এসেছেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে তীব্র রোদের মধ্যে অপেক্ষা করতে কোনও কষ্ট নেই।
সূত্র:বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
টিটিএন ডেস্ক: 






















