কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীতে রূপ দিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং আধুনিক পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পকে টেকসই ও অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করতে সরকার পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ মহাপরিকল্পনার আলোকে পর্যায়ক্রমে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন, জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ এবং নতুন পর্যটন গন্তব্য চিহ্নিত করা হবে।
তিনি জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নে পর্যটন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, ভলান্টিয়ার টিম গঠন, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার, বহুভাষিক ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পর্যটনের ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
কক্সবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ১৩২ দশমিক ৪৪ একর জমিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারের মোটেল লাবনী কমপাউন্ডে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
লিখিত জবাবে আরও উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার, সিলেট ও খুলনায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের নিজস্ব জমিতে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে চাহিদা ও বাজার সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইকো-ট্যুরিজম, কমিউনিটি-বেইজড ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলে দেশের পর্যটন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















