ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে দুই মৃত্যু, কিশোরীর পর সাবেক স্কুল দপ্তরীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় হেফজখানার শিক্ষক জাফর আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা উখিয়ার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র টেকনাফে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করবেন : দুই দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন মন্ত্রী সাচিং প্রু দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার কক্সবাজার আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় জেলায় তিন অগ্নিকাণ্ড হিমঘরে ১০ মরদেহ, ডিএনএ টেস্টের পর হস্তান্তর, ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি, মামলায় কারাগারে রিসোর্ট ম্যানেজার ১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি আলোচিত ইয়াবা মামলার আসামী সলিম উল্লাহ গ্রেফতার সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা
এমপি কাজলের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারকে বিশ্বের পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করা হবে

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীতে রূপ দিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং আধুনিক পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পকে টেকসই ও অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করতে সরকার পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ মহাপরিকল্পনার আলোকে পর্যায়ক্রমে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন, জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ এবং নতুন পর্যটন গন্তব্য চিহ্নিত করা হবে।

তিনি জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নে পর্যটন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, ভলান্টিয়ার টিম গঠন, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার, বহুভাষিক ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পর্যটনের ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কক্সবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ১৩২ দশমিক ৪৪ একর জমিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারের মোটেল লাবনী কমপাউন্ডে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

লিখিত জবাবে আরও উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার, সিলেট ও খুলনায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের নিজস্ব জমিতে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে চাহিদা ও বাজার সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইকো-ট্যুরিজম, কমিউনিটি-বেইজড ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলে দেশের পর্যটন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ

এমপি কাজলের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারকে বিশ্বের পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করা হবে

আপডেট সময় : ০১:০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীতে রূপ দিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং আধুনিক পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পকে টেকসই ও অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করতে সরকার পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ মহাপরিকল্পনার আলোকে পর্যায়ক্রমে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন, জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ এবং নতুন পর্যটন গন্তব্য চিহ্নিত করা হবে।

তিনি জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নে পর্যটন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, ভলান্টিয়ার টিম গঠন, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার, বহুভাষিক ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পর্যটনের ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কক্সবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ১৩২ দশমিক ৪৪ একর জমিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারের মোটেল লাবনী কমপাউন্ডে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

লিখিত জবাবে আরও উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার, সিলেট ও খুলনায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের নিজস্ব জমিতে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে চাহিদা ও বাজার সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইকো-ট্যুরিজম, কমিউনিটি-বেইজড ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলে দেশের পর্যটন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।