টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ে ঢলে প্লাবিত হওয়া এলাকা থেকে পানি নেমে যাওয়ার পর ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। মানুষের ঘরবাড়ি,ফসলের মাঠ, স্কুল কলেজ, মসজিদ মাদ্রাসা সবখানেই বেহাল দশা। পানি সরে গেলেও কাদামাটি সরাতে বেগ পেতে হচ্ছে প্লাবিত এলাকার মানুষের।
প্লাবিত এলাকায় দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট, খাবারের সংকট। যদিওবা সরকারি উদ্যোগে দূর্গত এলাকায় শুকনো খাবারসহ ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়েছে তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
এবারের বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া,মাতামুহুরি ও পেকুয়া উপজেলা। এ তিন উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে চকরিয়ায় ত্রাণ বিতরণকালে সরকারের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেছেন, দূর্গত প্রতিটি মানুষ পাবে সরকারি সহায়তা।
প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেন, পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ কমা পর্যন্ত যত রকম সাহায্য দরকার সেটা সরকার দেবে। এর জন্য যত বরাদ্দ দরকার সরকার ব্যবস্থা নেবে। সরকারি সহায়তা থেকে দুর্গত কোন মানুষ বাদ পড়বে না।
এছাড়া বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন ও সংস্কারকাজ সহ ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















