ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ জুড বেলিংহাম: জিদানের পর এমন বিশ্বকাপ কি আর কোনো মিডফিল্ডার খেলেছেন? প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮৩ কোটি টাকা : সংসদে অর্থমন্ত্রী সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক  ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জুলাইয়ের আগে যা দেখেছিলাম জুলাইয়ের পরেও তা দেখি: সারজিস বৃষ্টি কমবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে আজ থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক টেকনাফে ২০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে আহত বন্য মা হাতিটির মৃত্যু সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই টেকনাফে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৮০ পরিবারকে জরুরি সহায়তা দিচ্ছে যুব সংগঠন কক্সবাজারের বন্যার্তদের মাঝে জেলা ছাত্রদলের শুকনো খাবার ও সুপেয় পানি বিতরণ পাহাড়ধস : রান্না ঘরে প্রাণ গেলো কলাতলীর গৃহবধূ রোজিনার চকরিয়া-মাতামুহুরীতে খাবার আর বিশুদ্ধ পানির সংকট
মহেশখালীতে পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ

মহেশখালীতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা একাধিক মামলার আসামি মো. কাশেমকে পুলিশের উপর হামলা করে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা শফিউল আলমের বিরুদ্ধে। ২১ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও হাতকড়া নিয়ে পলাতক ওই আসামিকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এই রিপোর্ট লেখার আগমুহূর্তে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সুলতান টিটিএন-কে বলেন, পালিয়ে যাওয়া আসামিকে এখনো ( ১২ জুলাই, সন্ধ্যা ৭ টাঃ) গ্রেফতার করা যায়নি। আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতা জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, বিএনপির ওই নেতার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা করে আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে। এই ঘটনায় কারা প্রকৃতপক্ষে জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত শফিউল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের বটতলী বাজার নামক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, স্থানীয় মোহাম্মদের ছেলে পলাতক কাশেমের বিরুদ্ধে মানবপাচারসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া বিগত সরকারের আমলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত কাশেম এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করতেন।

গতকালকের এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী লীগের নেতা ও একাধিক মামলার আসামিকে বিএনপি নেতা কর্তৃক ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গভীর উদ্বেগের।

আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়, এটি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগ প্রক্রিয়ার জন্যও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে এবং জনমনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ

মহেশখালীতে পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

মহেশখালীতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা একাধিক মামলার আসামি মো. কাশেমকে পুলিশের উপর হামলা করে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা শফিউল আলমের বিরুদ্ধে। ২১ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও হাতকড়া নিয়ে পলাতক ওই আসামিকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এই রিপোর্ট লেখার আগমুহূর্তে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সুলতান টিটিএন-কে বলেন, পালিয়ে যাওয়া আসামিকে এখনো ( ১২ জুলাই, সন্ধ্যা ৭ টাঃ) গ্রেফতার করা যায়নি। আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতা জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, বিএনপির ওই নেতার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা করে আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে। এই ঘটনায় কারা প্রকৃতপক্ষে জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত শফিউল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের বটতলী বাজার নামক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, স্থানীয় মোহাম্মদের ছেলে পলাতক কাশেমের বিরুদ্ধে মানবপাচারসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া বিগত সরকারের আমলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত কাশেম এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করতেন।

গতকালকের এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী লীগের নেতা ও একাধিক মামলার আসামিকে বিএনপি নেতা কর্তৃক ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গভীর উদ্বেগের।

আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়, এটি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগ প্রক্রিয়ার জন্যও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে এবং জনমনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে।