ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০ দূর্গত এলাকায় সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট উখিয়ার হলদিয়ায় দোকান থেকে মোটরসাইকেল চুরি, সন্ধানদাতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা ঈদগাঁওয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর চকরিয়ার কৈয়ারবিলের সেই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার সেমিফাইনালের পরিসংখ্যানে বিস্ময়! আর্জেন্টিনার ৭ বিভাগেই এক নাম—মেসি রামুর কচ্ছপিয়ায় স্রোতে ভেসে গিয়ে একজনের প্রাণহানি দুর্গতদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সরাকরি সহায়তা থেকে দূর্গত কোনো মানুষ বাদ পড়বেনা- চকরিয়ায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি সোমবার : দোয়া কামনা পেকুয়ায় চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের উদ্যোগে চলছে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ জুড বেলিংহাম: জিদানের পর এমন বিশ্বকাপ কি আর কোনো মিডফিল্ডার খেলেছেন? প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮৩ কোটি টাকা : সংসদে অর্থমন্ত্রী

জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০

এবারের বন্যায় কক্সবাজার জেলার ৭১ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৯ টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা দুই লক্ষ ৫০ হাজারের বেশী গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

অন্যদিকে এবারের টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধস ও পাহাড়ী ঢলে এবং পানিতে ডুবে মারা গেছে মোট ৩০ জন।

পাহাড়ধসে ১১ ও ৫ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৩ জন, কক্সবাজার শহরতলীর ছাত্তার ঘোনা,দরিয়ানগর, ঝিরঝিরি পাড়ায় ৩ জন, চকরিয়ার বরইতলীতে ২ জন, পেকুয়ার টৈটংয়ে ১ জন এবং উখিয়ার হলদিয়া পালংয়ে ১ জনসহ মোট ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আর পাহাড়ী ঢলে বা বানের জলে ভেসে গিয়ে রামুর কচ্ছপিয়ায় ১ জন,মহেশখালীর কুতুবজোমে ১ জন,পেকুয়ায় পানিতে ডুবে ১ শিশু, চকরিয়ার বরতলীতে ৭ জনসহ মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০

জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০

আপডেট সময় : ০১:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

এবারের বন্যায় কক্সবাজার জেলার ৭১ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৯ টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা দুই লক্ষ ৫০ হাজারের বেশী গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

অন্যদিকে এবারের টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধস ও পাহাড়ী ঢলে এবং পানিতে ডুবে মারা গেছে মোট ৩০ জন।

পাহাড়ধসে ১১ ও ৫ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৩ জন, কক্সবাজার শহরতলীর ছাত্তার ঘোনা,দরিয়ানগর, ঝিরঝিরি পাড়ায় ৩ জন, চকরিয়ার বরইতলীতে ২ জন, পেকুয়ার টৈটংয়ে ১ জন এবং উখিয়ার হলদিয়া পালংয়ে ১ জনসহ মোট ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আর পাহাড়ী ঢলে বা বানের জলে ভেসে গিয়ে রামুর কচ্ছপিয়ায় ১ জন,মহেশখালীর কুতুবজোমে ১ জন,পেকুয়ায় পানিতে ডুবে ১ শিশু, চকরিয়ার বরতলীতে ৭ জনসহ মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।